• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 314,649 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

আল-কোরআনের আলোকে মানবজীবন (কৃষি বিজ্ঞান)

মহান আল্লাহ সকল প্রাণীর খাদ্যের ব্যবস্থা করে থাকেনঃ

আমি তোমাদের জন্য জীবিকার ব্যবস্থা করেছি । আর তোমরা যাদের জীবিকাদাতা নয় তাদের জন্যও। আমার নিকট প্রত্যেক বস্তুর ভান্ডার এবং তা আমি প্রয়োজরন মোতাবেক সরবরাহ করি । (হিজরঃ ২০-২১)

খাদ্যের উৎসঃ
জীবিকার উৎস আকাশ ও পৃথিবী । গাছপালা আকাশ থেকে গ্রহণ করে কার্বন, হাইড্রোজেন, অক্সিজেন, সূর্যের অলো আর মাটি থেকে গ্রহণ করে, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, সালফার, ম্যাঙ্গানিজ প্রভৃতি ।

তিনি তোমাদেরকে আকাশ ও পৃথিবী থেকে জীবিকা করেন । (নমলঃ ৬৩)

আল্লাহ ব্যাতীত কোন স্রষ্টা আছে কি ? যিনি তোমাদেরকে আকাশ ও পৃথিবী থেকে জীবিকা দান করেন । (ফাতেরঃ ৩)

খাদ্যেৎপাদন গবেষণা সাপেক্ষঃ

তিনি চার দিনে পৃথিবীতে ব্যবস্থা করেছেন খাদ্যের সমানভাবে সকলের জন্য যারা এ নিয়ে অনুসন্ধান করেন । (হামীম সাজদাঃ ১০)

আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে যাতে প্রত্যেক ব্যক্তি তার সাধ্যানুপাতে ফল লাভ করতে পারে। (জামিয়াঃ ২২)

আল্লাহ কিভাবে খাদ্য উৎপাদন করেনঃ

তিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে তদ্বারা তোমাদের জীবিকার জন্য উৎপাদন করেন ফল-মূলাদি। (বাকারাঃ ২২)

তিনি আকাশ থেকে বৃষ্টি বর্ষণ করে তদ্বারা উদগত করেন সর্বপ্রকারের উদ্ভিদের চারা অতঃপর তা থেকে উৎপন্ন করেন সবুজ পাতা। পরে তা থেকে উৎপন্ন করেন ঘন সন্নিবিষ্ট শস্যদানা। (আন-আমঃ ৯৯)

তিনি আল্লাহ যিনি বায়ু প্রবাহিত করেন। ফলে তা মেঘগুলোকে সঞ্চারিত করে। অতঃপর একে আল্লাহর যেমন ইচ্ছা আকাশে ছড়িয়ে দেন। পরে একে খনড-বিখন্ড করেন এবং তুম দেখতে পাও এথেকে নির্গত হয় বারিধারা। অতঃপর যখন তিনিি নিজ বান্দাদের মধ্যে যার প্রতি ইচ্ছা পৌছে দেন। তখন তারা আনন্দ করতে থাকে। (রূমঃ ৪৮)

বৃষ্টি মাটির দোষ-ত্র“টি সংশোধন করেঃ

বৃষ্টিপাত মাটিতে সৃষ্ট আবর্জনা (দোষ-ত্র“টি) ধুয়ে মুছে নিয়ে যায়। আর যা কিছু মানুষের জন্য কল্যাণকর তা ভূ-পৃষ্ঠে থেকে যায়। (রাদঃ ১৭)

মিষ্টি পানি নিয়ে গবেষনাঃ

তোমরা যে পানি পান কর সে সম্বন্ধে কখনও চিন্তা-ভাবনা করে দেখেছ কি? তোমরা একে মেঘ থেকে নামিয়ে আন না আমি আনি? আমি ইচ্ছা করলে তা লবনাক্তও করতে পারি। এরপরেও কি তোমরা শোকর আদায় করবেনা? (ওয়াকিয়াঃ ৬৮-৭০)

বিদ্যুৎ নিয়ে গবেষণাঃ
বিজ্ঞানীদের গবেষনায় প্রমাণিত হয়েছে যে, আকাশে বিদ্যুৎ চমকের মাধ্যমে বায়ুমন্ডলের নাইট্রোজেন গ্যাস নাইট্রেেেট পরিণত হয় এবং তা বৃষ্টির মাধ্যমে মাটিতে আসে। আর এ নাইট্রেট হচ্ছে উদ্ভিদ জগতের প্রধান খাদ্য। আজকের বিশ্বে বিদ্যুৎ হচ্ছে উন্নয়নের মুল চাবিকাঠি যা পানি থেকে উৎপাদন হচ্ছে।

তিনি তোমাদেরকে বিদ্যুৎ প্রদর্শন করেন, যাতে আশংকা, আশা উভয়ই থাকে। (রাদঃ ১২)

বীজ নিয়ে গবেষনাঃ
বায়ু ও পনির সংস্পর্শে বীজ কিভাবে অঙ্কুরিত হয় সে ব্যাপারে ব্যাপক গবেষনা প্রয়োজন।

তোমরা যে বীজ বপন কর, সে সম্পর্কে চিন্তা-গবেষনা করেছ কি? তোমরা কি একে অঙ্কুরিত করনা আমি অঙ্কুরিত করি। (ওয়াকিয়াঃ ৬৩-৬৪)

বিচিত্র ধরনের ফল ও বৈসাদৃশ্য নিয়ে গবেষনাঃ
ফলের বিভিন্নতার সূত্র ধরে জন্ম নিয়েছে আজকের জেনেটিক্স বিজ্ঞান, যার ফলে উদ্ভাবিত হয়েছে উন্নত ও অধিক ফলনযুক্ত ফল।
বাগানের প্রতিটি গাছে সিঞ্চিত করা হয় একই পানি অথচ গুনের ও স্বাদের দিক দিয়ে এদের কতককে অন্য কতকের উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। বুদ্ধিমান লোকদের জন্য এতে নিদর্শন রয়েছে। (রাদঃ ৪)

 

%d bloggers like this: