• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 317,146 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

How to Detect Hidden Camera in Trial Room?

https://wakeupbd.files.wordpress.com/2011/09/mini_spy_cam_hand_500_16150-300x300.jpg?w=300

Step 1: In front of the trial room take your mobile and make sure that mobile can make calls.

Step 2: Then enter into the trail room, take your mobile and make a call!

If u can’t make a call……!!!! There is a hidden camera……

This is due to the interference of fiber optic cable during the signal transfer.

Please forward this to your friends to educate this issue to the public. To prevent our innocent ladies from HIDDEN CAMERA………..

সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতারণা

আব্দুন নূর তুষার: প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য নির্বাচন নিয়ে বিশ্বব্যাপী প্রতারণা শুরু হয়েছে। এর সঙ্গে জড়িত কোটি কোটি টাকার ফাঁদ। প্রতারণার বিষয়টি জানতে পেরে ইতিমধ্যে দু’টি দেশ তাদের নাম প্রত্যাহার করে নিয়েছে। জানা যায়, নিউ সেভেন ওয়ান্ডার্স ফাউন্ডেশন নাম দিয়ে সুইস চলচ্চিত্রনির্মাতা ও সংগ্রাহক বার্নার্ড ওয়েবার এই সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন। এর সঙ্গে সুইস সরকারেরও সম্পর্ক আছে। পর্তুগালের লিসবনে তারা তাদের প্রথম প্রতিযোগিতার ফল ঘোষণা করেন ২০০৭ সালের জুলাই মাসে। তারা দাবি করেন, প্রায় ১০ কোটি ভোটার এসএমএস ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় ভোট দিয়েছিলেন। ইন্টারনেট ভিত্তিক একটি সংস্থা অনলাইন ভোটিংয়ের মাধ্যমে ওই তালিকা ২০০৭ সালে প্রকাশ করে। ওই তালিকায় পিরামিড ছিল না। তাতে দক্ষিণ আমেরিকার তিনটি, এশিয়ার তিনটি ও ইউরোপের একটি প্রাচীন নির্মাণকে ভোটাভুটি করে আশ্চর্য বানিয়ে দিয়ে তারা সপ্তাশ্চর্যের পুরনো তালিকাটি বদলে দিতে চেষ্টা করেছিল। পুরনো তালিকায় ছিল দ্য কলোসাস অব রোডস, গির্জার পিরামিড, ব্যাবিলনের শূন্যোদ্যান, আলেক্সান্দ্রিয়ার বাতিঘর, হ্যালিকার্নেসাসের সমাধি, অলিম্পিয়ার জিউসের মূর্তি এবং ইফেসাসে আর্টেমিসের মন্দির।  এই আশ্চর্যগুলোর সব ক’টি এখন আর দেখা যায় না। তাই নতুন তালিকার উদ্যোগ নেয় সংস্থাটি। আর এখানেই নানা প্রশ্ন। পিরামিড বাদ পড়ার পর অনেকেই এটিকে নিয়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। একটি সুপ্রাচীন স্থাপত্য হঠাৎ ব্রাজিলের রিডিমারের মতো একটি কুদর্শন ঢ্যাংগা মূর্তির কাছে বাদ হয়ে যাবে এটা কেউ মেনে নিতে পারেননি। অ্যাংকরভাট নিয়েও অনেক কথা হয়েছে। অনেকে বলেছেন, চীনের প্রাচীরের চেয়ে অ্যাংকরভাট অনেক বেশি দাবিদার ছিল আশ্চর্য হিসেবে ঘোষিত হওয়ার। প্রথম দিকে, বিভিন্ন ছোট ছোট দেশ এই প্রতিযোগিতার ব্যাপারে বিরাট আগ্রহ দেখায়। তবে একপর্যায়ে তাজমহল কম ভোট পেয়ে বাদ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিলে ভারতে এ নিয়ে বিরাট হৈচৈ শুরু হয়। মিডিয়ায় গুরুত্ব দেয়ায় ভারত থেকে কোটি কোটি ভোট পড়তে থাকে। জর্ডানের রানী নিজে প্রচারণায় নেমে পড়েন এবং ৭০ লাখ লোকের দেশ জর্ডান থেকে এক কোটি ৪০ লাখ ভোট পড়ে পেট্রার পক্ষে। ব্রাজিলের ফোন কোম্পানিগুলো ফ্রি এসএমএস ও কল করতে দিয়ে তাদের রিডিমার স্ট্যাচুকে জিতিয়ে দেয়। ভারতেও একই রকম কাণ্ড হয়। শুরুতে মনোনয়ন দেয়ার সময় ইউনেসকো তাদের সহযোগিতা করলেও পরে তারা ঘোষণা দিয়ে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। ইউনেসকো থেকে বলা হয়, এই প্রতিযোগিতা একটি ব্যক্তিগত উদ্যোগ। এর সঙ্গে ইউনেসকোর কোন সম্পর্ক নেই। প্রথম প্রতিযোগিতার পর প্রতিষ্ঠানটি বলেছিল, এই কাজে আয়োজকদের কোন আর্থিক লাভ হয়নি। বরং তারা এটা বিভিন্ন দাতাদের সহযোগিতায় সম্পন্ন করেছে। তবে তারা নানা রকম প্রচারণা স্বত্ব বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। তারা ভোটের সংখ্যা প্রকাশ করেনি এবং টাকা পয়সার হিসাবের বিষয়েও নীরব ছিল। এর পরপরই তারা শুরু করে দেয় প্রাকৃতিক আশ্চর্য নির্বাচনের প্রতিযোগিতা। শুরুতে বাংলাদেশের কক্সবাজার ও সুন্দরবন- দু’টোই তালিকায় থাকলেও পরে তারা সুন্দরবনকে রেখে কক্সবাজারকে বাদ দেয়। অথচ প্রথমে তারা সুন্দরবনকেই বাদ দিতে চাইছিল। কেননা এটি দু’টি দেশে অবস্থিত এবং দু’টি দেশ থেকে সরকারিভাবে যৌথ মনোনয়ন না পেলে তারা এটাকে তালিকায় রাখবে না বলে জানিয়েছিল। এটি ছিল কৌশল। এসএমএস ও টিভি স্বত্ব বিক্রির জন্য ভারত অনেক বেশি লোভনীয়। তাই ভারতকে এই খেলায় ঢোকানোটাই ছিল মূল উদ্দেশ্য। বাংলাদেশসহ ২৭টি দেশে তারা এই এসএমএস ভোটিংয়ের আয়োজন করছে। পরিবেশ ও বন প্রতিমন্ত্রী হাছান মাহমুদ এই প্রতিযোগিতার জন্য এসএমএস পাঠানোর বিষয়ে একটি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছেন, প্রতিটি সিম থেকে বিশটি এসএমএস পাঠালে বাংলাদেশ ১০০ কোটি ভোট পাবে। এই প্রতিযোগিতার আয়োজকেরা ভোটের কম-বেশি দিয়ে বিজয়ী নির্বাচন করেন বলে স্বীকার করেন না। ভোটের সংখ্যাও প্রকাশ করেন না। প্রতিটি এসএমএসের জন্য খরচ হবে দুই টাকা। এ হিসাবে আয় হবে প্রায় ২০০ কোটি টাকা। এর থেকে ৬৮ পয়সা পাবে আয়োজক সেভেন ওয়ান্ডার্স ফাউন্ডেশন। এভাবে মোট ৬৮ কোটি টাকা পাবে তারা। সরকার আবার এই এসএমএসের জন্য ভ্যাট মাফ করে দিতে চেয়েছে। ফলে সরকারের ক্ষতি হবে ৩০ কোটি টাকা। ১৬৩৩৩ নম্বরটিতে এসএমএস পাঠাতে হবে। কিন্তু এ নম্বরটির মালিক কে বা কারা সে বিষয়ে সরকার নীরব থেকেছে। নম্বরটির মালিক কোম্পানিগুলো হলে তারা পাবে বাকি ১৩২ কোটি টাকা। আর নম্বরটির মালিক কোন ব্যক্তি হলে তিনি ১৩২ কোটি টাকার কমপক্ষে ৪০ ভাগ পাবেন। এর পরিমাণ ৫২ কোটি ৮০ লাখ টাকা। মালদ্বীপ সরকার এরই মধ্যে এ প্রতিযোগিতা থেকে তাদের নাম প্রত্যাহার করেছে। ২৪শে এপ্রিল তাদের মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়। আয়োজকেরা তাদের কাছে প্রায় ৫ লাখ ডলার ফি দাবি করায় তাদের পর্যটন মন্ত্রণালয় তা প্রত্যাখ্যান করে। তারা এই প্রতিযোগিতার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিয়ে আশ্বস্ত হতে পারেনি। ইন্দোনেশিয়াও এটি প্রত্যাখ্যান করেছে। তাদের পর্যটন মন্ত্রণালয়কে এই আয়োজকেরা পুরস্কার বিতরণীর সব খরচ বহন করে হোস্ট নেশন হতে চাপ দেয়। সরকার রাজি না হওয়ায় তারা কমোডো ন্যাশনাল পার্কের প্রস্তাবকারী হিসেবে মন্ত্রণালয়ের নাম কেটে দেয় এবং এটিকে বাদ দেয়ার হুমকি দেয়। তাদের মন্ত্রী  জিরো ওয়াচিক এই সংগঠনের বিরুদ্ধে ইন্দোনেশিয়ার ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টার দায়ে মামলা করার কথাও বলেছেন। সংস্থাটি ইন্দোনেশীয় সরকারের কাছে চেয়েছিল ১০ মিলিয়ন বা এক কোটি ডলার।  এ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের লাভের পরিমাণ অতি অল্প। প্রথমত এই সংগঠনের কোন আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্যতা নেই। এর মূল অফিস সুইজারল্যান্ডে হলেও কোন অফিস ঠিকানা নেটে নেই। রয়েছে স্পেনের একটি ঠিকানা। ওয়েবসাইটে নিজেদের বিষয়ে বক্তব্যও অস্পষ্ট। সংস্থাটির অর্জিত অর্থের পরিমাণও হিসাববিহীন। শুধু বাংলাদেশ ও ভারত থেকে এসএমএস আসবে ২০০ কোটির বেশি। এই টাকা থেকে কত ভাগ তারা ব্যয় করবে বিজয়ী দেশগুলোতে, তার কোন বর্ণনা নেই। উল্টো তারা টাকা চাইছে। মালদ্বীপ ও ইন্দোনেশিয়া এরই মধ্যে সরকারিভাবে অন্তত ১৫ লাখ ডলারের কথা বলেছে। বাংলাদেশী টাকায় এর পরিমাণ ১০০ কোটি টাকারও বেশি। এ সংস্থা না বললেও সুন্দরবন পৃথিবীর সবচেয়ে বড় এবং প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ম্যানগ্রোভ বন। ইউনেসকো একে এরই মধ্যে পৃথিবীর সম্পদ বা ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণা করেছে। সংগঠনটির কর্মকর্তারা দুবাই গিয়ে সেখানের একটি দ্বীপকে এই প্রতিযোগিতায় এনেছেন। তারা দেশে দেশে ঘুরছেন। সেভেন ওয়ান্ডার্স সংগঠনটি যারা ব্যক্তিগত লাভের জন্য প্রচারণা চালিয়ে এরই মধ্যে স্বীকৃত কিছু প্রাকৃতিক আশ্চর্যকে প্রতিযোগিতায় নামিয়ে পয়সা কামাচ্ছেন।

বিস্তারিত জানতে :

Indonesia Under ‘Attack’ by New7Wonders Foundation: Tourism Ministry

Komodo may be off 7Wonders list after RI nixes payment

Source : https://i2.wp.com/4.bp.blogspot.com/_hSzD2oC0NJw/S5NP-8eXhUI/AAAAAAAAAAs/llbzpfmB3lk/s200/manob.gif

 

Example of How Gold Can Be A Protection

Jason Kaspar


During the Civil War, an independent thinker from San Antonio named Edward Steves made a savvy business move that would forever change his fortune and that of his family for generations. He made a bet against a dying currency in favor of the only currency that has never failed.

http://steveshomestead.files.wordpress.com/2010/05/steves-family-portrait.gif

Edward and Johanna Steves and Their Three Sons

In Texas, truth and myth are often blurred, as stories of what the human spirit accomplishes are stretched into tall tales for open camp fires and star filled nights. Perhaps the story of Mr. Steves borders on exaggeration. Perhaps not. In either case, the moral offers a profound lesson in wealth preservation and accumulation.

Steves immigrated to the United States in 1849 from Barmen, Elberfeld, Germany. He ventured into the Texas hill country as a farmer with mediocre success as he battled unpredictable weather, threat of local Indians, and rocky soil.  He scraped every penny; and in early 1861, with an entrepreneurial spirit as big as Texas, he spent his entire savings on a newly invented machine – the first mechanical combine to make it to the South Central Texas region. As fate would have it, this machine arrived on the last ship to make it into Galveston, Texas before the Union blockaded the port in July 1861.  After his mechanical contraption arrived in San Antonio, Steves had a monopoly over the local farmers surrounding the area.

https://i0.wp.com/www.unc.edu/depts/europe/conferences/eu/Images/cnfd1000.jpg

The farmers wanted to pay Steves for the use of his mechanical combine in the local currency, Confederate dollars. He refused. He negotiated to take his payment in kind – a percentage of what his combine would process. Steves then bundled up his portion and regularly set off for Mexico, where he would sell it for gold and silver. This occurred for several years until finally the Civil War ended. The Confederacy collapsed along with the monetary system.  Confederate dollars and Confederate bonds became worthless, sending many individuals into financial ruin.

The end of the Gavelston blockade marked the death of his monopoly, but by that time he had amassed a fortune in gold and silver.  With this fortune, he bought Union dollars and effectively bought back into a working economic system.  In 1866 he launched a lumber company that by 1916 had become the largest millwork operation in the Southwest.  It exists today as Steves & Sons, offering more than 300,000 variations of doors throughout the United States.

In today’s world most individuals, including investment professionals, have very little understanding of the history and purpose of precious metals as a monetary asset.  Monetary systems have come and gone for thousands of years, but our lives are so cloistered that the probability of living through two entirely different monetary systems seems highly unlikely. As the Steves story illustrates, even in the United States monetary systems collapse and evolve.

https://i2.wp.com/www.goldprices.net.au/wp-content/uploads/2011/05/1306517426-14.jpg

Precious Metals

The impetuous drive towards globalism and a “world currency” may impact our monetary system more than even the national debt. Initially, the evolution of a system brings chaos.  People cling to staples . . . land, guns, and food production. As a new system emerges, individuals who have precious metals maintain the capacity to buy back into the new system – buying a home, starting new businesses, regaining the quality of life of the previous system.  After 5,000 years, this continues to remain the ultimate benefit of precious metals. The irony is that a true global currency has always existed in the form of gold and silver.

https://i0.wp.com/www.tradeviewforex.com/forex-blog/wp-content/uploads/2011/03/gold1.jpg

Gold is a store of wealth not a generator of wealth

Unless an investor trades precious metals effectively, which very few can do over a long period of time, precious metals do not generate wealth in a functioning economic system. Gold is a store of wealth not a generator of wealth.  It is much better to own thriving companies that produce a superior return over their cost of capital.  Owning businesses that generate a superior return on invested capital is the way to move up the social status in a functioning capitalist system.  Unfortunately, American capitalism has been compromised and is now sputtering.

Ten years ago I would have argued that the probability of an American monetary collapse over the following decade was zero. The next ten years present far less certainty.  One may disagree whether the probability of a collapse over the next ten years is 2%, 25%, or 60%. But the probability is no longer zero. The criticality of gold and silver as an asset class has reemerged.  The Edward Steves story is an illustrative parable of how to build and preserve wealth when economic systems are in flux.

Jason Kaspar is the Chief Investment Officer for Ark Fund Capital Management, focusing on investment and portfolio management. This article first appeared on Gold Shark.

 

Hollywood Actor Charlie Sheen Demands The Truth of 9/11 And Fights Back Against The illuminati

It begins. But will it end in disaster ? Let’s hope not and lets hope charlie makes it out alive.

9/11 Tragedy : Judge It From Neutral Standpoint

“Only the deluded or the paid-off still believe amateur Arab pilots did it.” – John Kaminski

প্রথমত – মনে রাখবেন – ৯/১১ এর অজুহাতে স্বাধীন দুটি দেশ ইরাক ও আফগানিস্তান আক্রমণ করা হয়েছে। লক্ষ লক্ষ নিরীহ নারী-পুরুষ ও শিশুকে হত্যা করা হয়েছে। মিলিয়ন মিলিয়ন মানুষকে উদ্বাস্তু বানানো হয়েছে। দেশ দুটিকে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু করে নিদেনপক্ষে একশ বছর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইসলাম ও মুহাম্মদ (সাঃ)-এঁর উপর কালিমা লেপন করা হয়েছে। ৯/১১ এর আগ পর্যন্ত ইসলাম ও মুহাম্মদ (সাঃ)-কে সাধারণ অমুসলিমরা কখনোই এতটা ঘৃণার চোখে দেখত না। ৯/১১ এর পর থেকে ইসলামকে “সন্ত্রাসী ধর্ম” আর মুসলিম মানেই সন্ত্রাসী বা জঙ্গী বা খারাপ অর্থে মৌলবাদী বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। কোথাও সন্ত্রাসী হামলা হওয়ার সাথে সাথে কোন রকম তদন্ত ছাড়াই ইসলাম ও মুসলিমদের উপর দোষ চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ৯/১১ তাহলে ইসলাম ও মুসলিমদের জন্য আশির্বাদ নাকি অভিশাপ? অন্যদিকে ৯/১১ এর মতো ঘটনার দ্বারা কারা লাভবান হয়েছে? ভেবে দেখুন।

দ্বিতীয়ত – রামের সাথে শ্যামকে গুলিয়ে ফেলাটা অযৌক্তিক। ৯/১১ এর মতো একটি অবিশ্বাস্য ঘটনার সাথে অতর্কীতে কোথাও আত্মঘাতী হামলা, গাড়িবোমা বিস্ফোরণ, কিংবা হোটেল বা পাতাল রেলে বোমা বিস্ফোরণের মতো ঘটনাগুলোর কোন তুলনাই চলে না। পরের ঘটনাগুলো কিছু সাহসী সন্ত্রাসীর পক্ষে করা সম্ভব। কিন্তু ৯/১১ হামলা যেভাবে ঘটানো হয়েছে সেটি স্রেফ কিছু সাহসী সন্ত্রাসীর পক্ষে কোনভাবেই সম্ভব নয় – তাও আবার আমেরিকার মাটিতে।

তৃতীয়ত – ৯/১১ ঘটনার এরোপ্লেনের মধ্যে কে বা কারা ছিল তা কিন্তু আমরা কেউই দেখিনি এবং আর কোন দিনই জানা সম্ভব নয়।

চতুর্থত – বুশ-চেনী গং দ্বারা নিযুক্ত ৯/১১ কমিশনের তৈরী করা অফিসিয়াল স্টোরির সাথে বাস্তবতার আকাশ-পাতাল ফারাক। ৯/১১ অফিসিয়াল রিপোর্টে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চেপে যাওয়া হয়েছে।

পঞ্চমত – অফিসিয়াল স্টোরি অনুযায়ী কিছু মুসলিম নামধারী অ্যারাব সন্ত্রাসীর পক্ষে যদি সত্যি সত্যি ৯/১১ এর মতো একটি অবিশ্বাস্য ঘটনা ঘটানো সম্ভব হতো তাহলে শত শত অমুসলিম বিজ্ঞানী, ইঞ্জিনিয়ার, আর্কিটেক্ট, জার্নালিস্ট, আইনজীবী, রাজনীতিবিদ, ও স্কলাররা এ নিয়ে সংশয়-সন্দেহ করতেন না কিংবা অফিসিয়াল রিপোর্টকে মিথ্যা-বানোয়াট বলে উড়িয়েও দিতেন না; ৯/১১ ঘটনার সত্য উদ্ঘাটনের জন্য তারা বছরের পর বছর ধরে সময় নষ্ট করে সভা-সেমিনার করতেন না; কষ্ট করে লেখালেখি ও ভিডিও তৈরী করতেন না। ভেবে দেখুন। যেমন ইরাক-আফগানিস্তান আক্রমণ নিয়ে কেউ কিন্তু সংশয়-সন্দেহ করে না। কারণ ইরাক-আফগানিস্তান আক্রমণ কারা করেছে সেটা সবাই জানে। একইভাবে, বাবরী মসজিদ ধ্বংস এবং হত্যাকান্ড নিয়েও কেউ সংশয়-সন্দেহ করে না। কেননা এই ঘটনাও দিনে-দুপুরে পুরো পৃথিবীবাসীর সামনে ঘটেছে। অনুরূপভাবে, হিরোশিমা-নাগাসাকি আক্রমণ নিয়েও কেউ সংশয়-সন্দেহ করে না। কিন্তু ৯/১১ হামলা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ভিডিওগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে দেখলেই যে কারো পক্ষে বোঝা সম্ভব।

১. আর্কিটেক্ট রিচার্ড গেজ – যিনি স্টিল-ফ্রেম ও ফায়ার-প্রুফ বিল্ডিং নিয়ে বিশ বছর ধরে কাজ করেছেন – বৈজ্ঞানিক যুক্তি-প্রমাণের সাহায্যে ৯/১১ অফিসিয়াল স্টোরি নিয়ে যথেষ্ট সংশয়-সন্দেহ প্রকাশ করে টুইন টাওয়ার যেভাবে ধ্বংস হয়েছে তাকে নিয়ন্ত্রিত ধ্বংস (Controlled demolition) বলেছেন এবং সেই সাথে নতুন করে বিস্তারিত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

NEW PROOF 9/11 WAS AN INSIDE JOB! Richard Gage. Architects and Engineers for 9/11 Truth!

২. বিবিসি সাংবাদিক অ্যালান হার্ট প্রমাণ সহ দাবী করছেন যে সাম্রাজ্যবাদী চক্রের সংশ্লিষ্টতা ছাড়া এই কাজ সম্ভব না, এবং বাস্তবায়নকারী হিসেবে তিনি মোসাদের কথা জোরের সাথে দাবী করেছেন।

  • Former BBC Reporter Alan Hart Reveals ‘Mossad’ Involved in 9/11 on Alex Jones Tv 2/5

  • Former BBC Reporter Alan Hart Reveals ‘Mossad’ Involved in 9/11 on Alex Jones Tv 3/5

  • Former BBC Reporter Alan Hart Reveals ‘Mossad’ Involved in 9/11 on Alex Jones Tv 4/5

  • Former BBC Reporter Alan Hart Reveals ‘Mossad’ Involved in 9/11 on Alex Jones Tv 5/5

  • ৯/১১ এর ঘটনায় ইসরাইলের জড়িত থাকার ব্যাপারে ইসরাইলী প্রধানমন্ত্রীর পরোক্ষ স্বীকারোক্তি

http://www.somewhereinblog.net/blog/chanchalvali/29112580

3. 9/11 Inside Job Proof

4. Laws of Physics: See the Controlled Demolition

  • 9/11: Total Proof That Bombs Were Planted In The Buildings!

  • 911 Eyewitness-Hoboken TV136 10 min. program

5. Carpenter Marlene proves pre-planted explosives

Carpenter Marlene Cruz Survives Explosions in WTC Basement

6. 9/11: Loose Change 2nd Edition (a must see video)

Loose Change 2nd Edition (Full)

7. 9/11: The Myth and the Reality – Dr. David Griffin

9/11 The Myth and The Reality – David Ray Griffin – Full Length Feature


8. Scientific and Ethical Questions – Prof. S. Jones

Steven E. Jones, Professor of Physics, asks both Scientific and Ethical Questions and looks at the evidence that the 9-11 attacks were not solely the work of the supposed Al-Qaeda.

  • 9/11 Inside Job – The Most Damning Evidence Yet!
  • Professor Steven Jones : 9/11 Symposium 11/03/07

9. Only the deluded or the paid-off still believe amateur Arab pilots did it.

http://factsnotfairies.blogspot.com/2008/06/only-deluded-or-paid-off-still-believe.html

10. Enough 9/11 evidence exists to hang Bush, imprison thousands.

http://www.serendipity.li/wot/arrest_bush_now.htm

11. Air Force Fighter Pilot and Instructor Comes Out for 9/11 Truth:

http://www.prisonplanet.com/articles/april2007/020407_b_Pilot.htm

Every day, additional military and government people come out for 9/11 truth. The latest is Lt. Col. Guy S. Razer. Lt. Col. Guy S. Razer, MS, U.S. Air Force (ret) – Retired U.S. Air Force fighter pilot (F-111, F-15E, F-16, B-1, F-18, Mig-29, and Suu-22). Flew combat missions over Iraq. Former instructor at the USAF Fighter Weapons School and NATO’s Tactical Leadership Program.

Statement to this website 3/25/07: “<span>After 4+ years of research since retirement in 2002, I am 100% convinced that the attacks of September 11, 2001 were planned, organized, and committed by treasonous perpetrators that have infiltrated the highest levels of our government. It is now time to take our country back</span>.”

<span>The “collapse” of WTC Building 7 (570 feet tall, 47 stories, and not hit by an airplane) shows beyond any doubt that the demolitions were pre-planned</span>. There is simply no way to demolish a 47-story building (on fire) over a coffee break. It is also impossible to report the building’s collapse before it happened, as BBC News did, unless it was pre-planned. Further damning evidence is Larry Silverstein’s video taped confession in which he states “they made that decision to pull (WTC 7) and we watched the building collapse”.

12. The 9/11 Truth Movement.

http://www.911truth.org/

13. Architects and Engineers for 9/11 Truth:

http://ae911truth.org/

1297 verified architectural and engineering professionals and 9594 other supporters including A&E students have signed the petition demanding of Congress a truly independent investigation. The petition is open to everyone.

14. Firefighters for 9/11 Truth.

http://firefightersfor911truth.org/

15. Intelligence Officers for 9/11 Truth.

http://io911truth.com/

16. Lawyers for 9/11 Truth.

http://l911t.com/

17. Media Professionals for 9/11 Truth.

http://mediafor911truth.org/

18. Medical Professionals for 9/11 Truth.

http://mp911truth.org/

19. Patriots Question 9/11.

http://patriotsquestion911.com/

20. Political Leaders for 9/11 Truth.

http://pl911truth.com/

21. Religious Leaders for 9/11 Truth.

http://rl911truth.org/

22. Scholars for 9/11 Truth & Justice.

http://stj911.org/

23. Scientists – Journal of 9/11 Studies.

http://www.journalof911studies.com/

24. Top 40 Reasons to Doubt the Official Story of 9/11.

http://911truth.org/article.php?story=20041221155307646

25. Bombshell from London:

http://www.informationclearinghouse.info/article26362.htm

The report, presided over by the former deputy director of Britain’s foreign intelligence agency, MI-6, says the threat from al-Qaeda and Taliban has been “exaggerated” by the western powers.

[Source: http://www.somewhereinblog.net/blog/smraihan/29239985]

Wanna know more please visit

  • 9-11

http://www.youtube.com/view_play_list?p=F15C55CA837A6F4B

  • Israeli Spies Caught Celebrating 9-11
  • Mossad Caught in Van on 9-11 “Filled with Explosives” GW Bridge
  • Five Dancing Israelis Arrested On 9/11
  • The Zionist Jews Who Were Caught Celebrating 911 Attacks As While Occuring Are Caught Confessing 911
  • Jews did 9-11 – now you can be sure

http://abundanthope.net/pages/True_US_History_108/Jews-did-9-11—now-you-can-be-sure.shtml

  • ৯/১১ – সাম্রাজ্যবাদের আরো একটি উপহার

http://deshebideshe.amarblog.com/posts/71299/

http://www.scrippsnews.com/911poll

http://www.mathaba.net/news/?x=569730%3Frelated

  • CIA admits faking Osama bin Laden 9/11 confession video
  • Major 9 11 Truth Breakthrough!!!
  • 9/11’s Ten amazing reasons why the hijackers were fake.(MUST SEE)
  • Annie Machon Interview -9-11 Was An Inside Job – Glasgow 07
  • What Everyone NEEDS TO KNOW about World Trade Center 7 (WTC 7) on 9/11
  • আমেরিকার টুইন টাওয়ার ধ্বংস রহস্য

http://www.somewhereinblog.net/blog/ronypilot1/29239416

ট্রানজিট-করিডোর : আঞ্চলিক সংযোগ নয়, বিচ্ছিন্নকরণের নীলনকশা

ড. আবুল কালাম আযাদ

ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার ভারতীয় উপমহাদেশ ত্যাগের আগে কেবিনেট মিশন পরিকল্পনা নামে স্বাধীন ভারতবর্ষের জন্য যে স্বশাসন প্রস্তাব পেশ করেছিল তাতে সমগ্র ভারতীয় উপমহাদেশকে একটি ফেডারেল সরকারের অধীনে অ, ই ও ঈ—এই তিনটি ভাগে ভাগ করার কথা বলা হয়েছিল। অ অঞ্চল নির্ধারিত হয়েছিল বর্তমান পাকিস্তান রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত এলাকা, ই অঞ্চলের জন্য নির্ধারণ করা হয়েছিল বর্তমান ভারতের পশ্চিমাঞ্চল এবং ঈ অঞ্চলের মধ্যে রাখা হয়েছিল ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বর্তমান বাংলাদেশসহ সমগ্র বঙ্গ ও ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ‘সাতবোন’ নামে খ্যাত সাতটি
রাজ্য। এই বিভক্তির প্রস্তাব করা হয়েছিল অঞ্চলগুলোর ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক নৈকট্যের (geographic and economic integration) বিবেচনায়।
কিন্তু নেহরু-প্যাটেলের একগুঁয়েমির কারণে ‘কেবিনেট মিশন পরিকল্পনা’ ভণ্ডুল হয়ে গেলে ভারত বিভক্তি যখন অনিবার্য হয়ে পড়ে, তখন এই পরিকল্পনায় প্রস্তাবিত ঈ অঞ্চলকেও ভাগ করে বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ ও উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যকে বর্তমান বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়। এর ফলে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য বহির্বিশ্বের সঙ্গে তাদের আমদানি-রফতানির জন্য পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা বন্দরের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে; কিন্তু বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বন্দরের চেয়ে কলকাতা বন্দর উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য থেকে ১৫০০ কিলোমিটারের অধিক দূরত্বে অবস্থিত এবং সংযোগ পথও খুবই সংকীর্ণ ও দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল। ফলে কার্যত উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য ভূমি বেষ্টিত বা খধহফ ষড়পশবফ হয়ে পড়ে। যে চট্টগ্রাম বন্দর ছিল উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যের স্বাভাবিক গন্তব্য (Natural destination) এবং যে বাংলাদেশ ছিল এই রাজ্যগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগী (Economic partner), ভারতের শাসকরা সুচিন্তিত নীতিমালা, সুপরিকল্পিত কৌশল ও সাম্প্রদায়িক প্রচারণার মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের এই সাতটি রাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বিভাজনের জন্য কেবল সব ধরনের ব্যবস্থাই গ্রহণ করেনি; বরং এই বিভাজনকে স্থায়ীরূপ দেয়ার জন্য নিত্যনতুন কৌশল উদ্ভাবন এবং প্রয়োগও করেছে। বিশেষ করে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য ও বাংলাদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক যোগাযোগকে বিচ্ছিন্ন করার জন্য তাদের গৃহীত বিভিন্ন কর্মপন্থার কয়েকটি চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স ও ত্রিপুরা চেম্বার অব কমার্সের যৌথ সমীক্ষায় (Enhancing the Trade and Investment between Bangladesh and Northeast India) উদ্ধৃত করা হয়েছে। এখানে অবশ্য উল্লেখ্য, তত্কালীন পাকিস্তানি শাসকদের প্রত্যক্ষ প্ররোচনায় বাংলাদেশ (তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তান) সীমান্তের এ পাশ থেকেও ভারতীয় শাসকদের ঔপনিবেশিক নীতির পরিপূরক নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ফলে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য ও বাংলাদেশের বৃহত্তর জনসমষ্টি অর্থনৈতিক বিভাজনের শিকার হয়ে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
আমরা জানি, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের স্থিতি অনুযায়ী বাংলাদেশে ভারতের তিন বিলিয়ন ইউএস ডলারের অধিক রফতানির বিপরীতে ভারত বাংলাদেশ থেকে আমদানি করে মাত্র তিনশ’ মিলিয়ন ইউএস ডলারের দ্রব্যসামগ্রী—অর্থাত্ বাংলাদেশে ভারতের প্রতি ১০০ টাকা রফতানির বিপরীতে তারা আমাদের দেশ থেকে আমদানি করে মাত্র ১০ টাকার পণ্যসামগ্রী। পূর্বোল্লিখিত চট্টগ্রাম ও ত্রিপুরা চেম্বারের যৌথ সমীক্ষায় আরও অস্বাভাবিক যে বিষয়টি আমাদের গোচরে এসেছে তা হলো উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য, যেগুলো অর্থনৈতিক মানদণ্ডে বাংলাদেশের চেয়ে অনগ্রসর, যে রাজ্যগুলো বাংলাদেশের Natural Hinterland হিসেবে পরিগণিত হয় সেই সাত রাজ্যের সঙ্গেও বাংলাদেশের বাণিজ্য শুধু নগণ্যই নয়; বাণিজ্যের স্থিতিও বাংলাদেশের পাঁচ/ছয় গুণ প্রতিকূলে—অর্থাত্ বাংলাদেশের ১ টাকার সামগ্রী রফতানির পরিবর্তে ‘সাতরাজ্য’ থেকে বাংলাদেশে আসে ৬ টাকার পণ্য। এই তথ্য পরিসংখ্যান থেকে এ বিষয়টি স্পষ্ট যে, ভারতীয় নীতি-নির্ধারকরা বাংলাদেশকে শুধু ঔপনিবেশিক বাজারের মতোই গণ্য করে না, বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যের ভৌগোলিকভাবে যে অর্থনৈতিক সংযোগ ব্রিটিশ শাসনের কাল থেকে বিদ্যমান ছিল তাকে সুকৌশলে বিচ্ছিন্ন করেছে, যাতে এই রাজ্যগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংযোগটা (Economic Integration) কোনোক্রমেই নিবিড় না হয়। বলাবাহুল্য, ভারতীয় নীতি-নির্ধারকদের এই দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশের স্বাধীনতা উত্তরকালেও বহাল ছিল এবং আজও আছে। চট্টগ্রাম ও ত্রিপুরা চেম্বারের যৌথ সমীক্ষায় উল্লিখিত অনেক উদাহরণ থেকে মাত্র একটি উল্লেখ করলেই এই বক্তব্যের যৌক্তিকতা প্রতিপন্ন হবে। বাংলাদেশ থেকে আমদানির জন্য উত্তর-পূর্ব ভারতের সাত রাজ্যের আমদানিকারকদের L/C Margin দিতে হয় ২০, ৫০ এমনকি ১০০ পার্সেন্টও নয়; বরং ১১০% এবং ভারতীয় আমদানিকারকদের উরত্বপঃড়ত্ এবহবত্ধষ ড়ভ ঋড়ত্বরমহ ঞত্ধফব ঙভভরপব থেকে Import-export Code Number সংগ্রহ করতে হয়। গৌহাটি ও শিলংয়ে সমগ্র উত্তর-পূর্ব ভারতের জন্য এ রকম দুটি অফিস থাকলেও বাংলাদেশ সংলগ্ন ত্রিপুরা রাজ্যকে এই অফিসগুলোর আওতার বাইরে রাখা হয়েছে। এই রাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্যের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় এই রাজ্যের আমদানিকারকদের DGFT-এর কলকাতা অফিসের অধীনে রাখা হয়েছে যাতে ত্রিপুরার আমদানিকারকরা বাংলাদেশ থেকে আমদানির ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়ে নিরুত্সাহিত (Discouraged) হয়।
বাংলাদেশের সঙ্গে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতরাজ্যের সহজাত অর্থনৈতিক সম্পর্ক বাধাগ্রস্ত করার এই ভারতীয় নীতির অর্থনৈতিক মাশুল গুনছে এই রাজ্যগুলোর সাধারণ জনগণ এবং পরোক্ষভাবে বাংলাদেশও। তবে এত কিছুর পরও নিছক ভৌগোলিক কারণে উত্তর-পূর্ব ভারতের অর্থনীতিকে ভারতের মূল অর্থনীতির সঙ্গে দৃঢ়ভাবে সংযুক্ত করা সম্ভব হয়নি। আর তাই ভারতের প্রয়োজন বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে একটি করিডোর কিংবা ট্রানজিটের ব্যবস্থা। বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ট্রানজিট সুবিধা অর্জনের জন্য ভারত জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে চক্রান্তের জাল বিস্তার করেছে। এশিয়ান হাইওয়ের রুট ভারতের পশ্চিমাঞ্চল থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে যাতে মিয়ানমারে যেতে না পারে সে জন্য ভারত রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির মাধ্যমে মিয়ানমারকে দিয়ে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করিয়েছে। ফলে এশিয়ান হাইওয়ের রুট নির্ধারিত হয়েছে ভারতের পশ্চিমাঞ্চল থেকে বাংলাদেশের বেনাপোল হয়ে সিলেটের তামাবিল পয়েন্ট দিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতের দুর্গম পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে মিয়ানমারকে সংযুক্ত করার মাধ্যমে। এর ফলে এশিয়ান হাইওয়ে থেকে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক রাজধানী চট্টগ্রাম বাদ পড়লেও ভারতের পশ্চিমাঞ্চল ও উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতরাজ্যকে যুক্ত করার ভারতের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত করার পথ উন্মুক্ত হয়েছে। আর আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব Regional Connectivity’র দোহাই দিয়ে এই প্রস্তাবে সায় দিয়েছে। কিন্তু Regional Connectivity’র এই যুক্তি যে নিছক ভাঁওতাবাজি তার প্রমাণ মিলেছে যখন চীনের মধ্যস্থতায় মিয়ানমারের মধ্য দিয়ে চীনের কুনমিং থেকে চট্টগ্রাম হয়ে কলকাতাকে সংযুক্ত করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে তাতে ভারত ঘোরতর রকমের আপত্তি জানিয়েছে।
উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যকে সমুদ্রপথে ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে সংযুক্ত করার জন্য ভারত চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে, যার মাধ্যমে বাংলাদেশকে হাজার কোটি ডলারের আয়ের লোভও দেখানো হয়েছে। কিন্তু ভারতকে চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করতে দিয়ে হাজার কোটি টাকা সার্ভিস চার্জস্বরূপ আয়ের স্বপ্ন যারা দেখেছিলেন তাদের আশার গুড়ে বালি ছিটানো হয়েছে ১০ জানুয়ারি ২০১০ নয়াদিল্লিতে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ-ভারত সমঝোতা চুক্তির মাধ্যমে। ভারতকে এশিয়ান হাইওয়ের নামে ট্রানজিট সুবিধা আগেই দেয়া হয়েছে, আর ১০ জানুয়ারির চুক্তির মাধ্যমে ভারতকে বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে বস্তুত করিডোর দেয়া হয়েছে। ভারতের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ নদীবন্দরকে পোর্ট-অব-কল নির্ধারণ করা হয়েছে। বন্দর হিসেবে আশুগঞ্জের উন্নয়নের জন্য এবং আশুগঞ্জকে মাত্র পঞ্চাশ কিলোমিটার দূরবর্তী ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য সংযোগপথ নির্মাণের বিশেষ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। ভারতীয় জাহাজ মেঘনা নদী হয়ে আশুগঞ্জে ভিড়বে, সেখান থেকে কন্টেইনার ভর্তি পণ্যসামগ্রী সংযোগ সড়কের মাধ্যমে ত্রিপুরা সীমান্তে পৌঁছে দেয়া হবে। আবার উত্তর-পূর্ব ভারতের পণ্যসামগ্রী আশুগঞ্জ বন্দর থেকে কলকাতা বন্দর হয়ে বহির্বিশ্বে এবং ভারতের পশ্চিমাঞ্চলে পৌঁছে দেয়া হবে। আশুগঞ্জ ও কলকাতা বন্দরের মধ্যে একটি ফিডার সার্ভিসের মাধ্যমে উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্য শুধু ভারতের পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গেই যুক্ত হবে না বরং সারা বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হবে। সারা পথে বাংলাদেশের নিরাপত্তা বাহিনী ও কাস্টমসের সংশ্লিষ্টতা থাকবেই না কিংবা থাকলেও তা হবে খুব সামান্য। এতদিন উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যকে আমরা খধহফ ষড়পশবফ ভূখণ্ড হিসেবেই জানতাম, ১০ জানুয়ারি ২০১০ চুক্তির মাধ্যমে সেই ভূখণ্ডটি এখন বহির্বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত হবে। চট্টগ্রাম বন্দরের ওপর উত্তর-পূর্ব ভারতের সাতটি রাজ্যের নির্ভরতা আর থাকবে না। ভারত বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর ব্যবহার করবে না। অতএব চট্টগ্রাম বন্দরের সেবা (Service) বিক্রি করে ভারতের কাছ থেকে হাজার কোটি টাকা আয়ের স্বপ্ন যারা দেখেছিলেন তাদের স্বপ্ন স্বপ্নই থেকে যাবে বলে আমি আশঙ্কা করছি। আর ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে বাংলাদেশ থেকে অর্থনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করার ভারতীয় ঔপনিবেশিক পরিকল্পনাও পাকাপোক্ত হবে। ফলে ভারতের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি ভবিষ্যতে কমার পরিবর্তে বরং আরও আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাবে।
লেখক : চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি বিভাগের প্রফেসর ও সাবেক চেয়ারম্যান
E-mail:abulkalamazad1952@yahoo.com
Source : Amardesh
%d bloggers like this: