• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 314,020 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার অভিযোগের পরও ধরাছোঁয়ার বাইরে মতিউর!

প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান
বারবার সরকারের ওপর মহল থেকে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জঙ্গি পৃষ্ঠপোষকতা ও সম্পৃক্ততা থাকার প্রমাণ আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারপরও গভীর এক রহস্যময় কারণে গ্রেফতার করা হচ্ছে না তাকে। আনা হচ্ছে না আইনের আওতায়। জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্তার অভিযোগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলাকারীদের সঙ্গেও তার সম্পর্ক থাকার অভিযোগ উঠেছে একাধিবার। অথচ এরপরও তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে আনা দুরে থাক, জিজ্ঞাসাবাদ পর্যন্ত করা হয়নি বা হচ্ছে না। জঙ্গিবাদবিরোধী এবং স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির একাধিক ব্যক্তি বিস্ময়ের সঙ্গে তাদের এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জানান, জনগণের শক্তিতে রাজনীতিতে অভিষিক্ত গণতন্ত্রের দুই নেত্রীকে এই মতিউর রহমান ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলার করুণ বিপর্যয় ঠেলে দেন। অথচ আজ প্রেক্ষাপট পাল্টে গেলেও সেই মতিউর রহমানকে স্পর্শ করার সাহস কারোই হয় না। তার পরামর্শের কারণে শূধুমাত্র দুই প্রধান নেত্রীই জেল খাটেননি, দেশের বড় বড় রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীরাও নির্যাতন আর নানান হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবুও জঙ্গি সহযোগী প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান কী এক রহস্যময় শক্তির আধারে থাকছেন। তাঁকে আজকের গণতন্ত্রের সরকারও জিজ্ঞাসাবাদের সাহস রাখে না।

তারা আরও জানান, বঙ্গভবনে বসে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান গভীর বেদনা নিয়ে গ্রেনেড হামলায় নিহত পত্নী আইভি রহমানের কথা ভাবেন। নিঃসঙ্গ জীবন তাঁর ক্ষয়ে যায়, তবু ওই জঙ্গিদের সক্রিয় পৃষ্ঠপোষক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানকে গ্রেনেড হামলার তদন্তকারীরা কিসের জন্য রেহাই দিলেন, তা নিয়ে কৌতূহলী মানুষের প্রশ্নের শেষ নেই। এ বছর ১৯ মে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারেক আহমেদ সিদ্দীকি প্রথম আলোর মতিউর রহমানের দিকে আঙুল তাক করে র‌্যাব ধ্বংসের চক্রান্ত ও জঙ্গি তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগ এনেছিলেন। বলেছিলেন, ওই সম্পাদক জঙ্গিদের সহায়তা করেছেন, জঙ্গিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এমন প্রমাণও তাঁদের হাতে রয়েছে। তবে তিনি বলেন, ওই সম্পাদকের জঙ্গি সম্পৃক্ততার বিষয় নিয়ে অধিকতর তদন্ত হচ্ছে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক হয়রানি করতে চান না বলে তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। একজন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার এই বক্তব্য মতিউর রহমানের উদ্দেশ্য এবং কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অনেক আগাম ইঙ্গিতই স্পষ্ট করে দিয়েছে। সরকারের প্রভাবশালী নৌ-পরিবহনমন্ত্রী এ বছর ২১ আগস্ট গাবতলী বাস টার্মিনালে এক আলোচনা সভায় বলেছিলেন, ২১-এর গ্রেনেড হামলার অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী হলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। তিনি ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। তাঁর মূল এজেন্ডাই ছিল রাজনীতিকে মেধাশূন্য করা। আর সেই এজেন্ডা নিয়ে তিনি আজও কাজ করে যাচ্ছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকররা ক্ষেভের সঙ্গে আরও বলেন, সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যখন এ ধরনের শক্ত অভিযোগ আনেন তখন প্রথম আলো সম্পাদক আরো বেপরোয়া হয়ে অগ্রসর হন। তখন সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠে, মতিউর রহমান কতটা শক্তিশালী? তিনি কি একটি গণতান্ত্রিক সরকারের চেয়েও শক্তিশালী? তিনি কি দেশে প্রচলিত সকল আইনের ঊধর্ে্ব? সরকারের উপদেষ্টা ও মন্ত্রীরা যখন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনেন, জঙ্গিবাদের সম্পৃক্ততা যার বিরুদ্ধে স্পষ্ট, সেই মতিউর রহমান যদি থেকে যান ধরা ছোঁয়ার বাইরে, তখন সাধারণের মনে অনেক প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক। সরকার তার যে প্রতিনিধিদের নিয়ে দেশ পরিচালনা করছেন, সেই প্রতিনিধিদের বক্তব্য সত্য হলে মতিউর রহমান কেন আইনের ঊধর্ে্ব থাকবেন ?

তারা আরও বলেন, আজ এর সুরাহা হওয়ার সময় এসেছে। কেউ কেউ যদি আইনের ঊধর্ে্ব উঠে যান, যা ইচ্ছে তাই বলতে থাকেন, করতে থাকেন, তাহলে তাহলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয় না। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন, সবার জন্য সমান আইন। ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার মতো রক্তাক্ত ও অভিশপ্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত_এমন অভিযোগ উঠলেও প্রথম আলোর সম্পাদককে ধরাছোঁয়ার মধ্যে না আনায় সরকারের কার্যকারিতা ও ন্যায়বিচার প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যায়। দেশে বিরাজমান জঙ্গি তৎপরতা, দেশকে আবারো এক নতুন ষড়যন্ত্রের দিকে ঠেলে দেওয়ার তৎপরতা আর ২১-এর গ্রেনেড হামলার সত্য উদ্ঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের জন্যই তাঁকে আইনের আওতায় আনা আজ জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।


সূত্রঃ
https://i0.wp.com/www.bd-pratidin.com/images/spc_main_logo.gif

বেনাপোলে দুই বিএসএফ সদস্যকে আটকের পর ছেড়ে দিয়েছে বিজিবি

যশোর অফিস ও বেনাপোল প্রতিনিধি
বেনাপোলের দৌলতপুর সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের দুই সদস্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে সম্পূর্ণ বিনা উস্কানিতে এক পরিবারের মালামাল তছনছ করেছে। খবর পেয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সদস্যরা বিএসএফের ওই দুই সদস্যকে অস্ত্রসহ আটক করে। গতকাল সকালে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু’দেশের সীমান্তে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেয়। দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত আটক দুই বিএসএফ সদস্য বিজিবির হেফাজতে ছিল। আড়াইটায় দু’দেশের সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর ক্যাম্প কমান্ডার পর্যায়ের পতাকা বৈঠকে বিজিবি সদস্যরা আটক দুই বিএসএফ সদস্যকে ফেরত দিলে সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত হয়।
বিএসএফের ওই দুই সদস্য হলেন এম কে রবার্ট ও বিজয় সিংহ।
বিজিবি দৌলতপুর ক্যাম্প ইনচার্জ আজিজ আহমেদ জানান, সকালের দিকে ভারতের কালিয়ানী ক্যাম্পের বিএসএফের ওই দুই সদস্য বিনা উস্কানিতে অস্ত্রসহ বেনাপোলের গাতিপাড়া গ্রামে ঢুকে পড়ে। তারা সীমান্ত সংলগ্ন একটি বাড়িতে ঢুকে মালামাল বাইরে ফেলে দেয়। এ নিয়ে এলাকায় হৈচৈ পড়ে যায়। এ সময় গ্রামের লোকজন বিজিবি দৌলতপুর ক্যাম্পে খবর দিলে বিজিবি সদস্যরা এসে তাদের আটক করেন। এ ঘটনায় উভয় সীমান্তে হঠাত্ করেই উত্তেজনা দেখা দেয়। বিজিবি ও বিএসএফ সদস্যরা অস্ত্র নিয়ে মুখোমুখি অবস্থান নেন। দুপুর দুইটা পর্যন্ত আটক বিজিবি সদস্যরা বিজিবি’র দৌলতপুর ক্যাম্প সদস্যদের হেফাজতে ছিলেন।
এদিকে গাতিপাড়া বিজিবি ক্যাম্প ইনচার্জ নায়েক সুবেদার আবদুুল আজিজ জানান, এম কে রবার্ট ও বিজয় সিং নামে বিএসএফের ওই দুই সদস্য একদল চোরাচালানিকে ধাওয়া করে। চোরাচালানিরা ভারত সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে ঢোকে। তাদের পিছু নেয়া বিএসএফ সদস্যরাও বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে। এ সময় সেখানে দায়িত্ব পালনরত বিজিবি সদস্যরা তাদের অস্ত্রসহ আটক করেন।
বিজিবি পুটখালী কোম্পানি হেডকোয়ার্টার ইনচার্জ আজিজুর রহমান জানান, দু’দেশের বিএসএফ ও বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে আটক বিএসএফ সদস্যদের ফেরত দেয়া হবে।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত দুপুর আড়াইটায় বিএসএফ ও বিজিবি’র মধ্যে ওই পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকে বিএসএফের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন হরিদাসপুর ক্যাম্প কমান্ডার লাল বাহাদুর সিং ও বিজিবির নেতৃত্ব দেন বেনাপোল বিজিবি হেড কোয়ার্টারের কোম্পানি কমান্ডার এমদাদ হোসেন। বৈঠকে আটক বিএসএফের দুই সদস্যকে বিএসএফ কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে দু’দেশের সীমান্ত পরিস্থিতি শান্ত হয়।
যশোর ২২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল হাসিব আলম পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিএসএফের আটক দুই সদস্যকে ফেরত দেয়ার কথা স্বীকার করেছেন।
সূত্রঃ
https://i2.wp.com/www.amardeshonline.com/img/amardesh.png

সত্যিই কী ঘটেছিল ২০০১ সালের এ দিনে?

http://muinebheagvsenglish.files.wordpress.com/2010/03/9-11wtc1.jpg

এর আগে এমন দৃশ্য দেখেনি বিশ্ব। দেখেনি খোদ মার্কিন জনগণও। আজ থেকে১০ বছর আগে, ঠিক এই দিনে, বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব মোড়ল যুক্তরাষ্ট্রের ভীত। বিমানের তীব্র ঠুকুনিতে তাসের ঘরের মতো লুটিয়ে পড়েছিল মাথা উঁচু করে থাকা টুইন টাওয়ার। আক্রান্ত হয়েছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনও। আর এ ঘটনাতেই বদলে যায় বিশ্ব রাজনীতি। বিশ্বব্যাপী শুরু হয় সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ। সে যুদ্ধ আজও চলছে।
আজ ৯/১১, বিশ্ব রাজনীতিকে বদলে দেওয়া সেই ৯/১১। কী ঘটেছিল ২০০১ সালের এ দিন? সত্যিই কি আল-কায়েদা সে দিন মার্কিন শৌর্যে আঘাত হেনেছিল! নাকি সবই ছিল পাতানো, বিশ্বকে করায়ত্ত করার মার্কিন কূটকৌশলের অংশ! এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক যুক্তি আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য, ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদাই এ হামলা চালিয়েছে। আল-কায়েদাও অবশ্য এ হামলারদায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। তবে সন্দেহবাদীরা যুক্তরাষ্ট্র কিংবা আল-কায়েদা কারওবক্তব্যেই আস্থা রাখতে নারাজ। তাদের যুক্তি, অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র, দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষাব্যূহ, সুতীক্ষ গোয়েন্দা নজরদারিকে ব্যর্থ করে দিয়ে আল-কায়েদার পক্ষে মার্কিন মুলুকে এত বড় হামলা চালানো অসম্ভব। সন্দেহবাদীরা ৯/১১-কে দেখেন বাঁকা চোখে। খুঁজে পান কুটিল ষড়যন্ত্রের গন্ধ। ৯/১১-এর ঘটনা নিয়ে এখনোঅনেকের মনে রয়েছে নানা প্রশ্ন। ঘটনার ১০ বছর পরও সে প্রশ্নের উত্তর অমীমাংসিত। এসব প্রশ্নের মধ্যে পাঁচটি সবচেয়ে আলোচিত।
২০০১ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি বিমানছিনতাই হয়েছিল। সন্দেহবাদীরা প্রশ্ন তোলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের আছে বিশ্বেরসবচেয়ে শক্তিশালী বিমানবাহিনী। কিন্তু তারা কেন এই ছিনতাই হওয়া বিমান থামাতে ব্যর্থ হলেন?’

এ প্রশ্নের উত্তরও আছে তাদের কাছে। সন্দেহবাদীরা বলেন, তত্কালীনভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি সামরিক বাহিনীকে নিশ্চুপ এবং বিমান না থামাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন আছে, ‘মাত্র কয়েকটি ফ্লোরে আগুন ধরার পর এত দ্রুত কেন টুইনটাওয়ার ধসে পড়ল?’

এ প্রশ্নের উত্তরে সন্দেহবাদীরা বলেন, আসলে নিয়ন্ত্রিত উপায়েই টুইন টাওয়ার ধ্বংস করা হয়েছে। কারণ, ভবনে অপেক্ষাকৃত কম সময়ব্যাপী আগুন জ্বলেছিল (বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র ১-এ ১০২ মিনিট এবং বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র ২-এ ৫৬ মিনিট), অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ভবন ধ্বংস হয়েছে এবং ধ্বংসের কিছু সময় আগে বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে।
সন্দেহবাদীরা প্রশ্ন তোলেন,‘একজন প্রশিক্ষণার্থী চালক কীভাবেএকটি বাণিজ্যিক বিমান পরিচালনা করে পেন্টাগনে হামলা চালালেন?

সন্দেহবাদীরা বলেন, ছোট বিমান ব্যবহার করে পেন্টাগনে হামলা চালানো হয়েছে এবং ওই বিমান আল-কায়েদা নয়, পেন্টাগন নিজেই তা নিয়ন্ত্রণ করেছে।
প্রশ্ন রয়েছে, ‘পেনসিলভানিয়ার সাংকসভিলে ইউএ ৯৩ বিমান বিধ্বস্তের স্থান কেন এত ছোট এবং সেখানেবিধ্বস্ত বিমানটির ধ্বংসাবশেষ কেন দেখা যায়নি?’

সন্দেহবাদী তাত্ত্বিকেরা বলেন, ইউএ ৯৩ বিমানটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছিল। এতে মধ্য আকাশেই বিমানটি খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায়। ফলে বিমানের ধ্বংসাবশেষ বৃহত্ এলাকায় ছড়িয়ে যায়।
ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকেরা প্রশ্ন তোলেন, ‘স্টিলের তৈরি অন্য কোনো আকাশচুম্বী ভবন আগুনের কারণে ধ্বংস হয়না। কিন্তু বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র-৭ বিমান হামলায় আক্রান্ত না হয়েও কেন এত দ্রুত ভেঙে পড়ল?’

এ ঘরানার মানুষেরা বলেন,বিস্ফোরক ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র-৭ ধ্বংস করা হয়েছে।

ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের এসব সন্দেহমূলক প্রশ্নের জবাব আছে পেন্টাগনের কাছে। কিন্তু এবিশ্বে এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা পেন্টাগনের কথায় খুব কমই আস্থা রাখেন। অবশ্য পেন্টাগনও যে মিথ্যা কথা বলে, তার নজির প্রায়ই মেলে।—বিবিসি অবলম্বনে।

সূত্রঃ  *প্রতিদিনের তাজা খবর [fαcєвook vєяsίoN]*

 

বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া “একই দেশ” নয়

https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/304424_137245923038385_115857601843884_182727_1252656641_n.jpg

সৈয়দ আশরাফ বলেছেন,

“ঐতিহাসিকভাবে এবং ঐতিহ্যগতভাবে আমরা (ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশ) একই দেশের মানুষ, একই দেশের নাগরিক। আমাদের একই সংস্কৃতি, একই ভাষা, একই ধর্ম ও একই ঐতিহ্য।”

কখনই বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া “একই দেশ” নয়, “একই ভাষা” নয়, “একই ধর্ম” নয় ।

বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে বৃহত্তর ইন্ডিয়ার শোষণ থেকে ১৯১১ সালে আমরা মুক্ত হয়েছি। আর মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্ত হয়েছি ১৯৭১ সালে। বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া “একই দেশ” এই কথা বলে কি ৩০ লাখ শহীদের রক্তকে অপমান করা হলো না ?

যে ভাষার জন্য ১৯৫২ সালে সালাম, রফিক, বরকত উষ্ণ রক্ত ঢেলে দিল “একই ভাষা” বলে কি সে ভাষাকে কি অপমান করা হলো না ? ইন্ডিয়ার ৮০.৫% হিন্দু , আর বাংলাদেশের ৯০.৪% মানুষ মুসলমান। আমাদের ধর্ম কি এক হলো ?

আজ যদি কেউ বলে, “ঐতিহাসিকভাবে এবং ঐতিহ্যগতভাবে পাকিস্তান ও আমরা একই দেশের মানুষ একই দেশের নাগরিক।” তাকে দেশদ্রোহী ও রাজাকার বলবেন নিশ্চই।

তাহলে বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া কে “একই দেশ” বললে তাকে কি বলবেন ?

সূত্রঃ

তুমি অধম , তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন ?

 

Dhaka-Delhi Ties: ‘Imposed Treaties’ Cannot Bring Peace, Security

M. Shahidul Islam


The lopsided treaty of Versailles that was imposed upon Germany at the conclusion of the First World War brought Hitler to power and sparked another Great War two decades later. Likewise, the 25- year treaty of friendship which Delhi foisted upon Dhaka at the conclusion of the 1971 Indo-Pak war is liable for much of the bloody turmoil that had pulverized Bangladesh in the late 1970s, and continues to do so until now.

https://i0.wp.com/cdn1.beeffco.com/files/poll-images/normal/manmohan-singh_2187.jpg

At least four different uneven treaties/agreements are being prepared for signing during the Indian PM Manmohan Singh's upcoming visit to Dhaka on September 6-7

It was only recently that Dhaka and Delhi have begun to look eye ball to eye ball. Yet, as if the lessons of history were meant to be brushed aside as nonsense, Bangladesh is once again turning into a satellite state. At least four different uneven treaties/agreements are being prepared for signing during the Indian PM Manmohan Singh’s upcoming visit to Dhaka on September 6-7. Excepting the Teesta water sharing agreement, of which little in specific is known as yet, all other agreements are uneven and detrimental to regional peace and stability.

Too much, too fast

Especially the transit deal has moved too fast, despite its onerous geopolitical and economic ramifications. The persistent brinkmanship since it first demanded in 2009 a slew of concessions from Dhaka have finally compelled Bangladesh to capitulate to unreasonable and unfair Indian demands.
While moving with a break-neck speed to secure transit/corridor through Bangladesh, Delhi has also decided to flood our streets with otherwise not-export-worthy Indian vehicles and locomotives, and, to make us energy dependent by finalizing a handful of power connectivity schemes.
Foreign Minister Dipu Moni said on July 18 that Bangladesh and India have taken a “political decision” on transit (read corridor) for India and a number of protocols regarding the transit would be finalized before the Indian PM’s scheduled visit to Bangladesh on September 6-7, which, Moni said, ‘are expected to be signed.’

Power & transportation

That message received a glowing reception in Delhi. The same day, Delhi gave mandate to its state-run power producers-NTPC and its appendix the Vidyut Vypar Nigam Ltd. (NVVN) – the mandate to export 250 MW of power to Bangladesh. “We are going to export 250 MW to Bangladesh from the 15 per cent unallocated power we have, and will develop 1,320 MW at Khulna,” NTPC Chairman and Managing Director, Arup Roy Choudhury, said on the sidelines of an energy seminar.

This particular move seems too hypocritical and unrealistic due to over 400 million Indian consumers still having no access to electricity; a fact that should have compelled Delhi to focus on providing electricity to its own people first before moving aggressively to set up transmission lines with Bangladesh under a dubious pact signed in July 2010 between the Power Grid Corporation of India Ltd and the BPDB of Bangladesh. This power connectivity is expected to be commissioned by early 2013, at a cost of US$ 190 million (around Rs 907 crore).

Already knee-deep into our telecommunication and RMG sectors with over $2 billion stakes, the Indian dash to overtake the transportation and the power sectors is as alarming as is the transit deal.

Yet, finance minister AMA Muhith disclosed last week that his government would spend $960 million of the $1 billion loan committed by the Indian Exim Bank to procure from India 300 double-decker buses, 50 single-decker, 50 articulated, 50 flat wagons, 180 oil tankers and a host of other vehicles and locomotives, in phases.

All these procurements remind one of the sordid memories created by the Indian Maruti taxicab procurement scam of 1998-2000, all those vehicles finding their places in junkyards in less than five years time. This time, the loans must be paid irrespective of the quality of the merchandise provided by India. More loans also mean more tax burden on ordinary people.

Diplomatic shamble

That’s not all. The Bangladesh ambassador in Kathmandu, Neem Chandra Bhowmik, was found by the Nepalese authorities to have indulged in a range of non-diplomatic activities, prompting the Nepalese foreign ministry to urge Dhaka for his immediate withdrawal from the Himalayan kingdom. One source said, some of the allegations against Bhowmik involved spying on behalf of India, something the Maoist-dominated Nepalese elites found utterly reprehensible, undiplomatic and damaging to their national interest. “Dhaka has launched an investigation to verify those allegations,” according to the source.

https://i0.wp.com/www.ittefaq.tv/Pic/Profneemchandrabhowmik.jpg

Neem Chandra Bhowmik involved spying on behalf of India

A former teacher of the Dhaka University, Bhowmik has been a leading stalwart in the Hindu-Buddhist-Christian Association of Bangladesh prior to his hand-picked, mysterious nomination in 2009 to serve as Bangladesh’s High Commissioner in Nepal. The army-backed caretaker regime once arrested and imprisoned him for stirring trouble between soldiers and students in August 2007.

If that was not enough, another hand-picked émigré academician cum diplomat had caused further embarrassment to the government by meeting last week with the exiled Tibetan leader, Dalai Lama, in New York. Dr. A.K. Abdul Momen, who too was chosen as a blue-eyed buddy of the PM to become Bangladesh’s Permanent Representative to the UN, did not even bother to ponder how his meeting with the Tibetan exiled leader would throw a deadly spanner on Bangladesh’s long-held one-China policy.

Free transit

For too long, an agile and doggedly arrogant pro-Indian cabal has showcased the transit deal as a cash cow for Bangladesh. Now, weeks before the deal is set to be inked and wrapped, the economic gains seem negative when the cost of maintaining and securing the infrastructure is subtracted from whatever may be levied as transit royalty from the ferrying Indian vehicles. Besides, not only our limited road infrastructures will be overcrowded-and the venomous wrath of secessionist forces of Indian north east, the Chinese anger notwithstanding, will be drawn into-there is no other tangible quid pro quo laced with the deal. Compare this with how diplomacy got conducted in the past. Soon after the partition of India in 1947, Nehru wrote to Jinnah seeking transit facilities from the Chittagong port to the Indian North Eastern states. Jinnah replied, “Excellency, this request can be honoured in a mutually beneficial manner. Please allow Pakistan to ferry goods from the Karachi port to East Pakistan via India.” Nehru never responded to that counter-offer.

Border dispute

That old-fashioned Indian bluff is called once again due to Delhi showing no intention of resolving the outstanding border demarcation issues with Bangladesh. The euphoria expressed on July 14 by Kamal Uddin Ahmed, a Bangladesh government official involved in the bilateral survey of population living in adverse possessions in both countries, that the so-called head count survey by 125 surveyors from both the countries would be completed in 7 days to prepare ground for the boundary dispute settlement during the Indian PM’s Dhaka visit, has turned sour within days.

On July 17, survey at the Mehgalaya-Bangladesh border had to be abandoned due to what the state-controlled Press Trust of India (PTI) said “difference of opinion between the two sides regarding the location of the international border.” Of course there is difference of opinion, but how long this stalemate can linger?

The decision to jointly verify the enclave population was taken last September and a Joint Boundary Working Group (JBWG) was created to resolve disputes along the Dibirhaor, Sripur, Tamabil, Sonarhat, Bichnakandi, Protappur and Lalakhal in Sylhet, abutting Meghalaya. Other enclaves slated for the survey and demarcation abut the Cooch Behar and Jalpaiguri districts of West Bengal, and, some are along the Kurigram, Nilphamari, Lalmonirhaat and Pachagarh districts of Bangladesh. The survey on hold, no deal on border dispute settlement is expected sooner.

Bitter past

That Delhi is reluctant to settle this combustive matter became clear from other indications. Indian officials claim the population of 111 Indian enclaves is around 100,400 while the 51 Bangladeshi enclaves inside India have 44,000 residents only. Bangladesh, on the other hand, claims it has 55 enclaves inside India and the population of those enclaves is about 150,000 to 300,000. The two nations share over 4,000 km of border, of which about 6.1 km was thought to have remained un-demarcated. Upon closer look, over 15 km of border is found un-demarcated.

Besides, according to Bangladeshi officials, 7,000 acres of Bangladeshi land is inside India and only 3,500 acres of Indian land inside Bangladesh, which India claims to be 17,000 acres. From these wide variations, one can deduce the prospect of additional danger, unless some agreements are arrived at sooner.

That notwithstanding, the tactic being applied by Delhi is reminiscent of what it did in the 1970s. Dhaka and Delhi signed a land border agreement in 1974 and Dhaka expeditiously executed, ratified and handed over the Tin Bigha corridor to India, in return for the Indian commitment to hand over Berubari to Bangladesh. But Delhi never bothered to return Berubari to Bangladesh.
Thus the border demarcation issue remained on the ice, and, for four decades, the residents of Berubari and other enclaves, who are virtually stateless refugees, crossed the international border every day for cultivation and other chores by enduring strict official formalities enforced by the Indian border security personnel.

Things turned further painful when, since 2003, India started to encircle Bangladesh by constructing barbed wire fencing at a cost of $ 3 billion, and, the killing and maiming of thousands of Bangladeshis by the BSF continued unabated. Faced with such hard facts, how Dhaka can concede to unreasonable pressures from Delhi is beyond a sane person’s comprehension.

In politics, permanent interest is more important than cosmetic friendship cloaked under a deceptive blend of hoodwink, guile and blackmailing. There are proxy wars in the Indian North East and they must conclude through political means. If the US can conciliate with the Taliban, Delhi should do the same with the ULFA and the others. Only then a transit through Bangladesh will be risk free.

সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতারণা

আব্দুন নূর তুষার: প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতারণা শুরু হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত কোটি কোটি টাকার ফাঁদ। প্রতারণার বিষয়টি জানতে পেরে ইতিমধ্যে দু’টি দেশ তাদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে। জানা যায়, নিউ সেভেন ওয়ান্ডার্স ফাউন্ডেশন নাম দিয়ে সুইস চলচ্চিত্রনির্মাতা ও সংগ্রাহক বার্নার্ড ওয়েবার এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। এর সঙ্গে সুইস সরকারেরও সম্পর্ক আছে। পর্তুগালের লিসবনে তারা তাদের প্রথম প্রতিযোগিতার ফল ঘোষণা করেন ২০০৭ সালের জুলাই মাসে। তারা দাবি করেন, প্রায় ১০ কোটি ভোটার এসএমএস ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় ভোট দিয়েছিলেন। ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি সংস্থা অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমে ওই তালিকা ২০০৭ সালে প্রকাশ করে। ওই তালিকায় পিরামিড ছিল না। তাতে দক্ষিণ আমেরিকার তিনটি, এশিয়ার তিনটি ও ইউরোপের একটি প্রাচীন নির্মাণকে ভোটাভুটি করে আশ্চর্য বানিয়ে দিয়ে তারা সপ্তাশ্চর্যের পুরনো তালিকাটি বদলে দিতে চেষ্টা করেছিল। পুরনো তালিকায় ছিল দ্য কলোসাস অব রোডস, গির্জার পিরামিড, ব্যাবিলনের শূন্যোদ্যান, আলেক্সান্দ্রিয়ার বাতিঘর, হ্যালিকার্নেসাসের সমাধি, অলিম্পিয়ার জিউসের মূর্তি এবং ইফেসাসে আর্টেমিসের মন্দির।  এই আশ্চর্যগুলোর সব ক’টি এখন আর দেখা যায় না। তাই নতুন তালিকার উদ্যোগ নেয় সংস্থাটি। আর এখানেই নানা প্রশ্ন। পিরামিড বাদ পড়ার পর অনেকেই এটিকে নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। একটি সুপ্রাচীন স্থাপত্য হঠাৎ ব্রাজিলের রিডিমারের মতো একটি কুদর্শন ঢ্যাংগা মূর্তির কাছে বাদ হয়ে যাবে এটা কেউ মেনে নিতে পারেননি। অ্যাংকরভাট নিয়েও অনেক কথা হয়েছে। অনেকে বলেছেন, চীনের প্রাচীরের চেয়ে অ্যাংকরভাট অনেক বেশি দাবিদার ছিল আশ্চর্য হিসেবে ঘোষিত হওয়ার। প্রথম দিকে, বিভিন্ন ছোট ছোট দেশ এই প্রতিযোগিতার ব্যাপারে বিরাট আগ্রহ দেখায়। তবে একপর্যায়ে তাজমহল কম ভোট পেয়ে বাদ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে ভারতে এ নিয়ে বিরাট হৈচৈ শুরু হয়। মিডিয়ায় গুরুত্ব দেয়ায় ভারত থেকে কোটি কোটি ভোট পড়তে থাকে। জর্ডানের রানী নিজে প্রচারণায় নেমে পড়েন এবং ৭০ লাখ লোকের দেশ জর্ডান থেকে এক কোটি ৪০ লাখ ভোট পড়ে পেট্রার পক্ষে। ব্রাজিলের ফোন কোম্পানিগুলো ফ্রি এসএমএস ও কল করতে দিয়ে তাদের রিডিমার স্ট্যাচুকে জিতিয়ে দেয়। ভারতেও একই রকম কাণ্ড হয়। শুরুতে মনোনয়ন দেয়ার সময় ইউনেসকো তাদের সহযোগিতা করলেও পরে তারা ঘোষণা দিয়ে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। ইউনেসকো থেকে বলা হয়, এই প্রতিযোগিতা একটি ব্যক্তিগত উদ্যোগ। এর সঙ্গে ইউনেসকোর কোন সম্পর্ক নেই। প্রথম প্রতিযোগিতার পর প্রতিষ্ঠানটি বলেছিল, এই কাজে আয়োজকদের কোন আর্থিক লাভ হয়নি। বরং তারা এটা বিভিন্ন দাতাদের সহযোগিতায় সম্পন্ন করেছে। তবে তারা নানা রকম প্রচারণা স্বত্ব বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। তারা ভোটের সংখ্যা প্রকাশ করেনি এবং টাকা পয়সার হিসাবের বিষয়েও নীরব ছিল। এর পরপরই তারা শুরু করে দেয় প্রাকৃতিক আশ্চর্য নির্বাচনের প্রতিযোগিতা। শুরুতে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও সুন্দরবন- দু’টোই তালিকায় থাকলেও পরে তারা সুন্দরবনকে রেখে কক্সবাজারকে বাদ দেয়। অথচ প্রথমে তারা সুন্দরবনকেই বাদ দিতে চাইছিল। কেননা এটি দু’টি দেশে অবস্থিত এবং দু’টি দেশ থেকে সরকারিভাবে যৌথ মনোনয়ন না পেলে তারা এটাকে তালিকায় রাখবে না বলে জানিয়েছিল। এটি ছিল কৌশল। এসএমএস ও টিভি স্বত্ব বিক্রির জন্য ভারত অনেক বেশি লোভনীয়। তাই ভারতকে এই খেলায় ঢোকানোটাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশে তারা এই এসএমএস ভোটিংয়ের আয়োজন করছে। পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এই প্রতিযোগিতার জন্য এসএমএস পাঠানোর বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, প্রতিটি সিম থেকে বিশটি এসএমএস পাঠালে বাংলাদেশ ১০০ কোটি ভোট পাবে। এই প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা ভোটের কম-বেশি দিয়ে বিজয়ী নির্বাচন করেন বলে স্বীকার করেন না। ভোটের সংখ্যাও প্রকাশ করেন না। প্রতিটি এসএমএসের জন্য খরচ হবে দুই টাকা। এ হিসাবে আয় হবে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। এর থেকে ৬৮ পয়সা পাবে আয়োজক সেভেন ওয়ান্ডার্স ফাউন্ডেশন। এভাবে মোট ৬৮ কোটি টাকা পাবে তারা। সরকার আবার এই এসএমএসের জন্য ভ্যাট মাফ করে দিতে চেয়েছে। ফলে সরকারের ক্ষতি হবে ৩০ কোটি টাকা। ১৬৩৩৩ নম্বরটিতে এসএমএস পাঠাতে হবে। কিন্তু এ নম্বরটির মালিক কে বা কারা সে বিষয়ে সরকার নীরব থেকেছে। নম্বরটির মালিক কোম্পানিগুলো হলে তারা পাবে বাকি ১৩২ কোটি টাকা। আর নম্বরটির মালিক কোন ব্যক্তি হলে তিনি ১৩২ কোটি টাকার কমপক্ষে ৪০ ভাগ পাবেন। এর পরিমাণ ৫২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। মালদ্বীপ সরকার এরই মধ্যে এ প্রতিযোগিতা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করেছে। ২৪শে এপ্রিল তাদের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়। আয়োজকেরা তাদের কাছে প্রায় ৫ লাখ ডলার ফি দাবি করায় তাদের পর্যটন মন্ত্রণালয় তা প্রত্যাখ্যান করে। তারা এই প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে আশ্বস্ত হতে পারেনি। ইন্দোনেশিয়াও এটি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের পর্যটন মন্ত্রণালয়কে এই আয়োজকেরা পুরস্কার বিতরণীর সব খরচ বহন করে হোস্ট নেশন হতে চাপ দেয়। সরকার রাজি না হওয়ায় তারা কমোডো ন্যাশনাল পার্কের প্রস্তাবকারী হিসেবে মন্ত্রণালয়ের নাম কেটে দেয় এবং এটিকে বাদ দেয়ার হুমকি দেয়। তাদের মন্ত্রী  জিরো ওয়াচিক এই সংগঠনের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টার দায়ে মামলা করার কথাও বলেছেন। সংস্থাটি ইন্দোনেশীয় সরকারের কাছে চেয়েছিল ১০ মিলিয়ন বা এক কোটি ডলার।  এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের লাভের পরিমাণ অতি অল্প। প্রথমত এই সংগঠনের কোন আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নেই। এর মূল অফিস সুইজারল্যান্ডে হলেও কোন অফিস ঠিকানা নেটে নেই। রয়েছে স্পেনের একটি ঠিকানা। ওয়েবসাইটে নিজেদের বিষয়ে বক্তব্যও অস্পষ্ট। সংস্থাটির অর্জিত অর্থের পরিমাণও হিসাববিহীন। শুধু বাংলাদেশ ও ভারত থেকে এসএমএস আসবে ২০০ কোটির বেশি। এই টাকা থেকে কত ভাগ তারা ব্যয় করবে বিজয়ী দেশগুলোতে, তার কোন বর্ণনা নেই। উল্টো তারা টাকা চাইছে। মালদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়া এরই মধ্যে সরকারিভাবে অন্তত ১৫ লাখ ডলারের কথা বলেছে। বাংলাদেশী টাকায় এর পরিমাণ ১০০ কোটি টাকারও বেশি। এ সংস্থা না বললেও সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ম্যানগ্রোভ বন। ইউনেসকো একে এরই মধ্যে পৃথিবীর সম্পদ বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির কর্মকর্তারা দুবাই গিয়ে সেখানের একটি দ্বীপকে এই প্রতিযোগিতায় এনেছেন। তারা দেশে দেশে ঘুরছেন। সেভেন ওয়ান্ডার্স সংগঠনটি যারা ব্যক্তিগত লাভের জন্য প্রচারণা চালিয়ে এরই মধ্যে স্বীকৃত কিছু প্রাকৃতিক আশ্চর্যকে প্রতিযোগিতায় নামিয়ে পয়সা কামাচ্ছেন।

বিস্তারিত জানতে :

Indonesia Under ‘Attack’ by New7Wonders Foundation: Tourism Ministry

Komodo may be off 7Wonders list after RI nixes payment

Source : https://i2.wp.com/4.bp.blogspot.com/_hSzD2oC0NJw/S5NP-8eXhUI/AAAAAAAAAAs/llbzpfmB3lk/s200/manob.gif

 

Connecting the Indian Dots

by Obaid Chowdhury, USA
alaldulal@aol.com

• • General Moeen U Ahmed, the mastermind of the now infamous One-Eleven and the 2-year run emergency administration in Bangladesh from January 2007 to December 2008, went to India and came back riding on a pack of horses given to him as gift. Ominously, Bangladeshis have since been observing an increased Indian visibility in their soil.

• • Indian generals and dignitaries adored the visitors’ gallery at the Independence Day Parades and other national functions.

• • India stage-managed an election on December 29, 2008 to ensure the victory of its protégé. (See the article below, the Hillaryleak: The Truth Behind the Twelve Twenty-Nine).

• • BDR faced the worst massacre of its history on February 25-26, 2009, when nearly 60 brilliant senior army officers and their family members were brutalized, followed by a systematic purging or partisan cleansing in the military. Reports of an Indian hand in the putsch are galore! The almost daily target shooting by Indian BSF at innocent Bangladeshis indicate India controls our borders.

• • Prime Minister Sheikh Hasina paid homage to New Delhi in early 2010 and gleefully agreed virtually to an uncontrolled movement of Indian ships, barges and trucks within Bangladesh territory. She returned with a burden of $1 billion debt, only to be used to facilitate the Indian transshipment arrangements (Please see another article below on The Billion Dollar Bait).

• • Indian artists and cultural groups have since been visiting Bangladesh and returning with pockets full of corores. In this regard, please visit the following link of an article by Professor Serajul Islam Chowdhury:

ভারতীয় সংস্কৃতির আগ্রাসনে সার্বভৌমত্ব আজ বিপন্ন : আমরা দেশটির পর্নো সংস্কৃতির আগ্রাসনের শিকার

https://i0.wp.com/www.thefinancialexpress-bd.com/images/news_image_2011-05-07_21210.jpg

Prime Minister Sheikh Hasina presenting a replica of the ‘Padma Boat’, used by Tagore, to Indian vice-president M Hamid Ansari at the inaugural session of the joint celebrations of the 150th birth anniversary of Rabindranath Tagore in the city Friday. — PID photo

• • Bangladesh celebrated the 150th birth anniversary of Poet Rabindranath Tagore at state level in an unprecedented fanfare this year. Tagore was great but his communal mindset was no secret. He wrote Amar Sonar Bangla’ in protest of the ‘Bongo Bhongo’ of 1905 that were to favor the Muslims of present-day Bangladesh. Again, he elevated George V to ‘Bharat Bhagya Bhidata’ while singing ‘Jono Mono Gono’ in praise of its (bongo bhongo) annulment in 1911. In the presence of Indian invitees at the Tagore Joyonti, Prime Minister Hasina proposed to set up another ‘Shanti Niketan’ in Dhaka. She and many other Tagore worshipers might not be aware that it was Tagore who chaired a 1912 meeting in Kolkata to opposed setting up of the Dhaka University.

• • In the name of Peace Treaty in the CHT, there are renewed troubles and regular Bengali killings there. Indian connivance is suspected.

• • The Hasina administration seem to be in agreement with India which is continuing its implementation of plans to control the waters of 52 rivers, pushing their lower riparian Bangladesh to serious consequences in environment, ecology and economy.

• • Reportedly, the security of Bangladesh Prime Minister is provided by India.

• • The Indian Chief of Army Staff is due to take salute at the graduating parade at the Bangladesh Military Academy on June 19, 2011.

Can we connect the dots and see what it makes?

And, we talk so much about desh prem, jonoganer shartho, mukti juddho, shwadhinata, shwadhinatar shopokkher shokti etc. etc.!!!

Obaid Chowdhury
USA
E Mail : alaldulal@aol.com

———————-

Realted article Previously Posted :

The Truth Behind Twelve Twenty-Nine (12/29/2008)

The cat is out of the bag. The truth of 12/29—that is the December 29 (2008) Elections in Bangladeshis now open to the public.

US Secretary of State Hillary Clinton reminded Prime Minister Sheikh Hasina of Bangladesh in a tele-talk on January 15 that the ‘Madam Prime Minister’ should be mindful of the way she came to power. It was an Indian arrangement, supported by then Bush administration of the US. The transcripts of conversation were leaked in the US and found place in a few media outlets in Bangladesh. Some skeptics did doubt the authenticity of the talks; however, to my knowledge no official challenge came from Washington or Dhaka yet. Shafik Rehman of Jai Jai Din fame wrote a very interesting analogy to the reported conversation, which he termed as ‘Hillaryleak’, drawing a reference from the now famous Wikileak of cyber wizard Julian Assange. For ready reference to Rehman’s explanation, please visit the following link:

From Wikileaks to Hillaryleak

It is difficult to ignore the reasoning put forward by Rehman.

Apparently, US Ambassador in Dhaka James Moriarty informed his Home Office that the on going investigations and trial process of the War Crimes in Bangladesh were not following the correct procedures; it was geared more to serve partisan interests. US State Department sent Ambassador Stephen Rapp to Bangladesh to ascertain and report on the issue. He confirmed the reports of Ambassador Moriarty and addressed a press conference in Dhaka on January 13, 2011 to say that Bangladesh needed to revise and reform the War Crime Law in keeping with international norms. The unpleasant findings of the two US ambassadors prompted Clinton to make the call to Hasina.

Two things came clear from the Hillaryleak:

1. Sheikh Hasina’s administration was following Indian advice, if not agenda, on the much-touted trial of the War Criminals of 1971.

2. The December 29, 2008 election was a deep-rooted conspiracy by India, with the support of the US, to ensure Awami League’s victory. And, then army chief, the mastermind behind the almost-military takeover on 1/11, and the ‘great patriot’ General Moeen U Ahmad—who has now found a safe sanctuary in the US—was the front man in the conspiracy.

During the Moeen-sponsored emergency, many people voiced concerns that a conspiracy involving local and international elements was afoot to frustrate the democratic process in Bangladesh with a view to favoring a particular party and a vested group. The result of December 29, 2008 was something the Bangladeshis had never seen since Sheikh Mujib’s partisan election in 1973. In fact, the chief of the Election Commission did brag on presenting a 1973-like elections in 2008. Few missed the joke that Moeen’s ‘computer-driven military efficiency’ and the Election Commission’s ‘excellence per se’ produced a 95-102% voter turnout! Consequently, Awami League led Mohajote bagged a dictatorial majority in the parliament. And, indeed, the party has since been running the show in a virtual autocratic manner that, according to many, surpassed that of Hasina’s father Sheikh Mujibur Rahman’s own in 1972-75.

The result of the past two years’ rule in the country confirms the fact that the conspiracy fear was not a mere cry of wolf. The country saw a BDR mutiny—most say a stage-managed one—resulting in the massacre and elimination of scores of brilliant senior army officers. Indian BSF has had a free hand in target shooting the Bangladeshis on a daily basis, not mentioning the ‘Felani’ brutality, which one cannot even complain. The arrests of many locals who tried to speak for Felani are a case in point. While Bangladesh is being cordoned from all sides by wire fencing, yet it has no crib in allowing Indian legal or illegal border trades. The current administration did not even blink for once to provide the country’s ports for Indian use and roads for Indian traffic or transshipment. It swallowed one billion US Dollar bait from an Indian private bank on hard terms to facilitate Indian business and transshipment. Interestingly, all these facilities would be made by India with Indian materials, resources and experts but to be paid by the poor Bangladeshi taxpayers. Most of the 52 rivers of Bangladesh are drying out, because water is diverted upstream in India rendering the lower riparian areas virtually deserts with insurmountable economic, social, ecological and environmental consequences. Bangladesh has no voice to complain for all these, because its destiny does not seem to be in its own hands. The history of the country’s liberation war has been re-written to give it a partisan stamp, thanks to an obliging judiciary. The RAW, the Indian intelligence agency, is openly operating in Bangladesh. It ensured that the military, police and other law enforcing agencies, bureaucracy, judiciary, education, business, and in fact all aspects of life, are filled with pro-Indian elements.

Is it not time Bangladeshis wake up and see what game the current administration of Bangladesh and its sponsors are playing? Question arises: who owns this country—-Bangladeshis or Sheikh Hasina’s oveseas sponsors? Can we call ourselves sovereign under the circumstances?

From the Hillaryleaks, one can assume that the Election of  Twelve Twenty-Nine was a farce and conspiratorial. Therefore, the result of the elections was invalid and the follow up government illegal. As such, Bangladesh has been under an illegal administration since January 2009.

To clarify the matter, as well as to challenge the above assertion, the administration should immediately constitute an independent commission to find facts and make available to the public a White Paper on the Election on December 29, 2008. Let the people know the truth of Twelve Twenty-Nine. The people of Bangladesh should not pay for the greed and follies of others, if there was a conspiracy. The country needs to be saved before it is too late!

This may please be read in conjunction to an earlier demand for a White Paper on 1/11. For ready reference, please see below.

Obaid Chowdhury

NY, USA

February 4, 2011
—————-

A White Paper on 1/11

General Moin U Ahmed, the former army chief, said in his memoirs that the main reason for his ‘patriotic’ action on 1/11 was the UN warning that if army helped in the scheduled elections of January 22, 2007, Bangladesh’s participation in the UN Peacekeeping activities would be hampered. Renata Lok Dessallien, the UN Resident Representative in Bangladesh recently came out with the truth that there was no such communication from the UN. So who is telling the truth? The people of Bangladesh deserve to know it.

The two-year emergency rule of the Moin instigated Care Taker Government (CTG) though brought an immediate halt to the Awami League led savagery that killed scores of people and damaged properties worth millions it left a deep scar in the nation’s nascent democratic process as well as development activities.

In an interview with the Weekly Thikana of New York last year, General Moin bragged—or perhaps lamented—that nobody could have stopped him if he wanted to be the President on 1/11. In fact, it sounded more like ‘It was my mistake; I should have run the show as the President of the country rather than from behind the scene.’

Within the first few months of the CTG, jails were filled with arrested ‘criminals’, including the two former lady prime ministers. After about a year, these very criminals turned into saints overnight and walked out of the jails. These very ‘Dhoa Tulsi Patas’ of politicians were voted to the Sangsad again, some to rule while others to oppose. The people of Bangladesh definitely need an explanation of this Tamasha by the CTG at a huge cost to the exchequer of a poor country.

We saw the real or make-belief pictures of many such leaders dying at every moment due to physical abuse, torture, third degree method, poisoning and sedation applied by the law enforcing and intelligence agencies during custody. Yet, the perpetrators of such terrible and inhuman crime are not made to answer today for their actions. But the people want to know the facts, not the fiction.

People of Bangladesh would also like to know how over 90% people voted on December 29, 2008. Such thing does not happen even in the most developed countries and in the most educated and affluent societies of the world having the most advanced voting facilities. Conscientious people have since been wondering ‘for whom the bell tolled’ on that day! They shudder to think today if they will one day find an independent and sovereign country called Bangladesh being eclipsed!

A White Paper we need for 1/11, the two-year Emergency Rule of the CTG and the road to December 29, 2008.

Obaid Chowdhury

New York, USA

April 23, 2010
——————-

The Billion Dollar Bait Bangladesh Swallowed

Under an arrangement between the External Relations Division (ERD) of Bangladesh Government and Exim Bank of India, Bangladesh agreed to receive one billion US Dollars from India at 1.75% interest, with an additional 0.5% for the unutilized credit, repayable in 20 years.

An effusive Finance Minister AMA Muhit bragged that this was the largest bilateral loan Bangladesh ever received. He, however, did not mention that the terms of the loan were the toughest Bangladesh, a Least Developed Country under the UN development index, ever received. Bangladesh, in fact, falls within the sub-group of the Least LDCs, making it an LLDC and qualifying for mostly grants from developed nations. On large-scale loans, interest rate is usually kept around a low 0.25%; and in most cases, such loans are converted into grants subsequently. Never did Bangladesh receive a loan at such a high rate with so many strings attached.

Only after signing the documents, Bangladeshis could learn that fourteen projects costing $600 million had been agreed between the parties. Nothing is yet known of the remaining $400 million.

According to media sources, following are the 14 projects covered under the loan:

1. $71.7 million: Cost of six dredgers from India.

2. $36.2 million: Cost of construction of an internal container port at Ashuganj on Meghna, to be built by India.

3. $31.5 million: Cost of 10 broad gauge locomotive engine from India.

4. $53.6 million: Cost of 125 Broad Gauge passenger couches from India.

5. 5 & 6. $13.4 million: Cost of 117 railway wagons from India.

7. $120 million: Cost of two railway bridges at Bhirab and Titas to be built by India.

8. $30 million: Cost of 300 double-decker buses from India.

9. $6 million: Cost of 50 luxury buses from India.

10. $33.8 million: Cost of road construction and development of Sarail-Brahmanbaria-Sutlatanpur-Akhura-Sonardi, to be constructed mostly by India.

11. $31.4 million: Cost of two flyovers at rail crossings at Jurain and Malibagh, to be built by India.

12. $14.5 million: Cost of road construction between Ramgarh in Bangladesh and Sabroom in Indian state of Tripura, to be built by India.

13. $150.8 million: Cost of power gridline from Bahrampur in India to Bheramara in Bangladesh, to be built by India.

14. $8.92 million: Cost of research and development for Bangladesh Standard and Testing Institute, the technology support to be provided by India.

As can be seen from the above listing, nearly a quarter billion is meant to purchase Indian goods such as dredgers, locomotives, buses and railway couches. To this, one must add the cost of consultation, expertise, technology, additional machineries etc to be hired from India during and after implementation of the projects. Apart from selling Indian goods, promoting Indian business and arranging jobs for Indian consultants in Bangladesh, the projects are designed to set up the “Connectivity” through Bangladesh—and at Bangladesh’s cost—between mainland India and its far fetched and loosely connected Seven Sisters of Arunachal Pradesh, Assam, Meghalaya, Manipur, Mizoram, Nagaland and Tripura.

This is the Third Phase in a series of fast moving steps India has been working on since 1/11 (2007), with a view to achieving its long awaited desire of politically—and perhaps militarily too—integrating Bangladesh with its northeastern region.

In fact, this desire of integration is as old as the departure of the British in 1947; and, the dream almost materialized in 1971 through Bangladesh’s independence in which India invested so heavily. Unfortunately, for India, August 15, 1975 came as a stopper, and then President Ziaur Rahman’s SAARC (South Asian Association of Regional Cooperation) concept almost jeopardized the plan. That speaks why India never allowed SAARC to take off. At the same time, coercive pressure on a defiant neighbor continued in the stoppage of waters downstream on common rivers, strangling it by wire fencing, illegally occupying South Talpatti island, denying free access to sea by claiming maritime boundary in the Bay of Bengal, aiding the miscreants in the tribal areas, just to name a few. Additionally, RAW (Research and Analysis Wing, the intelligence agency of India) continued its overt and covert operations, thanks to its Bangladeshi agents. High profile national betrayers showed up soon and India grabbed the opportunity to force its scheme.

The First Phase of the rejuvenated plan started during the Caretaker administration of Moeen-Fakhruddin that installed India’s favorite—some say, puppet–Awami League in the government in January 2009.

The Second Phase witnessed the weakening of Bangladesh’s security forces, starting with the massacre of 57 brilliant army officers on February 25/26, 2009 at BDR Headquarters, followed by a systematic cleansing of the military of those elements that did not tow the Awami (or Indian) line. The process of such cleansing continued in the bureaucracy, police, judiciary, educational institutions and other fields. Reportedly, Bangladesh now has Indian commandos and security personnel, ostensibly to ‘protect’ its prime minister and her family members. It is also learnt that many of the country’s thriving garment industries have passed hands to Indians or NRIs (Non-Resident Indians). Many of Bangladesh’s private clinics have Indian nurses and technicians working there.

After the grounds have been prepared with the completion of the second phase, India threw in the Billion Dollar bait to Bangladesh. Its protégé, the Hasina administration, has but to swallow, for providing “Connectivity” to India. According to Foreign Minister Dipu Moni,

We are transforming Bangladesh as a regional hub and when the entire region (in effect Bangladesh and the India’s Seven Sisters) will be brought under the connectivity, India will have access to its northeastern states, unfettered movement of people and goods will be taking place.”

One may ask Dr. Moni how she theorized that Bangladesh would become a regional hub by providing connectivity to Indian states alone (Nepal and Bhutan hardly count in this connectivity). During and after completion of these projects, there will surely be sailab (flood) of Indian goods, Indian machineries, Indian professionals and technicians, Indian workers and Indian businesspersons—and perhaps Indian security forces in open or in guise–everywhere in Bangladesh. Sooner, Bangladeshis may even be talking in Hindi, as do the Nepalese and Bhutanese!

Once the Connectivity is complete, the actual drama—the Fourth Phase–will come to play. It will see the never-ending stream of Indian traffic that will perhaps toss out at passing a few doles at the humbling baskets to make Bangladesh “rich overnight” as its current leadership promises to its dismayed people. The connectivity is not likely to confine to road traffic alone, it will surely infiltrate its activities in other spheres aimed at gradual integration of Bangladesh with India. The freedom fighters, as well as the Shaheed ones from heaven, will then keep asking in disgust and shame: Is it what we gave our blood for in 1971?

If the Awami government were to continue, the Fourth Phase leading to total absorption of Bangladesh within the Indian scheme would not be far away.

Is it not yet time for the Bangladeshis to wake up and demonstrate that they did not fight the Pakistanis in 1971 for nothing, and they can fight again for the sovereignty and integrity of their dear country and people, if need be?

A Obaid Chowdhury
NY, USA
Orginally Posted on August 12, 2010

Source :

%d bloggers like this: