• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 295,685 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

আল্লাহ তায়ালার পাকড়াও থেকে নিশ্চিন্ত হওয়া উচিত নয়

আল্লাহ তায়ালার বাণী,“তারা কি আল্লাহর পাকড়াও থেকে বাঁচার ব্যাপারে নিশ্চিন্ত [নির্ভয়] হয়ে গেছে? বস্তুতঃ আল্লাহর পাকড়াও থেকে বাঁচার ব্যাপারে একমাত্র ক্ষতিগ্রস্ত ছাড়া অন্য কেউ ভয়হীন হতে পারে না”।(সূরা আল-আরাফঃ৯৯)

আল্লাহ তায়ালা আরো বলেন, “একমাত্র পথভ্রষ্ট লোকেরা ছাড়া স্বীয় রবের রহমত থেকে আর কে নিরাশ হতে পারে?” (টীকা-১ দ্রঃ) (সূরা হিজরঃ৫৬)

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণণা করেন যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কবীরা গুণাহ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জবাবে বলেছেন, ‘কবীরা গুনাহ হচ্ছে – আল্লাহর সাথে শরীক করা, আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া এবং আল্লাহ পাকের পাকড়াও থেকে নির্ভয় হওয়া”। (টীকা-২ দ্রঃ) (মুসনাদে বাজ্জার, হাদীস নং ১০৬; মাযমাউয যাওয়াহিদ,১০৪)

আবদুল্লাহ ইবন মাসিউদ রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, ‘সবচেয়ে বড় গুনাহ হল- আল্লাহর সাথে শরীক করা, আল্লাহর শাস্তি থেকে নির্ভিক হওয়া এবং আল্লাহর করুণা থেকে বঞ্চিত মনে করা’। (টীকা-৩ দ্রঃ) (মুসান্নাফ আব্দুর রাজ্জাক, ১০/৪৫৯; তাবারানীম হাদীস নং ৮৭৮৭)

এ অধ্যায় থেকে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো জানা যায়,

সূরা আরাফের ৯৯নং আয়াতের তাফসীর
সূরা হিজরের ৫৬ নং আয়াতের তাফসীর
আল্লাহর পাকড়াও থেকে নির্ভিক ব্যক্তির জন্য কঠোর শাস্তির ভয় প্রদর্শন
আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়াকে কঠোরভাবে সতর্ক করা হয়েছে

_______________________________________

ব্যাখ্যা- অত্র অধ্যায়ে দুটি আয়াতের উল্লেখ আছে এবং আয়াত দুটির পারস্পরিক সম্পর্ক অত্যন্ত দৃঢ়। প্রথমত আয়াতে বলা হয়েছে যে, মুশরিকদের স্বভাব হল যে তারা আল্লাহর শাস্তির পাকড়াও থেকে নিজেদের নিরাপদ মনে করে অর্থাৎ তারা আল্লাহর শাস্তিকে ভয় করে না। আর আল্লাহর শাস্তি থেকে নিরাপদ মনে করা, ভয় না পাওয়া ‘ভয়-ভীতির ইবাদত’ পরিহার করারই ফল। অথচ ভয় একটি গুরুত্বপূর্ণ ‘ইবাদত। আয়াতে উল্লিখিত ‘মকর’ কৌশল অবলম্বনের তাৎপর্য হল, আল্লাহ তায়ালা বান্দার জন্য যাবতীয় কাজ এমন সহজ করে দেন যে, সে এমন ধারণা করে ফেলে যে সে বর্তমানে সম্পূর্ণ নিরাপদ, তার আর কোন ভয় নেই। প্রকৃতপক্ষে এ হল আল্লাহর পক্ষ থেকে তাকে অবকাশ দেয়া। আল্লাহ মানুষকে সবকিছুই দেন, কিন্তু তার অর্থ এটা নয় যে, সে নিরাপদে রয়েছে। এ ব্যাপারে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে হাদীসে বর্ণিত হয়েছে যে, ‘যখন তোমরা দেখবে যে আল্লাহ কোন বান্দাকে অনেক নিয়ামত দিয়েছেন অথচ সে সদা পাপ কাজে লিপ্ত, তবে তোমরা জেনে রেখো যে নিশ্চয়ই আল্লাহ তাকে অবকাশ দিচ্ছেন”। আল্লাহ তায়ালা এ কৌশল অবলম্বন তাদের সাথেই করে থাকেন যারা তাঁর নবী, অলীদের ও তাঁর দ্বীনের সাথে গোপনে চক্রান্ত ও ধোঁকাবাজির আশ্রয় নেয়। এ কৌশল অবলম্বন আল্লাহর পরিপূর্ণ গুণাবলী। কেননা এ সময় তিনি স্বীয় ইজ্জত, কুদরত ও প্রভাব প্রকাশ করেন।

১- এখানে আল্লাহ পথভ্রষ্টদের স্বভাব সম্পর্কে আলোচনা করেছেন যে, তারা আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত থেকে নিরাশ ও উদাসীন। মোটকথা মুত্তাক্বীন ও হিদায়াতপ্রাপ্তদের গুণাবলী হচ্ছে যে, তারা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয় না অথচ আল্লাহ তায়ালাকে তারা ভয়ও করে। আল্লাহকে ভয় করা বান্দার অপরিহার্য কর্তব্য। আশা আকাংক্ষা এবং ভয় ভীতি এ উভয় গুণের মাধ্যমে বান্দাহ আল্লাহর ভয়-ভীতি ও আশা আকাংক্ষা থাকা বান্দার জন্যে ওয়াজিব। তবে অন্তরে ভয়-ভীতি ও আশা আকাংক্ষার মাঝে কোনটি প্রাধান্য পাবে?

শারীরিকভাবে সুস্থ পাপীর জন্য ভয়-ভীতির দিক আশা-আকাঙ্ক্ষার চেয়ে প্রাধান্য পায়, আর মৃত্যুর সম্মুখীন অসুস্থ ব্যক্তির মধ্যে আশা-আকাঙ্ক্ষার দিক প্রাধান্য পায়। তবে সঠিক ও কল্যাণের পথে ধাবমান অবস্থায় ভয়-ভীতি ও আশা-আকাঙ্ক্ষা সমপর্যায়ের হয়ে থাকে। যেমন, আল্লাহর বাণীঃ ‘তারা নেকির কাজে দ্রুতগামী এবং আমাকে তারা আশা আকাঙ্ক্ষা ও ভয়-ভীতির সাথে আহবান(ইবাদত) করে ও আমাকেই তারা ভয় করতে থাকে’। (সূরা আম্বিয়াঃ ৯০)

২- আল্লাহর ভয়-ভীতি ও আশা আকাঙ্ক্ষার ইবাদত পরিত্যাগ করা হল নিরাশ হওয়া আর আল্লাহর ভয়-ভীতির ইবাদত ত্যাগ করা হল তাঁর শাস্তি থেকে নির্ভীক হওয়া। অতএব, উভয়টি বান্দার অন্তরে একত্রিত হওয়া ওয়াজিবের অন্তর্ভুক্ত আর উভয়টি বান্দার অন্তর থেকে বিদায় হওয়া বা হ্রাস পাওয়া হল পরিপূর্ণ তাওহীদের হ্রাস পাওয়া।

৩- আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া অধিকাংশ লোকের মধ্যে বিদ্যমান। রহমত আল্লাহর নেয়ামত-অনুগ্রহসূহ অর্জন ও বিপদাপদ থেকে মুক্তি পাওয়াকে অন্তর্ভুক্ত করে। আর হাদীস বর্নিত শব্দ ‘রাওহ’ দ্বারা উদ্দেশ্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিপদাপদ থেকে মুক্তি পাওয়াই নেয়া হয়ে থাকে।

উৎসঃ কিতাবুত তাওহীদ ও এর ব্যাখ্যা – অধ্যায় ৩৩
মুহাম্মদ বিন সুলায়মান আত-তামীমী(রাহিমাহুল্লাহ)

ব্যাখ্যাকারঃ শায়খ সালেহ বিন আব্দুল আযীয বিন মুহাম্মদ বিন ইবরাহীম আলে শায়েখ
ভাষান্তরঃ মুহাম্মদ আবদুর বর আফফান, মদীনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

মূল তথ্যসূত্রঃ

http://sorolpath.files.wordpress.com/2011/08/sorol1.jpg

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: