• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 321,396 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

দেশ ও ইসলাম বিরোধী প্রচারণায় বাংলাদেশী সিনেমা ‘ব্ল্যাক’

মুহাম্মদ আমিনুল হক

বিতর্কিত লেখক ও সাংবাদিক সালাউদ্দীন শোয়েব চৌধুরী দেশ ও ইসলাম বিরোধী প্রচারণায় এবার তৈরী করছেন ব্ল্যাক (Black) নামে একটি সিনেমা। যার মাধ্যমে তিনি শরীয়া আইন, জিহাদ, বোরখা, পাথর ছুঁড়ে মারা, বহু বিবাহ, বাল্য বিবাহ ও শিরচ্ছেদের প্রসঙ্গ টেনে ইসলামের বিরুদ্ধে দেশ বিদেশে জনমত তৈরী করতে চাচ্ছেন। ব্ল্যাক সিনেমার প্রতিপাদ্য বিষয় নিয়ে কথা বলার আগে এ ছবির নির্মাতা সম্পর্কে কিছু তথ্য জাতিকে জানানোর প্রয়োজন বোধ করছি।

https://i1.wp.com/www.ishr.org/uploads/RTEmagicC_Bangladesch-Shoaib_Choudhury-durdesh.net.jpg.jpg

বিতর্কিত লেখক ও সাংবাদিক সালাউদ্দীন শোয়েব চৌধুরী দেশ ও ইসলাম বিরোধী প্রচারণায় এবার তৈরী করছেন ব্ল্যাক (Black) নামে একটি সিনেমা

https://i0.wp.com/www.weeklyblitz.net/images/logo.gif

''Weekly Blitz' এর মাধ্যমেই সালাউদ্দীন শোয়েব চৌধুরী তার ইসলাম বিদ্বেষী মনোভাব প্রকাশ করতে থাকেন

https://i2.wp.com/www.follow-islam.com/wp-content/uploads/2011/07/Jihad-In-Islam3.jpg

বিশেষকরে ইসলামের অন্যতম বিধান জিহাদের বিরুদ্ধে বিষোদগারমূলক বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে সালাউদ্দীন শোয়েব চৌধুরীর সাপ্তাহিক পত্রিকাটি মানুষের কাছে ইসলাম বিরোধী পত্রিকা (Anti-Islamic Newspaper) হিসেবে পরিচিতি পায়

‘Weekly Blitz’ পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে সালাউদ্দীন শোয়েব চৌধুরী বেশ পরিচিত। ”Weekly Blitz’ এর মাধ্যমেই তিনি তার ইসলাম বিদ্বেষী মনোভাব প্রকাশ করতে থাকেন। ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ের বিরুদ্ধে তার লেখনীতে কখনো ছেদ পড়েনি। বিশেষকরে ইসলামের অন্যতম বিধান জিহাদের বিরুদ্ধে বিষোদগারমূলক বিভিন্ন লেখার মাধ্যমে তার সাপ্তাহিক পত্রিকাটি মানুষের কাছে ইসলাম বিরোধী পত্রিকা (Anti-Islamic Newspaper) হিসেবে পরিচিতি পায়।

তিনি ১৯৮৯ সনে সাংবাদিকতা শুরু করেন সোভিয়েট ইউনিয়নের ’তাস’ (TASS) নিউজ এজেন্সিতে। ১৯৯১ সনে তিনি ইটার তাস (Iter-Tass) নিউজ এজেন্সির বাংলাদেশ শাখার প্রধান সংবাদদাতা হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন। সোভিয়েট ইউনিয়নের পতনের পর বিভিন্ন দেশে ইটার তাসের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে তিনি ১৯৯৬ সনে ওখান থেকে চাকুরী ছেড়ে বাংলাদেশে প্রথম প্রাইভেট টিভি চ্যানেল ২১শে টিভি প্রতিষ্ঠা করেন। তখনকার সময়ে একুশে টিভিও ইসলাম বিরোধী টিভি হিসেবে পরিচিতি পায়। বাংলা ও ইংরেজীতে তার কয়েকটি বই প্রকাশিত হয়েছে। তার মধ্যে ২০০৭ সালে প্রকাশিত হওয়া একটি বইয়ের শিরোণাম হচ্ছে- “Injustice & Jihad” (অবিচার এবং জিহাদ)। বইয়ের নাম দিয়েই অনুধাবন করা যায় ইসলাম নিয়ে তার কত জ্বালাপোড়া! বইটি ২০০৮ সালে Non Sono Colpevole নামে ইতালিয়ান ভাষায়ও প্রকাশিত হয়। ২০০৯ সনে Inside Madrassa (মাদরাসার অভ্যন্তরে) নামক বইটি প্রকাশিত হয়। উক্ত বইয়ের মাধ্যমে তিনি মাদরাসার বিরুদ্ধে বিভিন্নভাবে বিষোদগার করেন।

তিনি বাংলাদেশে ইসরাইল ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সাহিত্য ফোরাম গঠন করেন। বাংলাদেশে আল-কায়েদা সংগঠনের বিস্তার সম্পর্কে তিনি অনেক আজগুবি লেখাও উপহার দেন। তার লেখনীতে বিভিন্ন মুসলিম দেশে ইসরাইল বিরোধীদের মনোভাব সম্পর্কেও তথ্য উঠে আসে। ইসলাম বিদ্বেষী এই বাম সাংবাদিকের আসল বন্ধু হচ্ছে- ইসরাইল ও তার দোসররা। এদেশে চৌধুরী সাহেব নিন্দিত হলেও ইসলাম বিরোধী শক্তি তাকে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং দিচ্ছে। ২০০৫ সনে PEN USA তাকে মুক্ত লেখনীর জন্য পুরুস্কৃত করে। ২০০৬ সনের মে মাসে American Jewish Committee তাকে পুরুস্কৃত করতে চাইলে তৎকালীন সরকার তাকে যুক্তরাষ্ট্র যেতে বাধা প্রদান করে। ২০০৭ সনে তাকে Prince Albert of Monaco এওয়ার্ড প্রদান করা হয়।

https://i0.wp.com/www.darkgovernment.com/news/wp-content/uploads/2009/02/mossad-seal.jpg

ইসরাইলের একান্ত দোসর শোয়েব চৌধুরীকে ইসরাইল-মোসাদ কানেকশন ও দেশ বিরোধী তৎপরতার দায়ে ২৯ নভেম্বর ২০০৩ সনে তৎকালীন জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর (বর্তমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর) থেকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি ১ ডিসেম্বর ২০০৩ তেলআবিবে অনুষ্ঠিতব্য এক কনফারেন্সে যোগদানের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করার চেষ্টা করছিলেন। বিমান বন্দরে ইমিগ্রেশন পুলিশ তার লাগেজে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ তথ্য সম্বলিত অনেক ডকুমেন্ট ও সিডি উদ্ধার করে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার ও আল-কায়েদার নেটওয়ার্ক সম্পর্কিত নানান ভৌতিক তথ্যও ছিল তাতে। তার গ্রেফতার সম্পর্কিত খবর পরের দিন ইংরেজী পত্রিকা Daily Star পত্রিকায় ফলাও করে ছাপা হয়।

Man with ‘Mosad links’ held at ZIA শিরোনামের খবরে বলা হয় :

A man was arrested at Zia International Airport yesterday morning on his way to Tel Aviv for his alleged Mossad connection. A leader of Bangladesh chapter of ‘Iflaq’, a Haifa-based organisation, Salauddin Shoib Chowdhury was carrying compact discs (CD‘s) and papers containing write-ups on some sensitive issues including ‘minority repression and the al Qaeda network in Bangladesh’, police said. Shoaib was managing director of the planned Inquilab Television until he was sacked last year…….

এরপর চৌধুরী সাহেব একাধারে ১৭ মাস জেল খাটেন। চৌধুরী সাহেব কিছুদিন ইনকিলাব পত্রিকার সাংবাদিক হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি ইনকিলাব টিভি প্রতিষ্ঠা করার জন্যও কাজ করেছেন। তিনি ইনকিলাব টিভির এম.ডি হিসেবে নিযুক্ত হন। ইনকিলাব টিভিতে তার প্রায় এক মিলিয়ন টাকার মোট ৩০% শেয়ার ছিল বলে দাবী করেন। ইনকিলাব পত্রিকা যখন জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তির পক্ষে কাজ করছিল, ঠিক সেই মুহূর্তেও ইনকিলাব টিভির সর্বোচ্চ পদে ঘাপটি মেরে ছিল দেশ ও জাতির শত্রু এবং ইসরাইলের এ চর! এ ঘটনা থেকে কি বি.এন.পি. ও ইসলামী সংগঠন বা প্রতিষ্ঠানগুলো কোনো শিক্ষা নেবে?

https://i2.wp.com/www.dailyinqilab.com/images/name.gif

১৯৬৫ সনে সিলেটে জন্ম নেয়া এ নরাধম, পাপিষ্ট, দেশদ্রোহী ও তার সাঙ্গপাঙ্গরা এখনও নির্বিঘ্নে তাদের কলুষিত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এবার তারা তৈরী করতে যাচ্ছে ব্ল্যাক (Black) নামে একটি সিরিজ সিনেমা। যা তার ভাষ্যমতে, এ বছরের এপ্রিল মাসে (১৪১৮ বাংলা নববর্ষে) পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পেয়েছে। যার মূল লক্ষ্য হচ্ছে ইসলামকে বিশ্ববাসীর কাছে বিকৃতভাবে তুলে ধরা। বাংলা ভাষায় সিনেমাটি নির্মাণ করা হলেও ইংরেজী, হিন্দি, উর্দূ ও ফ্রেন্স ভাষায় এর সাব টাইটেল লিখে আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড়া হয়েছে। ছবিতে নায়িকা হিসেবে কাজ করেছেন মডেল কন্যা শতাব্দি।

https://i1.wp.com/www.washingtonbanglaradio.com/images03/bengali-actress-shatabdi.jpg

ব্ল্যাক ছবিতে নায়িকা হিসেবে কাজ করেছেন মডেল কন্যা শতাব্দি

ছবিটি নিয়ে নায়িকা শতাব্দি বলেন:

“ছবির স্ক্রিপ্টে খুবই ভালো লেগেছে আমাকে। শোয়েব চৌধুরী ও তার দলের মত আন্তর্জাতিক মানের টিমের সাথে কাজ করতে পারা আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের”।

ছবিতে গান গেয়েছেন সংগীত শিল্পী রুনা লায়লা, আগুন, এস.আই টুটুল, অনিমা ডি কস্তা ও ফকির শাহাবুদ্দিন।

কী আছে এই সিনেমায়?

শান্তিগ্রাম বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের একটি গ্রাম। পয়ত্রিশ বছর আগে এখানে বিভিন্ন ধর্ম-বর্ণের লোকজন বেশ শান্তিতে বসবাস করত। কিন্তু কয়েক দশক থেকে পুরো গ্রামে ইসলাম পন্থীদের ইসলামী কর্মকান্ড ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। মসজিদ মাদরাসার হুজুরদের প্রভাব দিন দিন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এরা নিজেরাই শরীয়া আইন চালু করে জনগণের জীবন যাত্রা বিভীষিকাময় করে তুলেছে। মোল্লারা গ্রামের পুরুষদের একাধিক বিবাহে উৎসাহ দিচ্ছে। এভাবে একাধিক স্ত্রী যাদের আছে তারা সেইসব স্ত্রীদের সাথে দাসীর মতো আচরণ করছে এবং সেই একাধিক স্ত্রীদের কৃষিকাজসহ নানা কাজে লাগাচ্ছে। কিন্তু যখন কোন মহিলা অসুস্থ হচ্ছে, তখন তাকে হাসপাতাল বা ডাক্তারের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না এই অজুহাতে যে হাসপাতালগুলো শয়তানের আড্ডাখানা যেখানে নারী-পুরুষ পর্দা ছাড়াই অবাধে মেলামেশা করে। গ্রামে মোল্লা ও মাতব্বরদের সমন্বয়ে শরীয়া কমিটি করে দোররা মারাসহ বিভিন্ন শারীরিক শাস্তির ব্যবস্থা করা হচ্ছে নিয়মিত। এই গ্রামেই বাস করে কিছু বাউল সম্প্রদায়ের লোক। এরা মূলত: হিন্দু ও সূফী মুসলিম গোত্রের মানুষ। বাউলরা ধর্মের সম্প্রীতির বাণী শুনাতো। গ্রামের উগ্র ইসলামপন্থীদের প্রভাবে তাদের জীবনেও নেমে আসে বিভীষিকা। মোল্লারা তাদের আল্টিমেটাম দেয়, হয় মুসলিম হও না হয় এই এলাকা ত্যাগ কর। এদিকে গ্রামে ইসলামী এনজিওদের প্রভাব দিন দিন বৃদ্ধি পায়। তারা হিন্দু, খৃষ্টান, বৌদ্ধসহ অন্যান্য অমুসলিমদের ইসলাম গ্রহণের জন্য আর্থিক প্রলোভন দেয়, ঋণ দেয়। তাতে কাজ না হলে ইসলাম গ্রহণ করতে চাপ দেয়। এতেও কাজ না হলে ঐসব অমুসলিম পরিবারের যুবক-যুবতীদের অপহরণ করে জোরপূর্বক ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করে। এভাবে একদিন দেখা যায় যে, গ্রামটি অমুসলিমশূন্য হয়ে গেল। ব্ল্যাক সিনেমায় দেখানো হচ্ছে কিভাবে জোরপূর্বক চাপিয়ে দেয়া শরীয়া আইন মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলছে সাথে সাথে সংখ্যালঘু অমুসলিম সম্প্রদায়কে নির্মূল করছে।

https://i2.wp.com/www.weeklyblitz.net/pics/1170.jpg

শোয়েব চৌধুরীর এই সিরিজ সিনেমাটি যে দেশ ও ইসলাম বিরোধী ভয়ানক প্রোপাগান্ডার অংশ, এতে কোন সন্দেহ নেই। বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ ও মুসলিম জনগোষ্ঠিকে হেয় করার জন্য এই জঘন্য ঘৃণ্য প্রচেষ্টা। ইসলাম সম্পর্কে যার বিন্দুমাত্র একাডেমিক জ্ঞান নেই তার দ্বারা ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ বিধান নিয়ে সিনেমা নির্মাণ করা কূপমণ্ডুকতার শামিল। তিনি ডাহা মিথ্যা কথা দিয়ে এ সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন। যে সমস্ত তথ্য এ সিনেমাটিতে দেয়া হয়েছে তার সাথে বাস্তবতার কোন মিল নেই।

গত ১২ জানুয়ারী ওয়াশিংটন বাংলা রেডিওতে শোয়েব চৌধুরী তার নির্মিতব্য ব্ল্যাক সিনেমা নিয়ে যে খোলামেলা সাক্ষাৎকার দেন তাও মিথ্যা দিয়ে ভরা। তিনি বলেন,

“A secular government came to power in the year 2008 but things really didn’t change much at Bangladesh. Every year almost sixteen thousand Hindu Women in Bangladesh are kidnapped and converted to Islam forcefully. The numbers have not changed in the year 2011 also”.

অর্থাৎ-

“২০০৮ সনে বাংলাদেশে সেক্যুলার সরকার ক্ষমতায় এলেও বাংলাদেশের অধিকাংশ অবস্থার বাস্তবিক কোন পরিবর্তন আসেনি। বাংলাদেশে প্রত্যেক বছর প্রায় ১৬ হাজার হিন্দু মহিলা অপহৃত হয় এবং তারা বাধ্য হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে। ২০১১ তে এসেও এই সংখ্যা কমেনি মোটেও”।

এর চেয়ে জঘন্য মিথ্যাচার আর কি হতে পারে! সেক্যুলার সরকার ক্ষমতায় আসার পরে পরিবর্তনের নামে ইসলাম ধ্বংসের মহোৎসবকে আড়াল করা কিংবা এর মাত্রা আরও বৃদ্ধির জন্যই কি তার এ আয়োজন? শোয়েব চৌধুরী কি নির্দিষ্ট করে ঐ প্রত্যেক বছর অপহৃত হওয়া এবং বাধ্য হয়ে মুসলিম হয়ে যাওয়া হিন্দু মহিলার নাম বলতে পারবেন? তারা কোন গ্রামের এবং কোন বাপের সন্তান তার তথ্য কি চৌধুরীর কাছে আছে? বিশ্ব বিখ্যাত পপশিল্পী ক্যাট স্টিভেন (ইউসুফ ইসলাম), টনি ব্লেয়ারের শ্যালিকা লরা বুথসহ উন্নত বিশ্বের লাখো লাখো অমুসলিমকে কোন বাংলাদেশী মুসলিমরা ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করছে?

তিনি এরকম আজগুবি আরো অনেক কথা বলেছেন। তিনি বলেন:

The oppression of the religious minorities at Bangladesh continues unabated. There were many incidents of attacks on the Hindu mandirs during the Durga puja, this year. None were reported and the governments at Bangladesh is least bothered to take up the causes for minorities.

তিনি সাক্ষাৎকারে আশা প্রকাশ করে বলেন:

The purpose of making the film is not at all commercial but to make people aware of what happens with the woman; once she is abducted and converted. The girl’s family is not aware of what the girl goes through after kidnapping. The film tries to answer this and in the process make people aware of the evil of this practice and the suffering of humanity.

শয়তানের ভালো কথার মধ্যে যেরকম শয়তানীতে ভরপুর থাকে; কল্যাণের কিছু থাকে না, তেমনি শোয়েব চৌধুরীও তার দোসরদের নিয়ে বাংলাদেশ ও এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ধর্ম নিয়ে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে। ধর্মদ্রোহী এই কুলাঙ্গারের চোখের সামনে শত শত মানবতা বিরোধী কর্মকান্ড হলেও তা তার চোখকে স্পর্শ করে না। ভারতে মুসলিম জনগোষ্ঠী যে অবর্ণনীয় দু:খ-কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করছে তা নিয়ে তিনি কি কোনদিন ভেবেছেন? সভ্যতার এই চরম উৎকর্ষের যুগে গুজরাটে কয়েক হাজার মুসলিমকে পুড়িয়ে মারলেও চৌধুরীদের রক্ত পিপাসা মেটে না, উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে বাংলাদেশকে আরেক গুজরাট বানাতে চান। বাবরী মসজিদ ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়াকে অসাম্প্রদায়িক(?) চৌধুরী সাহেব কী বলবেন? কাশ্মীর, আফগানিস্তান, ফিলিস্তিন, ইরাকে প্রতিদিন শতশত নর-নারী যে নির্মমতার শিকার হয় তা কি এই বিকৃত মস্তিস্কওয়ালা বিপথগামী সাংবাদিককে কখনো ব্যাথিত করে? জারজ রাষ্ট্র ইসরাইল যখন ফিলিস্তিনী নাগরিকদেরকে নির্বিচারে হত্যা করে, নারীদের ধর্ষণ করে, শান্তির জনপদকে অশান্ত করে, অবরোধ করে ও মানুষের বেঁচে থাকার অধিকার নষ্ট করে তখন তা নিয়ে চৌধুরী সাহেব সিনেমা তৈরী করেন না কেন? বসনিয়া, কসোভোর কসাইদের নিয়ে তার কেন মাথা ব্যথা নেই? ইসলামবিরোধীচক্র বিশেষত ইসরাইলের পালকপুত্রের কাছে ওগুলো কোন অন্যায় নয়। ওগুলোর বিরুদ্ধে বললেতো আর প্রভূদের থেকে ভিক্ষা পাওয়া যাবে না!

বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চলে কারা উপজাতীয়দের খ্রীষ্টান বানায় তা সবাই জানে। শুধু তাই নয় অনেক এনজিওর বিরুদ্ধে সারা বাংলাদেশে মুসলমান বালক-বালিকাদেরকে ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ আছে। স্কুলে বালক-বালিকাদের চোখ বন্ধ করে চকলেট দিয়ে আবার চোখ খোলার পরে জিজ্ঞেস করা হয় কে এই চকলেট দিল? সবাই যখন উত্তর দেয় ম্যাডাম দিয়েছে; তখন তাদেরকে চোখ বুজে আল্লাহর কাছে চকলেট চাইতে বলা হয় এবং চকলেট না পাওয়া গেলে বলা হয় আল্লাহ বলতে কিছু নেই। কিন্তু এসব দৃশ্যকে এড়িয়ে গিয়ে ইসলামী এনজিওর বিরুদ্ধে সর্বৈব মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে যে সিনেমা বানানো হলো তা এ দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে বিনষ্ট করবে। বিশ্বের কাছে বাংলাদেশ সম্পর্কে ভুল ম্যাসেজ যাবে। ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলসহ অন্যরাষ্ট্রগুলো আমাদের উপর ক্ষিপ্ত হবে। চৌধুরী সাহেব জিহাদের কি বোঝেন? জিহাদ মানে যুদ্ধ ও হত্যা নয়। জিহাদ অর্থ হচ্ছে- জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত মুসলিমকে ইসলামের উপর টিকে থাকার চেষ্টা করা। নফস, শয়তান ও তাগুতের বিপক্ষে সত্যের পক্ষে অটল থাকার প্রাণান্তকর প্রচেষ্টার নাম জিহাদ। জিহাদ হচ্ছে- ব্যক্তি, পরিবার ও রাষ্ট্রিয় পর্যায়ে ইসলামকে প্রতিষ্ঠিত করার জন্য জান মাল ও সবকিছু দিয়ে একান্ত চেষ্টা করা। হিজাব নারীর অলংকার। এটি নারীকে শোয়েব চৌধুরীর মত শয়তানদের কু-দৃষ্টি থেকে রক্ষা করে। হিজাব কখনো নারীর কোন অধিকারকে ক্ষুন্ন করে না। তবে হ্যাঁ হিজাব চৌধুরী সাহেবদের মতো ভোগবাদীদের লাম্পট্যকে বাধাগ্রস্থ করে।

ইসলাম পুরুষের চরিত্রকে পবিত্র রাখার জন্য বিবাহের ব্যবস্থা করেছে। প্রয়োজন হলে শর্ত সাপেক্ষে একসাথে চারটি বিয়ের অনুমতিও দেয়া হয়েছে। তবে ইসলামের শর্ত মেনে একসাথে চারজন স্ত্রী ঘরে রাখা মোটামুটি অসম্ভব। শোয়েব চৌধুরী মূলত: বহু বিবাহের নামে ইসলামের বিবাহ নামক পবিত্র প্রথাকে বিলোপ করার চেষ্টা করছেন। ঘরে বৈধ বৌ থাকলে যে অবাধে নাইট ক্লাবে গমন, বহু নারীর সংস্পর্শ পাওয়া খুব কঠিন তা তিনি ভালো করে জানেন বিধায় বিবাহ উচ্ছেদের এই পরিকল্পনা। তার আরেক দোস্ত তসলিমা নাসরিন তার এক বইতে চৌধুরীর মতো বাবার বয়সী প্রগতিশীল পুরুষদের মহৎ(?) চরিত্রের বয়ান লিখে হৈ চৈ ফেলে দিয়েছিলেন। বাংলা সাহিত্যের আরেক দিকপাল তার মেয়ের বান্ধবীর সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হয়ে সকল লাজ লজ্জা ফেলে বিয়েই করে ফেললেন। আরেক বিখ্যাত বৃদ্ধ কবির (এখন মরহুম) কাছে নাকি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীরা রাত যাপন করার আবদার করতেন এবং তা তিনি ফেলতে পারতেন না তার মহত্বের গুণে। শোয়েব চৌধুরী কি বলতে পারবেন বাংলাদেশের কোন কোন মোল্লা একাধিক স্ত্রী রেখে তাদেরকে দিয়ে কৃষি কাজ করান? কোন মোল্লার বউ চিকিৎসার অভাবে ঘরে বসে মারা গেছেন? অবশ্য অভাবগ্রস্থ সাধারণ বাংলাদেশীদের অনেকেই চিকিৎসার অভাবে মারা যেতে পারেন, সেটি কোন বিশেষ গেষ্ঠির জন্য নির্দিষ্ট নয়। তিনি যে কাল্পনিক শান্তিগ্রামের কথা বলেছেন সে রকম কি কোন বাস্তবিক গ্রামের অস্তিত্ব এদেশে আছে?

বাংলাদেশে আবহমান কাল ধরে হিন্দু, খ্রীষ্টান, উপজাতি ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের সাথে মুসলমানদের যে সদ্ভাব বিদ্যমান আছে তার নজির বিশ্বের কোথাও নেই। এদেশে উপজাতির জন্য সরকারীভাবে কোটা পদ্ধতি চালু আছে। হিন্দুরা এদেশে মন্ত্রিত্ব করছে, এম.পি হচ্ছে। পুলিশ অফিসার, ডিসি, এসপিসহ বিভিন্ন অফিস আদালতে হিন্দুদের উপস্থিতি কম নয়। বরং কখনো কখনো তাদের ভাব দেখলে মনে হয় না তারা এদেশে সংখ্যালঘু। তারপরও শোয়েব চৌধুরীর হিন্দুদের নিয়ে যে এত উদ্বেগ তার পিছনে রহস্য কি? তিনি শুধু সংখ্যালঘু নির্যাতনের কথা বলে সংখ্যাগুরু নির্যাতনের বিষয়টিও এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। মিশর, তিওনিসিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যুগের পর যুগ সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠি সেক্যুলার শক্তির দ্বারা নির্যাতিত হলেও ওদিকে তাকানোর সুযোগ চৌধুরীর নেই। সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম দেশ হলেও বাংলাদেশেও আজ কী ঘটছে? গুটিকয়েক নাস্তিক ও ইসলাম বিদ্বেষীদের ক্ষমতার দাপটে ইসলামী চেতনা, ইসলামী শিক্ষা, ইসলামী রাজনীতি ও ইসলামী সংগঠন আজ ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের বিশ্বাস ও চেতনার প্রতীক মাহমুদুর রহমানরা আজ বন্দীশালায় ধুকেধুকে মরছে, আর তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী সাংবাদিক তৌহিদী জনতার চোখে ধুলা দিয়ে বাংলাদেশে বসেই ইসলামের বিরুদ্ধে ছবি নির্মাণ করে তামাশা দেখছে! এরা মূলত সংখ্যালঘুর দোহাই তুলে সংখ্যাগরিষ্ঠকে নির্মূলের আয়োজন করছে। পরিসংখ্যান বলছে, যে এলাকায় মাদরাসা বেশী সেই এলাকায় শান্তি ও নিরাপত্তা বেশী। সে এলাকায় তুলনামূলকভাবে অপরাধ সংঘটিত কম হয়। সারাদেশে এত ইভটিজিং, নারী-ধর্ষণ, এসিড সন্ত্রাস ও নারী নির্যাতন কারা করছে? ঐসব ঘটনায় কয়জন মাদরাসার ছাত্র জড়িত? রেকর্ড বলছে মাদরাসার ছাত্ররা এসব কাজে জড়িত নেই বললেই চলে। তারপরও মাদরাসার বিরুদ্ধে এত বিষোদগার কেন? কারণও সবার জানা। হান্টিংটনের গবেষণায় আগামী শতাব্দীতে পাশ্চাত্যের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ইসলাম ও মুসলমান। অতএব বিভিন্ন ছলনায় এদেরকে নির্মূল করা চাই। বিশ্বব্যাপী মুসলিম নিধন করতে তথাকথিত মুসলিম সহযোদ্ধাদের বিকল্প নেই। শোয়েব চৌধুরীরাতো ঐ দলেরই গর্বিত সদস্য।

যাইহোক ব্ল্যাক ছবিতে শোয়েব চৌধুরী যে বিষয়গুলোর অবতারণা করেছেন তার সাথে বিচ্ছিন্ন দু একটি ঘটনা ছাড়া বাস্তবতার কোন মিল নেই। শুধুমাত্র বিকৃত মস্তিস্ক সম্পন্ন বিবেকহীন নির্বোধ দিয়েই এরকম বাস্তবতা বিবর্জিত দেশ ও ইসলাম বিরোধী ছবি নির্মাণ করা সম্ভব। গত ১লা বৈশাখ তিনি ছবিটি মুক্তি দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইসলামপ্রিয় জনতাকে তার এই হীন প্রচেষ্টাকে রুখে দিতে হবে। দেশ ও ইসলাম বিরোধী সকল অপতৎপরতাকে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিহত করতে হবে। বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ তারা যেন এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে ব্ল্যাক সিনেমাকে নিষিদ্ধ করে দেশ ও ইসলামের ভাবমূর্তি রক্ষায় এগিয়ে আসেন।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।

 

 http://www.sonarbangladesh.com/articles/MuhammadAminulHaque
 

সূত্রঃ

https://i0.wp.com/www.sonarbangladesh.com/images/sbheader_village_sun.jpg

 

নীতিহীন সংবাদপত্রঃ দেশ জাতি রাষ্ট্রের স্বার্থ উপেক্ষিত যেখানে

মুহাম্মদ আমিনুল হক

‘সংবাদপত্র রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ’, ‘সংবাদপত্র সমাজের দর্পণ’, ‘সংবাদপত্র গণতন্ত্রের অন্যতম হাতিয়ার’ এরকম অনেক কথাই দেশে দেশে প্রচলিত। এ কথাগুলি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে দেশ, জাতি, রাষ্ট্র ও গণতন্ত্রের কল্যাণে সংবাদপত্রের অনবদ্য ভূমিকার কারণে। সংবাদপত্রের কল্যাণে অনেক রাষ্ট্রের আমূল পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। স্বৈরতন্ত্র বিদায় করে পেয়েছে গণতন্ত্রের স্বাদ। জালিম সরকারের মসনদ প্রকম্পিত হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষিসহ সমাজের প্রায় প্রত্যেকটি খাতের উন্নয়নে অবদান রেখেছে এই সংবাদপত্র।

কিন্তু সময়ের আবর্তে সংবাদপত্রের ঐসব সোনালী ইতিহাস মুছে যেতে বসেছে এক শ্রেণীর নীতি বিবর্জিত, স্বার্থান্বেষী, নষ্ট সংবাদপত্রের কারণে। যাদের কাছে নীতি নৈতিকতার কোন মূল্য নেই। নেই দেশীয় স্বার্থের কোন মূল্য। ব্যক্তি, দল ও কোম্পানীর গোলামী করাই এদের মূল কাজে পরিণত হয়েছে। বর্তমানে বাংলাদেশের অধিকাংশ পত্র-পত্রিকা পড়ে কোন মানুষের পক্ষে সত্য তথ্য উদঘাটন করা প্রায় অসম্ভব। বিশ্বব্যাপী তথ্য সন্ত্রাসের ঢেউ বাংলাদেশী মিডিয়ায়ও লেগেছে দারুণভাবে। এখানে নিউজ হয় সিন্ডিকেটেড। নিজস্ব মতাদর্শের বাইরে অন্য মতাদর্শের পজিটিভ কোন নিউজ সেটা যত বড় হোক না কেন সাংবাদিকদের চোখে তা তো পড়েই না বরং তাদেরকে দেশ-জাতির কাছে ছোট করার সর্ব রকম প্রচেষ্টা থাকে প্রতিনিয়ত। তবে এরা নিজ মতাদর্শের ব্যাপারে একশত ভাগ কমিটেড। তাদের পন্থী একটি ইঁদুরেরও কিছু হলে তা নিয়ে তাদের মাতামাতির শেষ থাকে না। একটি নন ইস্যুকে ইস্যু বানানো আবার ইস্যুকে নন ইস্যু বানানো তাদের পক্ষে কোন ব্যাপারই না।

সংবাদপত্রের এই নীতিহীন পথচলার কারণে আমাদের জাতীয় স্বার্থ আজ হুমকির মূখে, সাম্রাজ্যবাদ আমাদের ঘাড়ে চেপে বসেছে, গণতন্ত্র বিদায়ের পথে ও অপশক্তিরা সবখানে তাদের আসন পাকাপোক্ত করছে। শুধু কি তাই? সংবাদপত্রের চরম আদর্শহীনতার কারণে খোদ সংবাদপত্র ও সাংবাদিকদের স্বার্থ পর্যন্ত থাকছে উপেক্ষিত। সংবাদপত্র জগতের এমন দেউলিয়াত্ব দেখে দেশপ্রেমিক হিসেবে চরমভাবে লজ্জিত ও শঙ্কিত হই। কেননা যেখানে সংবাদপত্রের এমন দূর্দশা হয়; যেখানে কেউ সত্য জানতে পারে না, সেখানে মানবতা ও গণতন্ত্রের নিশ্চিত মৃত্যু ঘটে। নিম্নের কয়েকটি বিষয়ে আমাদের সংবাদপত্রগুলোর অবস্থান বিশ্লেষণ করলে যে কোন বিবেকবান পুরুষ হতভম্ভ হবেন।

১৬ ই জুন সংবাদপত্রের কালো দিবসঃ

জানার কোন সাধ্য নেই: ১৬ ই জুন ফজরের নামাজ আদায় করেই প্রত্যেকদিনের মত ইন্টারনেটে পত্রিকা ঘাটতে শুরু করলাম। এই দিনটি সংবাদপত্র জগতের বিশেষ দিন হওয়াতে কোন পত্রিকা কিভাবে নিউজ করে সেটা দেখার মানসে খুব মনেযোগ সহকারে ইত্তেফাক, ইনকিলাব, প্রথম আলো, সমকাল, যুগান্তর, কালের কন্ঠ, সকালের খবর, সংগ্রাম, আমার দেশ ও নয়া দিগন্তসহ প্রায় সব জাতীয় পত্রিকা ঘাটাঘাটি করতে থাকলাম। সংবাদপত্রের কালো দিবসের সংবাদ তালাশ করতে গিয়ে অধিকাংশ পত্রিকায় এ সংক্রান্ত কোন নিউজ দেখতে পেলাম না। এতে খুব একটা বিরক্ত ও রাগান্বিত হইনি। কারণ দুটি। এক: পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে আমি আগ থেকেই ধরে নিয়েছিলাম যে, গণতন্ত্রের ফেরীওয়ালারা ও বর্তমান সরকারের চরম গোলামেরা এ সম্পর্কে মনের ভুলেও কোন খবর ছাপাবে না। দুই: তবে এতটুকু আত্মবিশ্বাস ছিল যে, অন্তত দু একটি পত্রিকা এ সম্পর্কে জাতিকে খবর না দিয়ে পারবে না; যারা দেশ, জাতি ও রাষ্ট্রের স্বার্থকে সবচেয়ে বেশী মূল্য দেয়। আমার অনুমান মিথ্যা হয়নি। ১৬ জুন সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে একমাত্র আমার দেশ পত্রিকা বিশেষ সংখ্যা বের করে এ সম্পর্কে আদ্যোপান্ত তথ্য জাতির সামনে উপস্থাপন করেছে। প্রথম পাতায় গুরুত্ব সহকারে খবর ছাপা হয়েছে। সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয়তেও বিষদভাবে লেখার চেষ্টা করা হয়েছে। নয়া দিগন্ত কোন বিশেষ আয়োজন না করলেও কালো দিবসের খবর, সম্পাদকীয় ও উপসম্পাদকীয়তে বিষয়টি তুলে ধরেছে।

https://i1.wp.com/www.amardeshonline.com/img/amardesh.png

https://i2.wp.com/www.dailynayadiganta.com/images/logo.gif

তবে বিস্মিত হয়েছি চটকদার চটকদার শ্লোগানওয়ালা প্রগতিশীল পত্রিকাগুলোর নির্লজ্জ নিশ্চুপতা দেখে। ১৯৭৫ সনের ১৬ ই জুন মাত্র চারটি পত্রিকা সরকারের বগলের তলায় রেখে বাকী সংবাদপত্রগুলোকে মুহূর্তেই কবর দেয়া হল; অসংখ্য সাংবাদিকের জীবনে নেমে আসল চরম অনিশ্চয়তা; গণতন্ত্রের প্রধান হাতিয়ারকে ধ্বংস করা হল অথচ এ সম্পর্কে নব প্রজন্মকে এতটুকু জানানোর কোন দায়বোধ তাদের মধ্যে জাগ্রত হল না। দল ও স্বার্থের কাছে যারা বিবেক বিক্রি করে তারা কিভাবে এ খবর জাতিকে জানাবে? এ তো লজ্জার খবর। এই খবর জানালে তো আওয়ামী লীগের বদনামী হয়ে যায়। এ কি করে সম্ভব? সবচেয়ে বেশী কষ্ট পেয়েছি ইত্তেফাকের অবস্থা দেখে। তৎকালীন সময়ে ইত্তেফাক পত্রিকার ওপর থেকেও কম ঝড় যায়নি; অথচ পত্রিকাটি এখন একদম চুপ। নিজ মতাদর্শের গোলামী এখন এমন পর্যায় পৌছে গেছে যে, পত্রিকার সাংবাদিকদের উপর আঘাত আসলেও তা নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশ করতে রাজি নয় সংশ্লিষ্ট পত্রিকাটি।

https://i1.wp.com/new.ittefaq.com.bd/addons/themes/ittefaq/img/logo.jpg

স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ করতে পারা গণতন্ত্রের সৌন্দর্য্য। পত্র-পত্রিকা হচ্ছে স্বাধীন মত প্রকাশের প্রধান মাধ্যম। সেই প্রধান মাধ্যমটির অস্তিত্ব বিলীন হলে তো গণতন্ত্র কল্পনা করা যাবে না। রক্ষা হবে না দেশীয় স্বার্থ। অতীব দু:খের বিষয় হচ্ছে- আমাদের সংবাদপত্রগুলো তাদের নিজ স্বার্থ রক্ষা করতে চান না। তারা জাতিকে অতীতের কঠিন ইতিহাস মনে করিয়ে বর্তমানেও যাতে এমন বিপদে পড়তে না হয় সে ব্যাপারে সতর্ক করতে চান না। তাদের এই হীন মানসিকতার কারণেই চ্যানেল ওয়ান বন্ধ করতে পেরেছে সরকার। যমুনা টেলিভিশনের পরীক্ষামূলক সম্প্রচারও বন্ধ হয়েছে। দৈনিক আমার দেশকে গলা টিপে হত্যা করার চেষ্টা হয়েছে। অসংখ্য সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

ভারতকে ভূমি হস্তান্তরের খবরঃ

পত্রিকায় খবর নেই: আমাদের বাংলাদেশে দেশ প্রেমিকের অভাব নেই। মিছিল মিটিং ও শ্লোগানে দেশ নিয়ে কত কথা। ‘এক ফোটা রক্ত থাকতে দেশের এক ইঞ্চি মাটিও অন্যকে দখল করতে দেব না’, ‘দেশের জন্য জীবন দেব‘, ‘দেশকে মায়ের মত ভালবাসি’ ইত্যাদি বাক্য শুনতে শুনতে তো আম জনতার কান ব্যথা হয়ে গেছে। কিন্তু বাস্তবতা উল্টা। দেশ নিয়ে ভাবেন এ রকম মানুষ খুবই কম। গত ২১ জুন দৈনিক আমার দেশনয়া দিগন্ত পত্রিকার প্রথম পাতায় যথাক্রমে “সিলেট সীমান্তে জনতার প্রতিরোধে এবার রক্ষা পেল ৫০ একর জমি” “জনতার প্রতিরোধ :

গোয়াইনঘাটে বাংলাদেশের ভূমি আবার ভারতের হাতে তুলে দেয়ার প্রক্রিয়া ভন্ডুল”। বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক জনগণকে না জানিয়ে গোপনে ভারতকে বাংলাদেশের জমি হস্তান্তরের খবর যেকোন বিচারে লিড নিউজ পাওয়ার দাবী রাখে। দেশের প্রতিটি ইঞ্চি জমি রক্ষার দায়িত্ব নিশ্চয়ই সরকারের। তাদের রয়েছে সেনা বাহিনী, রয়েছে বর্ডার গার্ড। সরকারের দায়িত্ব হীনতায় কিংবা তাদের মদদে যখন দেশের মাটি ভারত কেড়ে নিচ্ছেলো তখন দেশ প্রেমিক জনতার প্রতিরোধে তা ভন্ডুল হয়ে যায়। এ সময় উচিত ছিল আমাদের জাতীয় মাধ্যমগুলোতে এ সম্পর্কে লিড নিউজ করা। তাহলেই বোঝা যেত সংবাদপত্রগুলো দেশকে ভালবাসে, দেশ রক্ষায় তাদের কত আন্তরিকতা। কিন্তু বিস্ময়করভাবে প্রায় সকল জাতীয় পত্রিকায় এ সম্পর্কে কোন নিউজ দেয়া হয়নি। অথচ ঐ দিন ভারতীয় সেনা প্রধানের নিউজ সকল পত্রিকার প্রথম কিংবা শেষের পাতায় ছাপা হয়েছে। অর্থাৎ ভারতীয় সেনা প্রধানের খবর আমাদের জাতীয় স্বার্থের খবরের চেয়ে বড় হয়ে দাড়িয়েছে। যারা দেশ রক্ষার প্রহরী হিসেবে পরিচিত; সেই সংবাদপত্র যদি সরকারের দেশ বিরোধী গোপন তৎপরতা সম্পর্কে জনগনকে সজাগ করতে না পারেন তাহলে এরচেয়ে দূর্ভাগ্য আর কী হতে পারে?

https://i1.wp.com/www.bdinn.com/wp-content/uploads/2011/06/bangladeser-songay-bharo.jpg

https://i2.wp.com/29.media.tumblr.com/tumblr_ljrggiRgA61qelvyvo1_500.jpg

জাতীয় চেতনার প্রতীক নজরুল উপেক্ষিত আমাদের সংবাদপত্রে: কাজী নজরুল ইসলাম আমাদের জাতীয় কবি। কালজয়ী ক্ষণজন্মা এ মহাপুরুষ যেমনিভাবে তাঁর সাহিত্য দিয়ে আমাদের ধন্য করেছেন; তেমনিভাবে ধন্য করেছেন তাঁর দেশপ্রেম, সততা, মানবতাবোধ, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী চেতনা দিয়ে। তাঁর লেখনীতে দেশের কথা, গরিবের কথা, জালিমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহের কথা, মানুষের মনে সাহস যোগানোর কথা ও সাম্যের কথা ফুটে উঠেছে সাবলীলভাবে। কিন্তু আমাদের জাতীয় এ সম্পদ উপেক্ষিত এদেশের মিডিয়া জগতে। নজরুলকে নিয়ে ততটা মাতামাতি নেই যতটা আছে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে। আমাদের দেশে এ বছর রবীন্দ্রনাথকে নিয়ে যত মাতামাতি হয়েছে তার সিকিভাগও হয়নি তার নিজভূমে। রবীন্দ্রনাথের জন্মসার্ধশত বছর পূর্তি উপলক্ষে একটি জাতীয় দৈনিকের প্রথম পাতায় লিড নিউজের শিরোনাম ছিল ‘রবীন্দ্রময় দেশ’। নি:সন্দেহে কবি রবীন্দ্রনাথ বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সেরা কবি কিন্তু তাঁকে নিয়ে যে স্তুতি গাওয়া হয় তা কি বাড়াবাড়ির পর্যায়ে পড়ে না? বিশেষ করে জাতীয় কবিকে উপেক্ষা করে যখন এটা করা হয় তখন তো তা বেশ বেমানান লাগে বৈ কি? আমাদের গুণীজনকে আমরা যদি মূল্যায়ন না করতে পারি তাহলে অন্যরা করবে কিভাবে? কিন্তু আমাদের অধিকাংশ সংবাদমাধ্যম বিষয়টি ইচ্ছায় হোক আর অনিচ্ছায় হোক এড়িয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা দেশত্ববোধের পরিচয় দিয়েছে। পত্রিকাটি এ বছরের মে মাসের শেষ ১৫ দিন প্রথম পাতায় বাম পাশে এক কলাম জুড়ে ‘চির উন্নত মমশীর’ নামে ধারাবাহিকভাবে নজরুলের উপর বিজ্ঞজনদের লেখা ছাপিয়েছে। দৈনিক আমার দেশের সাহিত্য সাময়িকীতেও গুরুত্বের সাথে নজরুলকে তুলে ধরা হয়েছে। নজরুলকে তুলে ধরতে গিয়ে পত্রিকাটি রবীন্দ্রনাথকেও ভুলে যায়নি। যথাযথ মর্যাদায় তাঁর সম্পর্কে নিউজ কভার করেছে পত্রিকাটি।

দুটি বর্বরতাঃ

একটির খবর আসে আরেকটির খবর আসে না: দুটি জঘন্যতম বর্বরতার ঘটনা ঘটেছিল বাংলাদেশে। একটি হল- ২০০৪ সনের ২১ আগস্ট তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনার জনসভায় গ্রেনেড হামলার ঘটনা। আরেকটি হল- ২০০৬ সনের ২৮ অক্টোবর পল্টনে লগি বৈঠা দিয়ে প্রকাশ্যে জীবন্তমানুষ হত্যা করার ঘটনা। ২৮ অক্টোবরের ঘটনার সাথে আওয়ামী লীগ জড়িত বিধায় বাস্তব কারণেই বর্তমান সরকার এ বিষয়ে কোন বিচার-আচার করবে না, এটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে, যেখানে আইনের শাসন বলতে কিছু নেই সেখানে ঐ ঘটনার ন্যায় বিচার কল্পনা করা যায় না। কিন্তু পত্রিকাগুলো তো আর সরকার নয় কিংবা কোন পক্ষের নয়। তাদের কাজ সমাজের সকল ন্যায় অন্যায় মানুষের সামনে তুলে ধরা। মানবতার খাতিরে বিরোধী কেউ হলেও তাকে এড়িয়ে না চলা। তবে বাস্তবতা হচ্ছে, আমাদের জাতীয় পত্রিকাগুলো ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবরের ইতিহাসের সবচেয়ে বর্বরতম ঘটনাকে সম্পূর্ন এড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ তারও দু’বছর আগে ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের আরেক বর্বরতাকে নিয়ে পত্রিকাগুলোর বিস্তর লেখালেখি চলছে এখনো। এক গবেষণায় দেখা গেছে ২০১০ সনের ২৮ অক্টোবর দৈনিক আমার দেশ, নয়া দিগন্ত ও সংগ্রাম ছাড়া আর কোন জাতীয় পত্রিকা পল্টনের বর্বরতার কোন নিউজ করার সৎ সাহস দেখাতে পারেনি। অথচ আওয়ামী সরকারের ঘোর সমালোচক পত্রিকাসহ সকল পত্রিকা ২০০৪ সনের ২১ আগস্টের খবর গুরুত্বের সাথে ছাপিয়েছে। কোন কোন পত্রিকা একাধিক লিড নিউজ, কভার স্টোরি ও ফলোআপ রিপোর্ট করেছে। সংবাদপত্র নাকি সমাজের দর্পণ? সমাজের সকল সত্য ঘটনা তুলে ধরা নাকি সংবাদ পত্রের কাজ? তাহলে একটি ঘটনাকে হাই লাইট অন্য ঘটনাকে ডিম লাইট করার উদ্দেশ্য কী? মানবতাও কি বর্ণ, গোত্র ও দলের কাছে বন্দি হয়ে গেল? তাই যদি হয় তাহলে ‘অসংকোচ প্রকাশের দূরন্ত সাহস’, ‘আংশিক নয় পুরো সত্য’, ‘পনের কোটি মানুষের জন্য প্রতিদিন’ ‘Your right to know’ ইত্যাদি মিথ্যা শ্লোগানের আশ্রয় নেয়ার দরকার কি? জাতির সাথে এ ধরনের প্রতারণা আর কতদিন চলবে?

আমাদের জাতীয় পত্রিকাগুলোর নৈতিকতা নিয়ে এরকম অসংখ্য উদাহরণ দেয়া যাবে। সারাদেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র লীগ যে অস্ত্রবাজি, মারামারি, হত্যা ও লুট করছে তা ঐসব প্রগতীশীল পত্রিকার নজরে সন্ত্রাসী কিংবা জংগিবাদী কার্যক্রম হিসেবে পরিগণিত হয় না; কিন্তু ইসলামী সংগঠনগুলোর নিছক মিছিল মিটিংকে ঠিকই তারা সন্ত্রাসী কিংবা জঙ্গী কার্যক্রম হিসেবে পরিচিত করতে কুন্ঠাবোধ করে না। কয়েকদিন পর পর ঢাবি, চবি, জাবি, ইবি ও রাবিতে ছাত্রলীগের নিয়মিত অস্ত্রের ঝনঝনানি চলছে। সর্বশেষ রাবির এক হল থেকে ছাত্রলীগ কর্মীদের রুম তল্লাশি করে ব্যাপক অস্ত্র উদ্ধার হলেও এ নিয়ে মিডিয়ার চোখ প্রায় অন্ধ। গদ বাধা ও দায়সারা কিছু সংবাদ প্রকাশ করেই ক্ষ্যন্ত। অথচ এই একই মিডিয়া রাজশাহীতে ফারুক হত্যাকান্ডের পর একের পর এক আজগুবি ও মিথ্যা রিপোর্ট করে সরকারের মাথা খারাপ করে ফেলেছিল। সারাদেশে শুরু হয়েছিল শিবির নিধন কর্মসূচী। দৈনিক আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমানই কেবল ঝুঁকি নিয়ে মানবতার পক্ষে কলম ধরেছিলেন। তিনি ‘ওরা মানুষ নয় শিবির’ নামে একটি মন্তব্য প্রতিবেদন লিখে সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন।

সংবাদপত্রের এই দেউলিয়াত্ব দেখে আমরা দেশ প্রেমিক জনতা খুবই শঙ্কিত। কেননা যেখানে সরকারের কোন নীতি নৈতিকতা নেই, বিচার ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে, প্রশাসনের বেহাল দশা সেখানে যদি সংবাদপত্রও বিলীন হয়ে যায় তাহলে আমাদের সাগরের অতল গহবরে হারিয়ে যাওয়া ছাড়া কোন উপায় থাকবে না। সংবাদপত্র যদি সাম্রাজ্যবাদ, ফ্যাসিবাদ আর অগণতান্ত্রিক শক্তির সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করে তাহলে এদেশের স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, অর্থনৈতিক মুক্তি, ধর্মীয় ও সামাজিক অধিকার কখনো প্রতিষ্ঠিত হবে না এ কথা হলফ করে বলা যায়। আমরা তাই সকল সংবাদপত্রকে অনুরোধ করছি- আপনারা দেশ, জাতি ও রাষ্ট্রের কল্যাণে নিউজ করুন। সংখ্যা গরিষ্ঠ জনগনের পাশে দাঁড়ান। দলীয় গোড়ামীর উর্ধ্বে উঠে সকলের জন্য কাজ করুন। কোন অপশক্তি আপনাদের ক্ষতি পারবে না।

লেখক: সহকারী অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম।

http://www.sonarbangladesh.com/articles/MuhammadAminulHaque
 

সূত্রঃ

https://i0.wp.com/www.sonarbangladesh.com/images/sbheader_village_sun.jpg

 

বিজয়ের মাসে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে চলবে ভারতীয় ছবি

বিপুল হাসান
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

‘এ যে ভারি রঙ্গ যাদু, এ যে ভারি রঙ্গ’, রঙ্গ নয়তো কী ! বেছে বেছে বিজয়ের মাস ডিসেম্বরকেই বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ভারতীয় ছবি মুক্তি চুড়ান্ত করা হলো? একে তো স্যাটেলাইটের কল্যাণে বোকা বাক্সে অবাধে দেখানো হচ্ছে ভারতীয় ছবি। এবার ধুঁকতে থাকা চলচ্চিত্র শিল্পকে বিজাতীয় করার আকাঙ্খায় প্রেক্ষাগৃহে ভারতীয় ছবি প্রদর্শণের পাঁয়তারা, তাও মহান বিজয়ের মাস ডিসেম্বরেই।

সকল যুক্তি-আপত্তি তুচ্ছ করে চলতি বছরের জুলাইতে আইনের ফাঁক দিয়ে দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোতে প্রদর্শনের জন্য আমদানি করা হয় তিনটি ভারতীয় ছবি। ‘জোর’, ‘সংগ্রাম’ ও ‘বদলা’ নামের এ তিনটি ভারতীয় বাংলা ছবি বেশ কয়েকদিন আগে পেয়েছে সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র। নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন ডিসেম্বর থেকেই শুরু হচ্ছে ছবি তিনটি একে একে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এইসব ছবির আমদানীকারক ও এজেন্টরা ভারতীয় ছবিগুলো মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রেক্ষাগৃহ মালিকদের সঙ্গে এখন শেষ মুহূর্তের কথাবার্তা বলছেন। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও যশোরের অভিজাত কয়েকটি সিনেমা হলে আগামী ২৩ ডিসেম্বর ভারতীয় বাংলা ছবি ‘জোর’ মুক্তি দেওয়ার জন্য বুকিং দেওয়া হয়েছে।

ভারতীয় ছবি প্রদর্শণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আমদানীকারক ও পরিবেশকরা আরো ৯টি ভারতীয় ছবি আমদানীর প্রক্রিয়াও শুরু করে দিয়েছে। একই আইনের আওতায় অনাপত্তি পত্র পাওয়ার যোগ্য বলিউডের সুপারহিট ছবিগুলোর মধ্যে আছে দিলওয়ালা দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে, কুছ কুছ হোতা হ্যায়, কাভি খুশি কাভি গম, কাভি আল বিদা না কেহনা, মাই নেম ইজ খান, ওম শান্তি ওম, থ্রি ইডিয়টস ও দাবাং।

ভারতীয় ছবি আমদানী ও প্রদর্শনের ব্যাপারে শোনা যায়, নানা মুনির নানা মত। সেই প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে দেখে নেওয়া যাক, প্রায় ৩৯ বছর পর কোন প্রক্রিয়ায় ছবিগুলো দেশে এসেছে এবং প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

যেভাবে ভারতীয় ছবি আমদানী হলো

Flim

দেশীয় চলচ্চিত্রের স্বার্থ রক্ষায় স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে ভারতীয় ছবি প্রদর্শন নিষিদ্ধ ছিল। দীর্ঘদিন পর ২০১০ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সরকার ভারতীয় ছবি আমদানি ও প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের অনুমতি প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয়। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে ভারতীয ছবি প্রবেশের বিষয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আমদানি নীতিমালার বাধা নিষেধ তুলে নেয়। কিন্তু সরকারের এই সিদ্ধান্তের ব্যাপারে দেশীয় চলচ্চিত্রের পরিচালক-প্রযোজক ও শিল্পী-কলাকুশলীরা প্রবল আপত্তি জানান এবং আন্দোলন গড়ে তোলেন। চলচ্চিত্রশিল্পী, কলাকুশলী ও  নির্মাতাদের এই আপত্তির মুখে সরকার ভারতীয় ছবি আমদানির ওপর পুনরায় বিধিনিষেধ আরোপ করে।

সরকারের এই নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আমদানিকারক ও প্রদর্শকরা উচ্চ আদালতে রিট আবেদন জানান। আদালতের নির্দেশে উল্লেখিত সময় যেসব ছবি আমদানির জন্য ঋণপত্র (এলসি) খোলা হয়, সেসব ছবিকে তথ্য মন্ত্রণালয় অনাপত্তিপত্র দেয়। এই অনাপত্তিপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথম দফায় তিনটি ভারতীয় বাংলা ছবি আমদানী করা হয়। পরবর্তীতে ছবি তিনটি চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্র পাওয়ার পর এখন এগুলো মুক্তি দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আগেই ঋণপত্র খোলার অজুহাত দেখিয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে আরো ৯টি ভারতীয় ছবি আমদানীর।

চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টদের প্রতিক্রিয়া

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতি, পরিচালক সমিতি ও শিল্পী সমিতিসহ চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠন শুরু থেকেই ভারতীয় ছবি আমদানী ও প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের বিরোধিতা করে আসছে। বিশেষ করে প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির পক্ষ থেকে হুশিয়ারী জানানো হয়েছে, যেসব সিনেমা হলে ভারতীয় ছবি প্রদর্শন করবে তাদের কালো তালিকাভুক্ত করা হবে এবং পরবর্তীতে এসব সিনেমা হলে বাংলাদেশী ছবি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে।

ভারতীয় ছবি আমদানী ও প্রেক্ষাগৃহে প্রদশর্নের বিরুদ্ধে চলচ্চিত্র শিল্পী-কলাকুশলীদের নিয়ে গঠন করা হয়েছে চলচ্চিত্র ঐক্য পরিষদ। কিছুদিন আগে এই পরিষদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ‘প্রেক্ষাগৃহের মালিকেরা সবসময় সুবিধাভোগী। তাঁরা কখনোই লোকসান দেন না। একটি ছবির ব্যবসা খারাপ হলেও তাদের কোনো লোকসান দিতে হয় না। অথচ প্রযোজক লোকসান দিয়েও ছবি তৈরি করেন। সেখানে প্রদর্শকেরা দেশের স্বার্থ বিকিয়ে ভারতীয় চলচ্চিত্র আনতে চান।

পক্ষে-বিপক্ষে মন্তব্য

বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রর্দশনের জন্য ভারতীয় ছবি আমদানী প্রসঙ্গে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য-বিবৃতি দিয়েছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট অনেকেই। এসব আলোচনা-সমালোচনা থেকে নির্বাচিত কিছু উক্তি তুলে ধরা হলো।

‘বাংলাদেশের ছবির প্রযোজকরা বলেছেন, ভারতীয় ছবি বাংলাদেশে এলে বাংলাদেশের ছবির বারোটা বেজে যাবে। প্রতিযোগিতায় আমরা টিকতে পারব না। আইন করে আমাদের প্রতিযোগিতার বাইরে রাখতে হবে। স্বয়ং বঙ্গবন্ধুও আমাদের প্রটেকশন দিয়েছেন, ইত্যাদি। সারভাইভাল অফ দি ফিটেস্ট বলে যে কথাটি আছে আমাদের দেশে চিত্র নির্মাতা সেটা জানেন না। এই দেশের আইন হলো আনফিটকে সারভাইভ করার সুযোগ দেওয়া। এরচেয়ে হাস্যকর কিছু হতে পারে বলে আমি মনে করি না।’ –কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র-নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদ

‘ভারতীয় হিন্দি চলচ্চিত্র আমাদের দেশে আসা মানে, আমাদের নিজস্ব যে সংস্কৃতি আছে, সেটুকুও শেষ হয়ে যাওয়া।’ – নায়করাজ রাজ্জাক

‘পাকিস্তানে ভারতীয় ছবি প্রদর্শনের ফলে সে দেশের চলচ্চিত্রশিল্প রুগ্ন হয়ে গেছে। বাংলাদেশে ভারতীয় ছবি প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের সুযোগ দেয়া এ দেশের চলচ্চিত্রের অবস্থা হবে আরো করুণ। আমাদের চলচ্চিত্রশিল্পের অস্তিত্ব হবে হুমকির সম্মুখিন।’ – চলচ্চিত্র পরিচালক চাষী নজরুল ইসলাম

‘এদেশে বাংলা চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে ভিত্তিপ্রস্তর গড়ে এফডিসি নির্মাণ করেছিলেন, সেটাও আর থাকবে না।’ – নায়ক আলমগীর

‘দুই দেশের মধ্যে একটা বিনিময়চুক্তি হতে পারে, তার মধ্যে একটি হচ্ছে আমাদের দেশ থেকে তারা বাংলা ছবি নেবে, তবেই আমরা তাদের দেশ থেকে বাংলা ছবি আনতে পারি। হয়তো সেখানে বছরে কয়েকটি হিন্দি ভালো ছবি আসতে পারে। দুই দেশের মধ্যে চলচ্চিত্র বিনিময়ে অবশ্যই ভারসাম্য থাকতে হবে।’ – চলচ্চিত্রকার মোরশেদুল ইসলাম

‘সেন্সর পাওয়া ছবিগুলো প্রদর্শনে কোনো আইনগত বাধা নেই। শিগগিরই আমরা ভারতীয় ছবির প্রদর্শনী শুরু করতে পারব। বন্ধ হওয়া প্রেক্ষাগৃহগুলো আবারও চালু হবে।’ – চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি কেএমআর মঞ্জুর

‘সিনেমা হলের ট্যাক্স, বিদ্যুৎ খরচ, স্টাফদের বেতন এবং অন্যান্য খরচ হিসেব করলে এখন কোনোভাবেই সিনেমা হল মালিকরা ব্যবসা করতে পারছেন না। কালেভদ্রে দু’একটি সিনেমা ব্যবসা করলেও এতে সিনেমা হল বাঁচবে না। সিনেমা হলের পরিবেশ ঠিক করার জন্য নতুন করে সিনেমা হল মালিক লগ্নি করতে চান না। এমনিতে লোকসান, তারপর আবার লগ্নি? সরকার সিনেমা হলের ট্যাক্স কমালে হয়তো কিছুটা সমস্যার সমাধান হতো। কিন্তু সরকার ট্যাক্স কমানোর পক্ষে কোনো আশ্বাস দেয়নি। যে কারণে সিনেমা হলকে বাঁচাতে আমরা ভারতীয় ছবি আমদানি ও প্রদর্শনের পক্ষে।’
চলচ্চিত্র পরিবেশক সমিতির নেতা ও সিনেমা হল মালিক সফর আলী ভূঁইয়া

‘দেশের বেশিরভাগ সিনেমা হলের প্রজেক্টর মেশিন খারাপ। জোড়াতালি দিয়ে চালানো হচ্ছে। এতে করে প্রিন্টেরও ক্ষতি হচ্ছে। পর্দা পরিষ্কার করা হয় না বলে ছবি ঘোলা দেখা যায়। সাউন্ড সিস্টেমের কোনো উন্নতি হয়। সিনেমা হল মালিকরা কোনো রকমে দায়সারাভাবে সিনেমা প্রদর্শন করছেন। সাধারণ দর্শক না বুঝে আমাদের গালমন্দ করছে। একই সিনেমা আপনি পূরবী বা আনারকলিতে দেখে যদি মধুমিতা বা বলাকায় আবার দেখেন তাহলে পার্থক্যটি সহজেই বোঝা যাবে। পারিবারিক দর্শকদের সিনেমা হলে ফিরিয়ে আনতে সিনেমা হল মালিকদেরই কোনো উদ্যোগ নেই। শুধু সিনেমার মানের দোহাই দেয়া হচ্ছে!’  – পরিচালক ও পরিচালক সমিতির মহাসচিব এফ আই মানিক

অবস্থা পর্যবেক্ষণ

চলচ্চিত্র বিশেষজ্ঞ অনেকেই মনে করছেন, উল্লেখিত  ভারতীয় ছবিগুলো বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের বিষয়টি একধরণের পর্যবেক্ষণ হিসেবে গ্রহণ করেছে সংশ্লিষ্টরা। তারা দেখতে চাচ্ছে, ভারতীয় ছবিগুলো কীভাবে গ্রহণ করে বাংলাদেশের দর্শকেরা। যদি ছবিগুলো বাণিজ্যিক সাফল্যের মুখ দেখে, তবে আমদানিকারক আর পরিবেশকরা এটি নিয়মিত রাখতে গ্রহণ করবেন জোর পদক্ষেপ। নির্মাতা-পরিচালক- শিল্পী পরিবেশকরা মনে করছেন, বড় মাছ যেমন ছোট মাছ গিলে খায়, তেমনি ভারতীয় ছবিও প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শন করা হলে তা ধ্বংশ করে দিবে দেশীয় চলচ্চিত্রকে। কারণ বিনিয়োগ আর বাজার, দু দিক থেকেই ভারতীয় ছবির ধারে কাছে নেই আমাদের চলচ্চিত্র। এ এক অসম প্রতিযোগিতা।

টেস্ট কেস হিসেবে হলেও বিজয়ের মাসে কেনো প্রেক্ষাগৃহে ভারতীয় ছবি মুক্তি দেওয়া হচ্ছে? এই প্রশ্নটিই এখন জোড়ালো হয়ে ওঠেছে। একইভাবে যদি ভাষা আন্দোলনের মাস আগামী ফেব্রুয়ারিতে যদি প্রেক্ষাগৃহে হিন্দি ছবি মুক্তি দেওয়া হয়, তাহলে জাতীয় চেতনা বলে থাকলোটা কী!

সূত্রঃ  https://i1.wp.com/www.banglanews24.com/images/common/logo-bn.gif

“আবারও বাংলাদেশকে অবমাননা করা হল ভারতীয় মুভিতে”

https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc7/314425_201104246633428_172596859484167_481673_766497745_n.jpg

হ্যালো ডার্লিং এর পর হাম তুম শাবানা’য় বাংলাদেশকে অবমাননা করা হল।পূর্বে বাংলাদেশের আমাদের জাতীয় সঙ্গীত,জাতীয় পতাকা অবমাননার দৃশ্য আমরা দেখেছি। এবার আবার নতুন করে বাংলাদেশকে অবমাননা করল ভারত। বাংলাদেশকে যেভাবে অবমাননা করা হয়েছে—-
Hindi Movie Hello Darling Wallpapers photos, pictures, wallpapers

হ্যালো ডার্লিং` ছবিটিতে জঘন্যভাবে বাংলাদেশকে উপস্থাপন করা হয়েছে। `হ্যালো ডার্লিং` ছবিতে প্রধান তিন নারী চরিত্র সেলিনা জেটলি, দিব্বিয়া দও, গুল ফানাগ তাদের বস জাভেদ জাফরির কাছে বিভিন্নভাবে সেক্সুয়াল হ্যারেজমেন্টের শিকার হয়ে প্রতিবাদী হয়ে উঠে। সেলিনা জেটলি জাভেদ জাফরীর জন্য কফি বানাতে গিয়ে ভুলে র‌্যাট কিলার মিশিয়ে দেয়। চেয়ার থেকে পড়ে জাভেদ জাফরি জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। কিন্তু প্রধান তিন নারী চরিত্র হাসপাতালে গিয়ে অন্য একটি লাশকে জাভেদ জাফরি ভেবে মনে করে কফি খেয়ে জাভেদ জাফরির মৃত্য হয়েছে। তাই লাশটি তারা বের করে আনে হাসপাতাল থেকে। এই দৃশ্য মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করে জাভেদ জাফরি প্রধান তিন নারী চরিত্রকে ব্ল্যাকমেইল করে বিছানায় নিয়ে যাওয়ার প্ল্যান করে। ছবির শেষে এসে সব ফাঁস হয়ে যায় আগমন ঘটে কোম্পানির মালিক সানি দেওলের। তিনি জাভেদ জাফরির উদ্দেশ্যে বলেন,

‘আমাদের কোম্পানির একটি অফিস বাংলাদেশে আছে এবং ওখানে তোমার মত লম্পট, দুশ্চরিত্র বসের প্রয়োজন’।

এর মানে কি? ভারতে নারীদের যৌন হয়রানি না করে বাংলাদেশে চলে যাও ওখানে গিয়ে যা করবে তাই জায়েজ!

যে দেশের স্বাধীনতার সংগ্রামের সাথে ২ লাখ নারীর অত্যাচারিত হওয়ার ইতিহাস আছে, সেই দেশের নারীদের জন্য `হ্যালো ডার্লিং` ছবির জাভেদ জাফরির মত চরিত্র দিয়ে অত্যাচার করতে পাঠানোর ঘৃন্য মানসিকতার পাশাপাশি জাভেদ জাফরি এবং তানিয়া (জাভেদ জাফরির কুকর্মের সহযোগী) বাংলাদেশে ট্রান্সফারের কথা শুনে `বাংলাদেশ` শব্দটি এমন বিকৃত ভংগিতে উচ্চারণ করে যে বাংলাদেশ মানেই জাহান্নাম। চোখে মুখে চরম অবজ্ঞা ফুটিয়েও শেষে বাংলাদেশে আসতে রাজী হওয়ার পর `বাংলাদেশ` শব্দটি স্ক্রিনে ভেসে উঠে। এরপর বাংলাদেশের অফিসে বসে জাভেদ জাফরী নারীর প্রতি ইঙ্গিতমূলক আচরণ করে মন্তব্য করতে গিয়ে দেখে যে বাংলাদেশীর সাথে কথা বলছে সে আসলে সমকামী।

 


ভারতের হীন চরিত্রের বিবরণ আমি দিয়েছি। সুতরাং ভারতের মত দুঃশ্চরিত্র দেশের এই অবমাননায় আমাদের দেশের তেমন কিছু আসে যায় না। এটি তো সেই ভারত যার জাতীর পিতা গান্ধি-ই ছিল একজন চরিত্রহীন লোক যে কিনা নগ্ন হয়ে নগ্ন মেয়েদের সাথে শুয়ে থাকে। আর এই গান্ধির সর্ব শেষ উত্তরসূরি রাহুল গান্ধী তো বন্ধুদের নিয়ে গন-ধর্ষণে লিপ্ত থাকে। কিছুদিন পর সে নাকি প্রধানমন্ত্রীও হবে। আজ আমি এই নিউজের পরিবর্তে ভারতের হিন্ধুদের দ্বারা খ্রিষ্টান নানের(সন্যাসি) ধর্ষণের খবর দিতে গিয়ে এই খবর দিলাম।

https://i0.wp.com/media.washtimes.com/media/image/2011/03/30/20110330-182148-pic-203246048_s640x502.jpg

Mahatma Gandhi (মহাত্মা গান্ধি)

https://i2.wp.com/www.indybay.org/uploads/2007/01/29/rahul.pdf_600_.jpg

পড়ুন – Rahul Gandhi: Involved in Gang Rape

কিছুদিন আগে পত্রিকায় দেখলাম ভারতের দিল্লীতে সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘতে। এদের মত চরিত্র হিনদের কথায় আমাদের কি আসে যায়। কিন্তু খারাপ লাগে যখন শুনি এই দেশের মানুষ বাংলাদেশ অবমাননাকারী ভারতের অপসংস্কৃতি অন্ধের মত অনুসরণ করে। আর ভারতের প্রেমে তারা সর্বদা মগ্ন থাকে এবং এই নোংরা ভারতকে প্রভু মনে। এরাই মুলত আমাদের জাতীয় আত্ন-সম্মান নষ্ট করে।

সূত্রঃ

https://fbcdn-photos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/308234_172609552816231_172596859484167_387961_1940672334_a.jpg

তিনি সুফি নামধারী ভন্ডঃ ইসলামী সিপাহসালার সুফী মিজানের কান্ড-কীর্তি


নাসিরাবাদের বাসায় ভারতের শিল্পী মিতালী মুখার্জির সাথে হাস্যজ্জল ইসলামী সিপাহসালার সুফী মিজান।(হাতে তসবি)

বিশিষ্ট শিল্পপতি সুফী মিজান। সবাই কম বেশী চিনে। ছিল পূবালী ব্যাংকের ক্লার্ক। চাপাবাজি আর ধান্দাবাজির মাধ্যমে এখন সমাজের বিরাট ব্যবসায়ী। ইসলামের নামে দেশে যে কজন ভণ্ডামি আর ব্যবসা করে তার মধ্য এই লোক অন্যতম। দেশে ব্যবসায়িত অনেক আছে কিন্তু এ লোক অত্যন্ত ধুরন্ধর। এটিএনের মাহফুজকে ম্যানেজ করে ইসলামী পোগ্রামের নামে নিজের পরিচিতি বাড়ানোর কাজ করে। এরপর চট্টগ্রামে সাবেক মেয়র মহিউদ্দিনের সাথে চলাফেরার সুত্র ধরে বগলদাবা করেন জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদ। টাকার বিনিময়ে প্রতি শুক্রবার তিনি সেখানে গজল গেয়ে শুনান। হাতে সবসময় একটা তসবিহ রাখেন এই ভন্ড। সে তাসবিহ নিয়ে নর্তকীদের অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে সব জায়গায় জান। ক্যাটরিনার উরু আর কোমরের দোলন এবং ক্যাটরিনার রসালো নিতম্ব দেখার সুযোগ করে দিতে তার আগ্রহে তার প্রতিষ্টান PHP ৫ কোটি টাকার গোল্ড স্পন্সর করে Tri-Nation Big Show নামে ঢাকা স্টেডিয়ামে হয়ে যাওয়া অনুষ্ঠানে।

ক্যাটরিনার রসালো নিতম্ব দেখতে ৫ কোটি টাকার গোল্ড স্পন্সর PHP

মুখে আর চলাফেরায় ধার্মিক লোকটা আবার দেশের কাদিয়ানীদের পৃষ্টপোশকও বটে। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ বিষয়ক উপদেষ্ঠা গওহর রিজভিকে তখন কেউ ছিনতোনা যখন এই লোক কাদিয়ানী রিজভিকে নিজের প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় ইউআইটিএস এ উপদেষ্ঠা হিসেবে নিয়োগ দেয়। আর সুফি মিজানের সাথে এই কাদিয়ানী রিজভিকে পরিচয় করিয়ে দেয় ভারতের এক প্রভাবশালী কাদিয়ানী নেতা। ভারতের সেই প্রভাবশালী কাদিয়ানী নেতা গত ২০০৯ এ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্সেসের (ইউআইটিএস) প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে একই বিমানে ভারতের সাবেক প্রেসিডেন্ট এপিজে কালাম, গওহর রিজভীর সাথে বাংলাদেশে আসেন।

সবুজ টুপি পরিহিত ভারতের কাদিয়ানী নেতাকে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন সুফি মিজান

এতসব লেখলাম কারন সম্প্রতি চট্টগ্রাম এইচএসবিসির একটি পোগ্রামে সুফির কান্ড জানাতে। অনুষ্ঠানটি হয়েছিল নগরীর অভিজাত রেস্টুরেন্ট অ্যাম্ব্রোশিয়ায়। আর আমন্ত্রিত অতিথির সংখ্যা ছিল মাত্র ১২০ জন। অনুষ্ঠানে গান শুনাতে ভারত থেকে আনা হয় শ্রীকান্ত, ভূপিন্দর সিংহ ও মিতালী মুখার্জিকে। তাজ্জব বনে গেলাম সেখানে সুফি মিজানের কান্ড জেনে। আমার এক বন্ধু এইচএসবিসি চট্টগ্রামের উচ্চপদে কর্মরত। সে যা বলল সুফি মিজান নিয়ে। ছিঃ। আগের দিনে যেভাবে যাত্রা বা নৃত্য অনুষ্ঠানে নর্তকী বা শিল্পীদের গান পছন্দ হলে মানুষ স্টেজে উঠে তাকে আলিঙ্গন করে উপহার দিত ঠিক সেভাবেই সুফি মিজান সেখানে মঞ্চ উঠে মিতালী মুখার্জিকে জড়িয়ে ধরে মা বলে সম্বোধন করে। এমনকি তাকে রাতের বিমানের টিকেট ক্যান্সেল করিয়ে নিয়ে যান তার বাড়িতে। সেখানে তার জন্য করা হয় আলোকসজ্জা সহ রাজকীয় আয়োজন। রাতে মিতালীকে নিয়ে গানের আসর বসান নিজ বাড়িতে।

মিতালীকে নিয়ে মিজান

ইসলামের নামে ভন্ডামী করার কারনে আমার এই ক্ষোভ। ইসলাম এবং মিতালী-ক্যাটরিনা একসাথে চলতে পারেনা। সবাই সাবধান এই লোক থেকে কারন এর মারাত্নক কনভিন্সিং ক্ষমতা আছে। সাংবাদিক তার পকেটে। টাকা দিয়ে এমন এমন রিপোর্ট করায় পত্রিকায় যে কেউ এ লোকের প্রেমে পড়তে বাধ্য। বক্তব্য এমন ভাবে দেন যেন তিনি ফেরেশ্তা। আমি যদি মিথ্যা কোন তথ্য দিই তাহলে আপনারা নিজেরাই যাচাই করুণ। জরুরী অবস্থায়(১/১১) এ লোক আমার সামনেই এক সেনা কমান্ডারকে কনভিন্স করতে গিয়ে কি অপমানিত হয়েছিলেন তা আরেকদিন বলবো। এসব ভন্ড এবং ইসলামের নামে ব্যবসাকারী থেকে নিজে সাবধান থাকুন এবং কেউ এ ধরনের ভন্ড সম্পর্কে জানলে তথ্য দিন।

সুফির সরকারী পৃষ্ঠপোষক কাদিয়ানী গওহর রিজবী

৭ ছেলে ১ মেয়ে তার, ৬ জনকে দেখা যাচ্ছে (ফটো তোলার আগে তিনি হাতে তসবী নেন)

মূলসূত্র– স্মার্ট গাই

সূত্রঃ

https://i0.wp.com/www.sonarbangladesh.com/blog/images/sbblogheader_autumn.jpg

 

 

 

 

 

ফেসবুকে পারসোনার একজন প্রত্যক্ষদর্শীর মন্তব্য

https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-snc7/295713_158176190939902_157983590959162_286166_335610261_n.jpg

ফেসবুকে ‘বাংলাদেশ’ ফ্যান পেইজে একজন প্রত্যক্ষদর্শীর মন্তব্যের স্ক্রিণ শট দেয়া হয়েছে।
এই ইংরেজি বক্তব্যের বাংলা অর্থ করলে বক্তব্যটি এমন –

আমি নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলাম, যখন আপনার বনানী ব্রাঞ্চে ঘটনাটি চলছিল। সেই মহিলা স্পা ট্রিটমেন্ট নিচ্ছিলেন, ক্যামেরাটি সরাসরি তার দিকে ফোকাস করা ছিল যেমনটি তিনি বলেছেন। তিনি রিসিপশনে এ নিয়ে জানতে চান, তারা তর্ক করে, বলে, না, এটা প্রবেশ পথের দিকে ফোকাস করা। তথাপি তিনি সন্তুষ্ট হননি, তাই তিনি তার স্বামীকে ফোন করে আসতে বলেন দেখার জন্য। তিনি আসেন এবং সিসিক্যামেরা রেকর্ড চেক করে দেখেন এবং সংক্ষিপ্ত পোষোকে তার স্ত্রীর পুরো স্পা ট্রিটমেন্ট ভিডিও পান। তিনি সকল মহিলাদের এবং আমাদের সেই সিসিক্যামেরা কক্ষে আসতে বলেন ও ভিডিওটি দেখতে বলেন। কিন্তু আমরা যাবার আগেই এটা বন্ধ করে দেয়া হয়। ফলে আমরা কিছু দেখতে পারিনি। ম্যানেজার অথবা ইনচার্জ মহিলা জানায়, তারা গতকাল ক্যামেরা ফিক্স করেছে এবং সেই টেকনিশিয়ান এর ভুলে এটা ভুল দিকে ফোকাস হয়েছে, আসলে হওয়ার কথা ছিল প্রবেশ মুখে।

এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে উল্লেখযোগ্য বিষয়গুলো দেখা যাক –

সিসিক্যামেরা এনট্রান্স বা প্রবেশ মুখে দিকে থাকার কথা ছিল। স্প্যা ট্রিটমেন্ট নেয়া গ্রাহকের দিকে নয়। এই এ্যানট্রেন্স/প্রবেশ পথ কিসের? স্পা কক্ষের? নাকি পারসোনার প্রধান এ্যানট্রেন্স। প্রধান প্রবেশ মুখ হলে সমস্যা নেই কিন্তু বোঝা যাচ্ছে, এটা স্পা কক্ষের এ্যানট্রেন্স। এরকম জায়গায় সিসি ক্যামেরা ফোকাস করে কী ধরনের নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় পারসোনার? নারী গ্রাহকরা অনেক সময়ই স্পা সার্ভিস শেষ করে অন্য কোন সার্ভিস এরিয়াতে যাওয়ার সময় স্পা পোষাক পরিহিত অবস্থায় কক্ষ দিয়ে বার হন। তার মানে এই অবস্থাটি কিন্তু অবলীলায় ক্যামেরাবন্দী হয়!!!!

http://a1.sphotos.ak.fbcdn.net/hphotos-ak-ash4/s320x320/316768_288398387839385_250157688330122_1260952_1337246697_n.jpg

পারসোনার বনানী ব্রাঞ্চের ম্যানেজার/ইনচার্জ মহিলা উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দ্রুততার সাথে ক্যামেরা টেকনিশিয়ানের উপর দোষ চাপিয়ে দিলেন! তাতে মনে হয় ক্যামেরার ফোকাস ঘুরে যাওয়ার বিষয়টা তিনি জানতেন আগেই! (অথবা ক্যামেরাটা ঘোরানোই থাকে ওভাবে!!!!!)
যদি, টেকনিশয়ানের ভুলের কারণে ক্যামেরা ঘুরতে থাকে, তবে তা ওই স্পা ট্রিটমেন্ট নিতে থাকা মহিলা কর্তৃক ক্যামেরা দেখা আগেই হয়েছে। তাহলে, অভিযোগ জানানোর আগেই কেন সিসি ক্যমেরা পর্যবেক্ষণকারী কর্মচারীরা এ ব্যাপারে রিপোর্ট করেনি?
ব্রাঞ্চের ম্যানেজার/ইনচার্জ মহিলা উপস্থিতভাবে টেকনিশিয়ানের উপর দায় চাপিয়ে যে ব্যাখ্যা দিয়েছেন, পরবর্তীতে কানিজ আলমাসও সেই একই ব্যাখ্যা মুখস্ত বুলির মত বলে গেছেন!

একটা বিশেষ প্রশ্ন –

যে দুই পুরুষকর্মী পেন ড্রা্ইভে করে ভিডিও ফুটেজ সরিয়ে নিচ্ছিল তাদের নাম প্রকাশ অত্যন্ত জরুরী। গণমাধ্যমগুলোতে এদের নাম অপ্রকাশিত কেন??

সূত্রঃ

সিলেটে ‘বার্গার কিং’-এর আড়ালে ‘সেক্স মিশন’

ছোট ছোট বুথ। পাশাপাশি দু’টি টুল। চারদিকে রঙিন গ্লাস। রয়েছে থাই উডও। এরকম কয়েকটি বুথ। বুথের আগে ছিল বিছানা। বেশি দৃষ্টিকটু। এ কারণে হলো পরিবর্তন। পরিবর্তন করে করা হয় ছোট ছোট বুথ। এই বুথের ভাড়া ঘণ্টায় ৬০০ টাকা। বুথের ভেতরে কিছুই নেই। আছে পাশাপাশি দুটি চেয়ার। একটি ছোট টেবিল। নাম ‘বার্গার কিং’। একটি ফাস্টফুডের দোকান। সিলেট শহরের প্রাণকেন্দ্র জিন্দাবাজারেই এই বার্গার কিংয়ের অবস্থান।

 

সিলেট শহরের উঠতি বয়সী তরুণ-তরুণীদের কাছে বার্গার কিং এক নামেই পরিচিত। ৬০০ টাকা ঘণ্টায় ভাড়া নিয়েই এখানে প্রেমিকাকে নিয়ে যা ইচ্ছা তা করা যায়। স্রেফ রেস্টুরেন্ট ভেবে প্রেমিকের হাত ধরে ওখানে উঠেছেন অনেক তরুণী। কিন্তু ভেতরে গিয়ে অনেকেই হয়েছে প্রতারিত। পরে সব হারিয়ে কেঁদে কেঁদে বের হতে দেখা যায় অনেক তরুণীকেই। আর ওখানে যারা যেতেন তাদের বেশির ভাগই স্কুল কিংবা কলেজ ছাত্রী। ভেতরে সবকিছু ঠিকঠাক থাকায় প্রেমিকের হাতেই বহু মেয়ে সম্ভ্রম হারিয়েছে।

 

https://i2.wp.com/rapedattufts.info/wordpress/wp-content/uploads/2010/01/Rape__by_little_pretty.png

এমনটা জানিয়েছেন খোদ বার্গার কিংয়ের আশপাশের ব্যবসায়ীরা। তারা জানান, যেসব মেয়েরা এখানে যাতায়াত করতো তারা ভালো পরিবারের। সবাই স্কুল-কলেজের পড়ুয়া মেয়ে। অভিভাবকদের ফাঁকি দিয়ে প্রেমিকের হাত ধরে এখানে এসে তারা হারিয়েছে সবকিছু। বুথের ভেতরে প্রেমিকের নির্যাতনে তারা সব কিছু হারানোর পর সম্মানহানির ভয়ে মুখ খুলেননি। নীরবে সয়ে গেছেন সবকিছু। কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ীরা ধীরে ধীরে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন। তারা বার বার রেস্টুরেন্টের মালিককে বললেও কাজের কাজ কিছুই হয়নি। গত দুই দিন আগে ক্ষুব্ধ ব্যবসায়ীরা আকস্মিক এই রেস্টুরেন্টে ঢুকে পড়েন। এ সময় তারা বুথের ভেতরে অস্বাভাবিক অবস্থায় যুবক-যুবতীদের দেখতে পান।

 

ব্যবসায়ীরা জানান, যে অবস্থায় তাদের পাওয়া গেছে তা সিলেটে কল্পনা করা যায় না। এ দৃশ্য দেখে অনেক ব্যবসায়ীরা মাথা ঠিক রাখতে পারেননি। ব্যবসায়ীদের রোষানলে পড়ার হাত থেকে সিলেটের আলোচিত এই বার্গার কিং দুই দিন থেকে তালাবদ্ধ রয়েছে। ব্যবসায়ীরা জানান, রমজানের আগে বার্গার কিংয়ে বুথ ছিল না। ছিল বিছানাপাতি। ফুসলিয়ে প্রেমিকাকে নিয়ে এসে এখানে সর্বনাশ করা হতো। এভাবে প্রতিদিন ১৫ থেকে ২০টি মেয়ের ইজ্জত নষ্ট করা হয় বলে ধারণা করেন তারা। এর বাইরেও কিছু কিছু জুটি এখানে নিয়মিত যাতায়াত করতো। তারা নিরাপদ ডেটিং কিংবা সেক্স মিশনের নিরাপদ স্থান হিসেবে ‘বার্গার কিং’কে ব্যবহার করতো। বুথ ব্যবহারকারী এক যুবক জানান, এখানে সাইবার ক্যাফের মতো ছোট ছোট বুথ বানিয়ে ভাড়া দেয়া হয় আগত জুটিদের। যাদের বেশির ভাগই স্কুলপড়ুয়া শিক্ষার্থী।

 

 

ঘণ্টা ৬শ’ টাকা হারে ভাড়া নির্ধারণ করে এসব রুম বরাদ্দ দেয়া হয় তাদের। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে টিনেজাররা অনৈতিক কাজে ব্যবহার করছে এই বুথগুলোকে। জিন্দাবাজারস্থ ‘বার্গার কিং’ ফাস্টফুডের দোকানে অনেকদিন ধরে অনৈতিক কর্মকাণ্ড চলছিল এমন অভিযোগ ছিল জিন্দাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির কাছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ এর আগেও বেশ কয়েকবার এই প্রতিষ্ঠানের মালিককে সতর্ক করলেও তিনি তাতে কর্ণপাত করেননি। মঙ্গলবার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি লায়েছ উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক এহছানুল হক তাহের গিয়ে হাতেনাতে ধরে ফেলেন এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড।

 

এ ব্যাপারে বার্গার কিংয়ের স্বত্বাধিকারী রোটারিয়ান একেএম শামসুল হক দীপু সাংবাদিকদের জানান, প্রতিষ্ঠানটি তার নিজের হলেও তিনি এটি পরিচালনা করেন না। লোক দিয়ে পরিচালনা করায় তারা ভুল করে ফেলতে পারে। কিন্তু তিনি স্বীকার না করলেও প্রতিষ্ঠান আজ থেকে বন্ধ করার ঘোষণা দেন। কিন্তু তার এই অভিযোগের বিরোধিতা করে সিলেট চেম্বারের পরিচালক ও জিন্দাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি লায়েছ উদ্দিন বলেন, প্রতিষ্ঠানটি তিনি নিজেই পরিচালনা করেন। এবং এসব কাজে তার সহযোগিতা রয়েছে। না হলে তাকে বার বার সতর্ক করা সত্ত্বেও এরকম কর্মকাণ্ড পরিচালনা হওয়ার কথা নয়।

 

জিন্দাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এহসানুল হক তাহের জানান, সিলেট একটি পবিত্র এলাকা। এখানে এরকম কর্মকাণ্ড ব্যবসায়ীরা মেনে নেননি। তিনি জানান, বার্গার কিংকে স্রেফ রেস্টুরেন্ট মনে করে অনেক টিনেজ মেয়ে বয়ফ্রেন্ডের সঙ্গে উঠতো। উঠার সময় হাসি মুখে উঠলেও নামার সময় কেঁদে কেঁদে নীরবে চলে যেতো।

 

 

 

এটা শুধু সিলেটেই হচ্ছে না। এটা বর্তমানে বাংলাদেশের সব বড় শহরের ছবি।  একটি মেয়ে ধর্ষিতা হলে সে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পরে।তার আন্তবিশ্বাস চলে যায়।কাউকেই সে বিশ্বাস করতে পারে না এমনকি আন্তিয় স্বজনদেরও না। সমাজকে সে এই ঘটনার জন্য দোষ দিতে থাকে এবং  আত্নহত্যার দিকে এগিয়ে যায়।

 

মেয়েদের উচিত এই ব্যাপারে আরো সচেতন হওয়া। সব সময় নিজের প্রিয়জনকে বিশ্বাস করবেন না। নিজেকে নিরাপদ রাখতে চেষ্টা করুন। বিশেষত teenage মেয়েরা। এই রকম একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা জীবন ধ্বংশ করে দিতে পারে।এখন কিন্তু অধিকাংশ ধর্ষণই ঘটে BOY FRIEND নামক বস্তু দ্বারা।

সূত্রঃ

http://profile.ak.fbcdn.net/hprofile-ak-snc4/277160_172596859484167_1651448288_n.jpg

বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া “একই দেশ” নয়

https://fbcdn-sphotos-a.akamaihd.net/hphotos-ak-ash4/304424_137245923038385_115857601843884_182727_1252656641_n.jpg

সৈয়দ আশরাফ বলেছেন,

“ঐতিহাসিকভাবে এবং ঐতিহ্যগতভাবে আমরা (ইন্ডিয়া ও বাংলাদেশ) একই দেশের মানুষ, একই দেশের নাগরিক। আমাদের একই সংস্কৃতি, একই ভাষা, একই ধর্ম ও একই ঐতিহ্য।”

কখনই বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া “একই দেশ” নয়, “একই ভাষা” নয়, “একই ধর্ম” নয় ।

বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে বৃহত্তর ইন্ডিয়ার শোষণ থেকে ১৯১১ সালে আমরা মুক্ত হয়েছি। আর মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানের শোষণ থেকে মুক্ত হয়েছি ১৯৭১ সালে। বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া “একই দেশ” এই কথা বলে কি ৩০ লাখ শহীদের রক্তকে অপমান করা হলো না ?

যে ভাষার জন্য ১৯৫২ সালে সালাম, রফিক, বরকত উষ্ণ রক্ত ঢেলে দিল “একই ভাষা” বলে কি সে ভাষাকে কি অপমান করা হলো না ? ইন্ডিয়ার ৮০.৫% হিন্দু , আর বাংলাদেশের ৯০.৪% মানুষ মুসলমান। আমাদের ধর্ম কি এক হলো ?

আজ যদি কেউ বলে, “ঐতিহাসিকভাবে এবং ঐতিহ্যগতভাবে পাকিস্তান ও আমরা একই দেশের মানুষ একই দেশের নাগরিক।” তাকে দেশদ্রোহী ও রাজাকার বলবেন নিশ্চই।

তাহলে বাংলাদেশ ও ইন্ডিয়া কে “একই দেশ” বললে তাকে কি বলবেন ?

সূত্রঃ

তুমি অধম , তাই বলিয়া আমি উত্তম হইব না কেন ?

 

Visit Of Indian PM And Bangladesh Is Loser Again

It was always expected that the transit agreement will create a win-win situation for both Bangladesh and India. But in reality, due to lack of patriotism and commitment, Bangladesh side is set to become a great loser in the agreement.

by Tashnuva Hussain
August 15, 2011

https://i0.wp.com/www.weeklyblitz.net/pics/1694.jpg

Bangladesh's foreign minister Dr. Dipu Moni

Indian Prime Minister Dr. Manmohan Singh will be arriving in Bangladesh in less than 20 days from now. West Bengal‘s Chief Minister Mamata Banerjee is also included in the team of Dr. Singh. Indian foreign minister, home minister, information minister, cultural affairs minister and a large number of important figures in the government will be accompanying the prime minister during the upcoming trip to Bangladesh. It was always expected that the transit agreement will create a win-win situation for both Bangladesh and India. But in reality, due to lack of patriotism and commitment, Bangladesh side is set to become a great loser in the agreement.

Bangladesh will have to invest US$ 7.11 billion just to prepare the infrastructure for allowing Indian goods and military items to move within Bangladeshi area through transit facilities. Bangladesh will require US$ 0.50 billion each year just for maintenance of such facilities. But, in return the transit rate that Bangladeshi government is going to accept will not bring any profit for the country. By spending US$ 7.11 billion dollars, Bangladesh’s current government is paving the transit routes for Indian consignments, while it will not even earn the amount required for annual maintenance of these facilities.

India is giving loan to Bangladesh for improving the infrastructure for the transit, which is again at a higher interest rate than many of the international loan Bangladesh receives for such projects from other nations and bodies. Bangladesh will have to pay US$ 0.30 billion as interest only for the amount it would borrow for infrastructural development to allow Indian consignments to move.

What experts say is, India should have been asked by Bangladesh side to place minimum US$ 15 billion as upfront payment of fees with Bangladesh while signing the transit treaty instead of giving loan with annual interest. Actually it was a grand failure of diplomacy from Bangladesh side in playing the issue in right manner. Bangladesh seriously lacks in properly negotiating with India, with a humpty-dumpty type foreign minister like Dr. Dipu Moni, who in most of the cases, behaves as a domestic help of the Indian government instead of showing minimum dignity as the minister of an independent nation. To Bangladeshi foreign minister, all those Indian policymakers are ‘Big Brothers’ and she feel afraid as well as shy in placing the legitimate demand on behalf of her nation with the counterpart during any discussion. At the back of her mind, she might be thinking that, by keeping India happy, she can prolonge the tenure of Awami League government till 2021 at least.

The Indian government is bargaining with Bangladeshi side in paying extremely low fees for using road, railways or river routes in Bangladesh as transit. But, according to international rules and existing fees of transit in other nations – road, rail and river transit fees are equal. In most cases, it ranges between US$ 2.50-100 per ton. Logically though Bangladesh should be charging minimum US$ 0.50 per ton as flat transit rate from India, some unscrupulous anti-Bangladesh elements inside the ministry of foreign affairs and other ministries concerned are actively trying to put unimaginably low transit fees from India [which is just below US$ 0.08 per ton] in the agreement. And the agreement is now ready to be signed on September 6, 2011.

Earlier a report on transit / trans-shipment guidelines was submitted to the commerce ministry. Bangladesh Tariff Commission submitted the report to the commerce ministry, suggesting different methods of realizing transit fees and identified several routs.

The report said North-east Indian states [Nagaland, Mizoram, Manipur, Tripura] especially the eastern part of Meghalaya, southern part of Assam besides Nepal and Bhutan could save costs, ranging between US$ 4 and US$ 50 per ton of goods, by transiting products through Bangladesh territory.

Bangladesh should impose transit fees of a minimum 70 per cent of the savings the beneficiary countries would make by using direct routes through the country, the report suggested.

“India, Nepal and Bhutan will immensely benefit from using the facility while Bangladesh will not require similar facility from any of this countries/region, due to its direct access to sea, the report added.

It suggested that Bangladesh could charge transit fees to recover administrative expenses, uses of service, congestions and environmental pollution arising out of heavy transit traffic. The report recommended forming a Joint Working Group [JWG] among the participating member-states for initiating and finalizing an “Umbrella Agreement” for the proposed transit. It also suggested that the agreement must clearly outline a win-win situation for the participating member-states. The JWG needs to determine the mechanism of cost recovery and other institutional costs and charges/fees to be collected towards materialization.

There is a huge market for Bangladesh toiletries, ceramics, medicine and other items in a number of states within India. Especially the North-Eastern states in India could be a solid market for Bangladeshi products for a numerous reasons. Unless India gets transit facilities via Bangladesh, any product manufactured in India will be comparatively much expensive than those of Bangladeshi products due to heavy transportation cost. At the same time, if India does not get transit from Bangladesh, it put its own sovereignty and integrity into potential threat.

Bangladeshi TV channels remain blocked:

While there were speculations and expectations from owners of Bangladeshi television channels of seeing positive initiatives from the Indian side in allowing these channels within cable television network in that country, it has already been indicated by a number of sources that, there is no hope for Bangladeshi television channels to be shown in India in near future. It may be mentioned here that, Indian cable operators have been refraining from allowing Bangladeshi television channels from being included in the network, as there is an unseen ban on doing so. India allows most of the foreign TV channels, including Pakistan TV and Quran TV.

The initial steps of stopping Bangladeshi TV channels from entering the cable television network in India was initiated by West Bengal’s previous leftist government led by Jyoti Basu, who was vehemently opposing allowing Bangladeshi channels on West Bengal’s cable network, fearing, Bangladeshi TV channels will become quickly popular amongst the Bangla speaking audience in the West Bengal, because of its rich contents such as drama, telefilm, folk music etc, and at one stage, such Bangladeshi channels can stand as potential threat to communist leadership in West Bengal. The restriction game was played by Jyoti Basu government through the Kolkata City Administration. On the other hand, the Indian central government also was not willing to allow Bangladeshi TV channels in national network, fearing it will have tremendous influence on people in the disputed territories, such as Seven-Sisters or even may influence Indian buyers in switching to Bangladeshi products, especially toiletries, ceramics, electronics etc. Bangladesh annually imports goods worth above 3 billions dollars from India, while export from Bangladesh is very nominal. Indian policymakers are committed in not allowing Bangladeshi TV channels in their national network.

Results of the upcoming visit of Indian Prime Minister Dr. Manmohan Singh to Bangladesh will be actually ‘win-win’ for New Delhi and ‘doom-demise’ for Dhaka. Following signing of the Farakka Treaty with India during the government of Bangabandhu Sheikh Mujibur Rahman, the Bangladeshi nation is suffering immensely due to India’s wrong behavior for decades. Now, a new era of extended sufferings will begin for the Bangladeshis right after Sheikh Hasina government puts signature on the Transit Treaty. Prime Minister Sheikh Hasina herself is also aware of the losing points in Transit Treaty for Bangladesh, and that is why she is trying her best to suppress the contents of the agreements and treaties, simply with the intention of getting it signed. If Bangladeshis will suffer, it may not be a great problem for leaders like Sheikh Hasina, whose children are living abroad permanently and happily. Even after few years, she may also join her children to spend a peaceful life. Really it does not matter to her what happens with Bangladesh. This is fact and wish everyone understands this!

Source :

https://i0.wp.com/www.weeklyblitz.net/images/logo.gif

Nobel Prize For Rabindranath Tagore In 1913- Some Untold Stories

https://i0.wp.com/topnews.in/files/Rabindranath-Tagore_0.jpg

Rabindranth Tagore was not the recommendation of the Nobel Committee

Rabindranath Tagore was the greatest of all great Bengali writers. But it is sad to note that the learned Bengali readers and writers kept many facts about Tagore’s winning of Nobel Prize in 1913 are kept secret. Some such facts are given below:

A. Rabindranath Tagore was more than many Nobel Laureates. But his winning of the Nobel Prize was a political consolation for the Hindu terrorist movements launched in Bengal in the early days of the 20th century.

B. Rabindranth Tagore was not the recommendation of the Nobel Committee. The Nobel Committee named somebody else. The name of Rabindranath Tagore was not even in the short list of the Nobel Committee.

C. Rabindranth Tagore was awarded the Nobel Prize neither as a Bengalee nor as an Indian. He was awarded the prize as an “Anglo-Indian”.

D. Rabindranth Tagore never made any so-called prize receiving speech.

E. Rabindranth Tagore only sent a two line prize acceptance message.

F. The prize was accepted by the British Ambassador and it was delivered to the poet in Calcutta.

G. It appears from the information, now available, that Rabindranath Tagore was awarded Nobel Prize in consideration of his successful attempt to intermingle the Western Christian-Hindu philosophy.

I shall very much welcome exact and objective reply from the esteemed readers of this Group.

I have been planning to publish a very small book on the subject: Nobel Prize for Rabindranath Tagore in 1913: some untold stories. All the points raised in my message are based on facts. But I would like to get more information on the subject. Help from others will greatly help in the publication of the book with more information.

However, for the information of all concerned, I would like to point out that Rabindranath was a Brahmo ( a reformed group of Brahmins of the so-called Hindu community of India).

The word ‘Hindu’ never existed to identify any religion before the emergence of the British Raj in India. It was invented by Raja Ram Mohan Roy in collaboration with the British colonial rulers. This the Britishers did with a view to getting the united massive force together against the defeated Muslim rulers of the then India.

As such, until the early last century, we find that 99% civil servants, lawyers, judges, engineers, doctors, professors etc. under the British Raj in India were from the Hindu community only. The fourth class employees like peons, messengers, bearers or guards are not included.

Brahmos allowed the conversion of even the low caste Sudras. But in fact, all Brahmos were Hindus. This was well understood by the British Rulers of India.

Rabindranath Tagore was not very vast in literary productions in the first decade of the last century. In fact, excepting the limited 250-copy English edition of Gitanjali, hardly there was any English version of Rabindranath Tagore’s other books. Not to speak of any Asian, until 1913 even any American was not awarded the Nobel Prize for Literature.

https://i2.wp.com/www.artoflegendindia.com/images/detailed/peaf004_raja_ram_mohan_roy.jpg

The word ‘Hindu’ was invented by Raja Ram Mohan Roy in collaboration with the British colonial rulers.

Rabindranath Tagore was in the spiritual lineage of Raja Ram Mohan Roy, Swami Vivekananda, Ramakrishna and others. In the lyrical lineage he was obviously reflecting D.L. Roy, Lalon Fakir, Atul Prasad Sen and others.

Rabindranath Tagore was a pro-British wealthy successor to the vast property left by his grand father Dwarakanath Tagore. In the first decade of the 20th Century he was the leading-most Bengalee intellectual friend of the British Rulers in India.

https://i2.wp.com/www.liveindia.com/freedomfighters/khudiram.jpg
Had there been no Khudiram Bose or ‘Terrorist Movement’, perhaps there would have been no Nobel Prize for Rabindranath Tagore

During the last decades of the 19th century and in the early 20th century there were popular uprisings, known as the ‘Terroist Movement’ in Bengal. Khudiram Bose was young recruit by such leaders of ‘Terroist Movement’ in Bengal. The British Rulers were very much disturbed by the widespread activities of the volunteers of ‘Terroist Movement’. They needed to pacify the Bengalees. Nobel Prize for Rabindranath Tagore was an attempt in that direction.

https://i1.wp.com/www.4to40.com/images/legends/hargobindkhorana/nobel_prize.jpg

Rabindranath Tagore's Nobel Prize Medal

Rabindranath Tagore was not known to the West in the first decade of the 20th century; hardly any body could have had access to his English edition of Gitanjali; this is obvious from the fact that Rabindranath Tagore was named in the short list of the Nobel Committee for the award of the Nobel Prize for literature in 1913. It was said that Rabindranath Tagore was known to the Swedish Academy as an ‘Anglo-Indian poet’ and not either as an Indian or as a Bengalee.

In addition, Rabindranath Tagore did not visit Sweden or Norway before or after being awarded the Nobel Prize. The British Ambassador received the prize for and on behalf of Rabindranath Tagore and it was confidentially delivered to Rabindranath Tagore at his Jorasanko residence in Calcutta.
Had there been no Khudiram Bose or ‘Terrorist Movement’, perhaps there would have been no Nobel Prize for Rabindranath Tagore. Even hundreds of Gitanjali could never open the passage of Nobel Prize for Rabindranath Tagore for Literature in 1913.

Of course, the high diplomatic circles and political decision makers in London did not like to take any risk and responsibilities and they decided, more or less during the same period, to shift the capital of the British Raj from Calcutta to New Delhi in 1911.

A.B.M. Shamsud Doulah
(Advocate, Supreme Court of Bangladesh &
formerly Assistant Professor of English in
Jagannath College, Dhaka)
P.O. 351, Dhaka-1000
BANGLADESH

Email: shamsuddoulah@yahoo.com

%d bloggers like this: