• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 316,974 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

More convincing video of Jerusalem UFO comes to light

Source : Pakalert Press

Wake Up BD & Pakalert Press reported on an incredible UFO sighting along with accompanying video clip. The event occurred in Jerusalem at 1am on the Saturday morning. A UFO descended to the level of the Dome of the Rock/Temple Mount before zooming off skywards. Since we broke the story the Internet has buzzed with talk abut this sighting. Unconfirmed reports of other witnesses have surfaced, along with a third clip of the event that many believe is a hoax and a parody.
Now a fourth video of the event has surfaced. This video was supposedly taken by a group of Israelis visiting the Old City of Jerusalem.
The shown footage in this latest clip appears more substantially more convincing than the other clips.

Unknown Light Object Landed and Tookoff in Jerusalem, Israel

Source : Pakalert Press

Recent UFO video of strange unknown light in the sky over Jerusalem in Israel. This video was recorded on Friday, 28th January 2011 around 1 am.

Witness report: This morning around 01:00 AM at the promenade of Armon Hantziv in Jerusalm, i was witness(with another guy), an amazing ufo aircraft over Jerusalem old city (mount Moriah) Dome of the Rock,Temple Mount, (قبة الصخرة, הר הבית).
What is the meaning of this sighting ???

চীন-ভারত সীমান্ত বিরোধ

Source : সাপ্তাহিক ২০০০

শফিকুর রহমান

শস্যের চেয়ে আগাছা বেশি হওয়ার মতো অবস্থা। সংখ্যার প্রশ্নে সাধারণ মানুষের চেয়ে সেনা সদস্যই বেশি। যে কারণে পর্যটকদের খুব বেশি আনাগোনা নেই, অথচ হিমালয়ের দক্ষিণ-পূর্ব পার্শ্বদেশে অবস্থিত তাওয়াং উপত্যকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য কাশ্মীরের কাছাকাছি। ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য অরুণাচলের অন্তর্ভুক্ত তাওয়াং জেলার সামরিক গুরুত্ব অসীম বলেই পর্যটন ব্যবস্থার উন্নয়নে কর্তৃপক্ষ মনোযোগী নয়। অরুণাচল প্রদেশে নিযুক্ত সেনা সদস্যের সংখ্যা এক লাখেরও বেশি। এর প্রায় অর্ধেকই দায়িত্ব পালন করে তাওয়াং সীমান্তে।

কারণ, ওপারে চীনের তিব্বত। ১৯৬২ সালের মতো ভুল আর করতে চায় না ভারত। সেজন্য সেনাবাহিনী সদাপ্রস্তুত। একটু এদিক-ওদিক হলেই লেগে যাবে তুমুল যুদ্ধ। ভারত-চীন কেউই ছাড় দেবে না বিন্দুমাত্র।
অরুণাচলের তিন কোর আর্মিও যেন পর্যাপ্ত নয়। প্রতিবেশী আসামে রিজার্ভ রয়েছে আরো এক কোর। খবর পাওয়া মাত্রই ছুটে যাবে তারা। ১৯৬২ সালের ভারত-চীন যুদ্ধে ভারত সৈন্য জড়ো করতে করতেই খেল খতম হয়ে গিয়েছিল। অরুণাচলসহ কাশ্মীরের কিয়দংশ দখল করে নিয়েছিল চীন। নিহত হয়েছিল ভারতের তিন হাজার সৈন্য। তাদের সম্মান জানাতে তাওয়াং ডিস্ট্রিক্ট হেডকোয়ার্টার্সের পাশেই নির্মিত হয়েছে বৌদ্ধ স্টাইলের একটি স্মৃতিমন্দির। উর্দি পরিহিতরা এর পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় স্যালুট দিতে ভোলে না। তাওয়াং সীমান্তে দায়িত্বরত কর্নেল অর্জুন সিং এ ব্যাপারে বলছিলেন, ‘আমাদের পূর্বসূরিরা চেষ্টা সত্ত্বেও পেরে ওঠেনি চীনের সঙ্গে, কিন্তু আমরা পারব। চীনকে সমুচিত জবাব দিতে আমরা সবসময়ই তৈরি।’
তাওয়াংয়ে চীনের দুই সপ্তাহ দখলদারিত্বের প্রসঙ্গ উঠলে স্থানীয় অধিবাসীরা সরব থাকতে ভালবাসেন। পাওয়া যায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া। ৬০ বছর বয়স্ক টমেটো চাষি মেম নানসি’র কথাতেই তা পরিষ্কার বোঝা যায়, ‘সেই বছর গম কাটার মওসুমে ঢুকে পড়েছিল চীনা বাহিনী। আকৃতিতে ছোট হলেও তারা আমাদের অনেক সাহায্য করেছিল, এমনকি কেটে দিয়েছিল ফসল। তাই বলে তারা চলে যাওয়াতে আমরা দুঃখ পাইনি।’ রাজধানী থেকে ১৫০০ কিলোমিটার দূরে থাকলেও দিল্লির প্রতি মেম নানসির আনুগত্যে কমতি নেই, ‘অরুণাচল অন্যান্য প্রদেশের তুলনায় পিছিয়ে আছে সত্য, তারপরও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি ভারতের সঙ্গে থাকতে। প্রতিবেশীদের কেউ কেউ অবশ্য আমার সঙ্গে একমত নয়। তারা হয় চীনের সঙ্গে মিশে যাওয়ার পক্ষপাতী, নয় গঠন করতে চায় স্বাধীন রাষ্ট্র।’
বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৪০ শতাংশেরই বসবাস চীন ও ভারতে। শত কোটিরও বেশি লোকের দেশ এই দুটি ছাড়া পৃথিবীতে আর একটিও নেই, এমনকি কেউ অর্ধশত কোটিও ছুঁতে পারেনি। অথচ চীন ও ভারত এখন পর্যন্ত একে অপরের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ও ভূমিকা সুনির্দিষ্ট করতে পারেনি বা ইচ্ছা করেই করছে না। ১৯৭৬ সালে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপিত হলেও এখন পর্যন্ত শীতলতা কাটেনি, যদিও হালে সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ চলছে। মূল সমস্যাÑ চীনের আগ্রাসী আচরণ। ভারত অভিমুখী সীমান্তকে আরো সম্প্রসারণের জন্য তারা উন্মুখ। তদুপরি পারস্পরিক সম্পর্কের কিছু ক্ষেত্রে উন্নতি চোখে পড়ছে, বিশেষত দ্বিপাক্ষীয় বাণিজ্যে। ১৯৯০ সালে দুই দেশের মাঝে ব্যবসা হয়েছিল ২৭০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের। ২০১০ সালে তা ৬০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অতিক্রম করে। বিশ্বের সবচেয়ে দ্রুত বর্ধিষ্ণু অর্থনীতির এই দেশ দুটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার হাতও প্রসারিত করেছে। উদাহরণস্বরূপ, আফ্রিকার তেল সরবরাহের জন্য তারা এখন যুগ্মভাবে বিড করছে। অর্থনৈতিক ভিত্তি মজবুত হওয়ার ক্ষেত্রে দুই দেশের সাফল্য দুই দিকে। ম্যানুফ্যাকচারিংয়ে বিস্ময়কর সাফল্য দেখাচ্ছে চীন। অন্যদিকে সেবা খাতে ভারতের উত্থান চোখে পড়ার মতো। এসব বিবেচনা করে অনেকেই আরো দৃঢ় সহযোগিতার দাবি করছে। এমনকি মাঝেমধ্যেই আলোচনায় আসছে ‘চিন্ডিয়া’ নামক দর্শন। আন্তর্জাতিক অনেক ইস্যুতেও শোনা যায় দুই দেশের ঐক্যের সুর। জলবায়ু-পরিবর্তন নীতি এবং বিশ্ব বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ভারত ও চীন একাট্টা।

নেতাদের কণ্ঠও নরম হতে শুরু করেছে। ২০১০ সালের শুরুতে ভারতকে স্বীকৃতি দেওয়ার ৬০তম বার্ষিকীটি চীন পালন করে জাঁকজমকের সঙ্গে। আর সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তিনি উচ্চারণ করেন, ‘চীন ও ভারত প্রতিযোগী নয়। অর্থনৈতিক সাফল্য দেখানোর জন্য দুই দেশের আলাদা সুযোগ রয়েছে।’ চীনা প্রেসিডেন্ট হু জিনতাও বলেছিলেন, ‘একে অপরের পেছনে না ছুটে আমাদের মনোযোগী হওয়া উচিত এই অঞ্চলের দারিদ্র্য নিরসনের প্রতি। বছরের শেষদিকে চীনা প্রধানমন্ত্রী ওয়েন জিয়াবাও ভারত সফরে এসে একাধিক বাণিজ্যচুক্তি করলেও সুকৌশলে এড়িয়ে যান বিতর্কিত বিষয়গুলো।
সহযোগিতার লম্বা তালিকা সত্ত্বেও এ কথা বলা যাবে না যে, দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসছে। অন্তরে রয়ে গেছে পুরনো শত্রুতা। পারমাণবিক শক্তিধর এই দেশ দুটি সুযোগ পেলেই একে অন্যকে কথার আক্রমণ করে। পানি নিয়েও শত্রুতা শুরু হয়ে গেছে। উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি নদীর উৎসস্থল চীনের তিব্বত। চীন সম্প্রতি ঘোষণা করেছে, ব্রহ্মপুত্রের ওপর বাঁধ নির্মাণ করছে তারা। পানি সরিয়ে নিয়ে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়াই এই বাঁধের উদ্দেশ্য। ভারত প্রতিবাদ করছে সত্য, কিন্তু জানে যে এতে কোনো লাভ হবে না। প্রতিবেশী ক্ষুদ্র রাষ্ট্র বাংলাদেশের সঙ্গে ভারত পানি নিয়ে যে রকম আচরণ করছে, ঠিক একই রকম আচরণ করছে চীন ভারতের সঙ্গে।
মূল্যের বিচারে চীনে ভারতের ৭০ শতাংশ রপ্তানিই হলো কাঁচামাল। চীনের সঙ্গে ভারতের ঔপনিবেশিক ধাঁচের বাণিজ্যিক সম্পর্ক এখনো টিকে আছে। চীন ভারত থেকে সস্তায় আকরিক লোহা কিনে নিয়ে তৈরি সামগ্রী আবার রপ্তানি করে ভারতের কাছে। ভারতের ব্যবসায়ীরা এ নিয়ে মোটেও সন্তুষ্ট নন। ৬০ বছর বয়সী ব্যবসায়ী অভিষেক ঝুনঝুনওয়ালা বলছিলেন, ‘আমরা প্লাস্টিক দানা রপ্তানি করি চীনে, তারপর সেগুলোই আবার আমদানি করি বালতি আকারে। প্লাস্টিক দানা রপ্তানি না করে সেগুলো দিয়ে বালতি তৈরি করলেই হয়। এতে লাভটা আমাদেরই হবে।’ চীন-ভারতের বাণিজ্যিক ভারসাম্য অনেকটাই চীনের দিকে হেলে রয়েছে।
ভারত ও চীনের সব সমস্যার মূল হচ্ছে সীমান্ত। এই দুই দেশের সীমান্ত-দৈর্ঘ্য প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার। চীনা আক্রমণের প্রায় ৫০ বছর পরও সীমান্তের অনেক স্থান এখন পর্যন্ত অচিহ্নিত। সেগুলো নিয়ে ছোটখাটো বিবাদ লেগেই রয়েছে। সীমান্ত নিয়ে সমস্যাটা মূলত দ্বিমুখী। ভারতের লাদাখ অঞ্চলের যে অংশটুকু দখল করে রেখেছে চীন, তার আয়তন সুইজারল্যান্ডের প্রায় সমান। পূর্বাংশে এর তিনগুণ বেশি অঞ্চল দাবি করে আসছে চীন। প্রায় পুরো অরুণাচল প্রদেশে এর অন্তর্ভুক্ত। এই ৮৯০ কিলোমিটার সীমান্ত নিয়ে ব্রিটেন ও তিব্বত সমাধানে পৌঁছেছিল ১৯১৪ সালে। ব্রিটিশ-শাসিত ভারতের সেক্রেটারি স্যার হেনরি ম্যাকমোহন এই রেখার স্রষ্টা বলে পরবর্তীতে তার নামানুসারেই নামকরণ হয়েছিল ম্যাকমোহন লাইন। এই রেখার দক্ষিণে হওয়া সত্ত্বেও তাওয়াংয়ের ব্যাপারে চীন নিজেদের বঞ্চিত মনে করে। ভারতীয় বাহিনী এ অঞ্চলটি দখলে নেয় ১৯৫১ সালে। এর কিছুদিন আগে তিব্বতে সেনা প্রেরণ করে চীন। উঁচু পর্বত ও উপত্যকা যুক্ত তাওয়াং জেলার আয়তন প্রায় ২০ হাজার বর্গকিলোমিটার, লোকসংখ্যা ৪০ হাজার। সপ্তদশ শতাব্দীতে ষষ্ঠ দালাই লামা জন্ম নিয়েছিলেন এখানে। তাওয়াং বৌদ্ধ ধর্মীয় সংস্কৃতির একটি কেন্দ্র। রাজধানী লাসার বাইরে সর্ববৃহৎ তিব্বত মঠগুলোর একটি এখানে অবস্থিত। এখানকার ‘মোনপা’ আদিবাসীরা ঐতিহ্যগতভাবেই তিব্বতের শাসকদের প্রতি অনুগত। ৮০ বছরের বৃদ্ধ কৃষক হাকারি কিনসে স্মৃতিচারণ করছিলেন, ‘তিব্বতিরা আমাদের এখানে এলেও ওরা সবসময়ই নিজেদের স্বার্থের কথা ভাবত। ১৯৪০-এর দশকের শেষ দিকেও তিব্বতি কর্মচারীরা উৎপাদিত ফসলের একটা অংশ আদায় করত।
মোটা নিবের সাহায্যে ম্যাকমোহন লাইন অঙ্কিত হয়েছিল বলে ১০ কিলোমিটার অঞ্চলে ধরা পড়েছিল মারাত্মক ভুল। পরবর্তী সময়ে যা আর শোধরানো হয়নি। ভারতের উত্তরাখ- সীমান্তেও রয়ে গেছে একই অবস্থা। উত্তরাখ–তিব্বত সীমান্তে এমন অনেক জায়গা রয়েছে, যেখানে দুপক্ষের কেউই বলতে পারে না যে, সীমান্তটি ঠিক কোন জায়গায় হওয়া উচিত। তবুও অনেক দিন ধরে নীরব রয়েছে ভারত-চীন সীমান্ত। ১৯৮৬ সালে ভারত তাওয়াং সীমান্তে ২ লাখ সেনা সদস্য জড়ো করলেও শেষ পর্যন্ত আর কাজে লাগানোর প্রয়োজন পড়েনি। বস্তুত ১৯৬৭ সালের পর থেকে এই সীমান্তে গুলি বিনিময়ের নিশ্চিত কোনো খবর পাওয়া যায়নি। তবে হুমকি-ধমকি বন্ধ হয়নি।

ভারত ও চীনের সীমান্ত সমস্যা মিটিয়ে ফেলার জন্য বৈঠকের কোনো কমতি নেই, তবে কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। অরুণাচল প্রদেশকে দক্ষিণ তিব্বত দাবি করেই ক্ষান্ত হয়নি চীন, কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিতে সম্প্রতি অরুণাচল ও কাশ্মীরের লোকজনের জন্য চালু করেছে বিশেষ ভিসা। কিছুদিন আগে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ভারতকে ৬০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার আগে চীন তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল। তাদের যুক্তি ছিল, ভারত এই অর্থের একটা বড় অংশ অরুণাচলের সেচ প্রকল্পে কাজে লাগাবে। ২০০৯ সালে সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে মনমোহন সিংয়ের তাওয়াং সফরকে চীন উল্লেখ করেছিল উস্কানিমূলক ও বিপজ্জনক হিসাবে।
ভারতের প্রতিবেশী অন্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি চীন এখন অধিক মনোযোগী, করছে বিশাল বিনিয়োগ। পাকিস্তান ও বাংলাদেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে; নেপালে নির্মাণ করছে রাস্তাঘাট; মিয়ানমারে বসাচ্ছে তেল ও গ্যাস পাইপলাইন। ভারতের মূল শত্রু পাকিস্তানে দুটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপন করতে রাজি হয় ২০০৮ সালে। এতে চিন্তায় পড়ে যায় আমেরিকা। ইটের বদলে পাটকেলের মতোই আমেরিকা তড়িঘড়ি করে পারমাণবিক চুক্তি সম্পাদন করে ভারতের সঙ্গে। ফাইটার জেট ও গাইডেড-মিসাইল ফ্রিগেট সরবরাহ ছাড়াও চীন পাকিস্তানের সর্বোচ্চ মিলিটারি হার্ডওয়্যার সরবরাহক। চীন ও পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতা দেখে জ্বলে-পুড়ে মরে ভারত। রাশিয়ার কাছ থেকে আগের মতো সাহায্য-সহযোগিতা পাওয়া যায় না বলে বাধ্য হয়েই ভারত ঝুঁকেছে আমেরিকার দিকে।

চীন-ভারত সুসম্পর্কের আরেকটি অন্তরায় হলো তিব্বত। তিব্বতের নির্বাসিত আধ্যাত্মিক নেতা দালাই লামা ১৯৫৯ সাল থেকেই আছেন ভারতে। তিব্বতে বিচ্ছিন্নতাবাদী উস্কে দেওয়ার জন্য ভারতকে দায়ী করে আসছে চীন। তিব্বতের বাইরে দালাই লামার প্রিয় স্থান হচ্ছে তাওয়াং। এখানে পুনর্জন্ম নেয়ারও ইচ্ছা পোষণ করেছেন তিনি। ১৯৬২ সালের যুদ্ধে অংশ নেয়া ভারতীয় জেনারেল ভি আর রাঘবন বলেছেন, ‘বস্তুত দালাই লামার জীবদ্দশাতে সীমান্ত সমস্যার কোনো সুরাহা হবে না। শুনতে খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু এটিই সত্য।’ ৭৫ বছর বয়স্ক, নোবেলজয়ী দালাই লামা এ পর্যন্ত দশবার গেছেন তাওয়াংয়ে, আর প্রতিবারই আপত্তি জানায় চীন। ভারতের বক্তব্য থাকে তিনি আমাদের মেহমান, তার সঙ্গে আমরা খারাপ ব্যবহার করতে পারি না।
চীনাদের অধিকাংশই ভারতকে নোংরা এবং তৃতীয় শ্রেণীর এক দেশ মনে করে। সম্প্রতি বিবিসি পরিচালিত একটি জরিপে চীনের শতকরা ৪৭ জনই ভারত সম্পর্কে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে। অন্যদিকে ভারতে চীন-বিরোধী মতামত ব্যক্ত করেছে ৩৮ শতাংশ লোক। দিল্লির সেন্টার ফর দ্য স্টাডি অব ডেভেলপিং স্টাডিজের সমাজবিজ্ঞানী প্যাট্রিসিয়া উবেরয় জানিয়েছেন, উপমহাদেশের রক্তক্ষয়ী বিভক্তি নিয়ে ভারতে অনেক সিনেমা নির্মিত হয়েছে এ পর্যন্ত। ইন্দো-পাকিস্তানি প্রেমকাহিনী দেখতে দর্শকরা হুমড়ি খেয়ে পড়ে সিনেমা হলগুলোতে। কিন্তু ১৯৬২ সালের যুদ্ধ নিয়ে নির্মিত হয়েছে কেবল ‘হাকিকাত’ সিনেমাটি। তাও আবার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায়। ভারতীয়রা হেরে যাওয়া কাহিনী দেখতে মোটেই পছন্দ করেন না।

বিদেশি পত্রিকা অবলম্বনে

%d bloggers like this: