• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 277,514 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার অভিযোগের পরও ধরাছোঁয়ার বাইরে মতিউর!

প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান
বারবার সরকারের ওপর মহল থেকে প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জঙ্গি পৃষ্ঠপোষকতা ও সম্পৃক্ততা থাকার প্রমাণ আছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তারপরও গভীর এক রহস্যময় কারণে গ্রেফতার করা হচ্ছে না তাকে। আনা হচ্ছে না আইনের আওতায়। জঙ্গিবাদের সঙ্গে সম্পৃক্তার অভিযোগ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ওপর বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলাকারীদের সঙ্গেও তার সম্পর্ক থাকার অভিযোগ উঠেছে একাধিবার। অথচ এরপরও তাকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে আনা দুরে থাক, জিজ্ঞাসাবাদ পর্যন্ত করা হয়নি বা হচ্ছে না। জঙ্গিবাদবিরোধী এবং স্বাধীনতার পক্ষের শক্তির একাধিক ব্যক্তি বিস্ময়ের সঙ্গে তাদের এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। নাম পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জানান, জনগণের শক্তিতে রাজনীতিতে অভিষিক্ত গণতন্ত্রের দুই নেত্রীকে এই মতিউর রহমান ‘মাইনাস টু’ ফর্মুলার করুণ বিপর্যয় ঠেলে দেন। অথচ আজ প্রেক্ষাপট পাল্টে গেলেও সেই মতিউর রহমানকে স্পর্শ করার সাহস কারোই হয় না। তার পরামর্শের কারণে শূধুমাত্র দুই প্রধান নেত্রীই জেল খাটেননি, দেশের বড় বড় রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ীরাও নির্যাতন আর নানান হয়রানির শিকার হয়েছেন। তবুও জঙ্গি সহযোগী প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমান কী এক রহস্যময় শক্তির আধারে থাকছেন। তাঁকে আজকের গণতন্ত্রের সরকারও জিজ্ঞাসাবাদের সাহস রাখে না।

তারা আরও জানান, বঙ্গভবনে বসে বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান গভীর বেদনা নিয়ে গ্রেনেড হামলায় নিহত পত্নী আইভি রহমানের কথা ভাবেন। নিঃসঙ্গ জীবন তাঁর ক্ষয়ে যায়, তবু ওই জঙ্গিদের সক্রিয় পৃষ্ঠপোষক প্রথম আলোর সম্পাদক মতিউর রহমানকে গ্রেনেড হামলার তদন্তকারীরা কিসের জন্য রেহাই দিলেন, তা নিয়ে কৌতূহলী মানুষের প্রশ্নের শেষ নেই। এ বছর ১৯ মে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারেক আহমেদ সিদ্দীকি প্রথম আলোর মতিউর রহমানের দিকে আঙুল তাক করে র‌্যাব ধ্বংসের চক্রান্ত ও জঙ্গি তৎপরতায় যুক্ত থাকার অভিযোগ এনেছিলেন। বলেছিলেন, ওই সম্পাদক জঙ্গিদের সহায়তা করেছেন, জঙ্গিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এমন প্রমাণও তাঁদের হাতে রয়েছে। তবে তিনি বলেন, ওই সম্পাদকের জঙ্গি সম্পৃক্ততার বিষয় নিয়ে অধিকতর তদন্ত হচ্ছে, কিন্তু প্রধানমন্ত্রী সাংবাদিক হয়রানি করতে চান না বলে তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না। একজন প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার এই বক্তব্য মতিউর রহমানের উদ্দেশ্য এবং কর্মকাণ্ড সম্পর্কে অনেক আগাম ইঙ্গিতই স্পষ্ট করে দিয়েছে। সরকারের প্রভাবশালী নৌ-পরিবহনমন্ত্রী এ বছর ২১ আগস্ট গাবতলী বাস টার্মিনালে এক আলোচনা সভায় বলেছিলেন, ২১-এর গ্রেনেড হামলার অন্যতম ষড়যন্ত্রকারী হলেন প্রথম আলো সম্পাদক মতিউর রহমান। তিনি ওয়ান-ইলেভেন পরবর্তী তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন। তাঁর মূল এজেন্ডাই ছিল রাজনীতিকে মেধাশূন্য করা। আর সেই এজেন্ডা নিয়ে তিনি আজও কাজ করে যাচ্ছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকররা ক্ষেভের সঙ্গে আরও বলেন, সরকারের প্রভাবশালী ব্যক্তিরা যখন এ ধরনের শক্ত অভিযোগ আনেন তখন প্রথম আলো সম্পাদক আরো বেপরোয়া হয়ে অগ্রসর হন। তখন সঙ্গত কারণেই প্রশ্ন উঠে, মতিউর রহমান কতটা শক্তিশালী? তিনি কি একটি গণতান্ত্রিক সরকারের চেয়েও শক্তিশালী? তিনি কি দেশে প্রচলিত সকল আইনের ঊধর্ে্ব? সরকারের উপদেষ্টা ও মন্ত্রীরা যখন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনেন, জঙ্গিবাদের সম্পৃক্ততা যার বিরুদ্ধে স্পষ্ট, সেই মতিউর রহমান যদি থেকে যান ধরা ছোঁয়ার বাইরে, তখন সাধারণের মনে অনেক প্রশ্ন জাগাটাই স্বাভাবিক। সরকার তার যে প্রতিনিধিদের নিয়ে দেশ পরিচালনা করছেন, সেই প্রতিনিধিদের বক্তব্য সত্য হলে মতিউর রহমান কেন আইনের ঊধর্ে্ব থাকবেন ?

তারা আরও বলেন, আজ এর সুরাহা হওয়ার সময় এসেছে। কেউ কেউ যদি আইনের ঊধর্ে্ব উঠে যান, যা ইচ্ছে তাই বলতে থাকেন, করতে থাকেন, তাহলে তাহলে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয় না। ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন, সবার জন্য সমান আইন। ২১ আগস্টের ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার মতো রক্তাক্ত ও অভিশপ্ত ঘটনার সঙ্গে জড়িত_এমন অভিযোগ উঠলেও প্রথম আলোর সম্পাদককে ধরাছোঁয়ার মধ্যে না আনায় সরকারের কার্যকারিতা ও ন্যায়বিচার প্রশ্নবিদ্ধ থেকে যায়। দেশে বিরাজমান জঙ্গি তৎপরতা, দেশকে আবারো এক নতুন ষড়যন্ত্রের দিকে ঠেলে দেওয়ার তৎপরতা আর ২১-এর গ্রেনেড হামলার সত্য উদ্ঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের জন্যই তাঁকে আইনের আওতায় আনা আজ জরুরি হয়ে দেখা দিয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন।


সূত্রঃ
https://i1.wp.com/www.bd-pratidin.com/images/spc_main_logo.gif

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: