• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 280,359 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

সত্যিই কী ঘটেছিল ২০০১ সালের এ দিনে?

http://muinebheagvsenglish.files.wordpress.com/2010/03/9-11wtc1.jpg

এর আগে এমন দৃশ্য দেখেনি বিশ্ব। দেখেনি খোদ মার্কিন জনগণও। আজ থেকে১০ বছর আগে, ঠিক এই দিনে, বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসী হামলায় কেঁপে উঠেছিল বিশ্ব মোড়ল যুক্তরাষ্ট্রের ভীত। বিমানের তীব্র ঠুকুনিতে তাসের ঘরের মতো লুটিয়ে পড়েছিল মাথা উঁচু করে থাকা টুইন টাওয়ার। আক্রান্ত হয়েছিল মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর পেন্টাগনও। আর এ ঘটনাতেই বদলে যায় বিশ্ব রাজনীতি। বিশ্বব্যাপী শুরু হয় সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ। সে যুদ্ধ আজও চলছে।
আজ ৯/১১, বিশ্ব রাজনীতিকে বদলে দেওয়া সেই ৯/১১। কী ঘটেছিল ২০০১ সালের এ দিন? সত্যিই কি আল-কায়েদা সে দিন মার্কিন শৌর্যে আঘাত হেনেছিল! নাকি সবই ছিল পাতানো, বিশ্বকে করায়ত্ত করার মার্কিন কূটকৌশলের অংশ! এ নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে অনেক যুক্তি আছে।
যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য, ওসামা বিন লাদেনের নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদাই এ হামলা চালিয়েছে। আল-কায়েদাও অবশ্য এ হামলারদায় স্বীকার করে বিবৃতি দিয়েছে। তবে সন্দেহবাদীরা যুক্তরাষ্ট্র কিংবা আল-কায়েদা কারওবক্তব্যেই আস্থা রাখতে নারাজ। তাদের যুক্তি, অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র, দুর্ভেদ্য প্রতিরক্ষাব্যূহ, সুতীক্ষ গোয়েন্দা নজরদারিকে ব্যর্থ করে দিয়ে আল-কায়েদার পক্ষে মার্কিন মুলুকে এত বড় হামলা চালানো অসম্ভব। সন্দেহবাদীরা ৯/১১-কে দেখেন বাঁকা চোখে। খুঁজে পান কুটিল ষড়যন্ত্রের গন্ধ। ৯/১১-এর ঘটনা নিয়ে এখনোঅনেকের মনে রয়েছে নানা প্রশ্ন। ঘটনার ১০ বছর পরও সে প্রশ্নের উত্তর অমীমাংসিত। এসব প্রশ্নের মধ্যে পাঁচটি সবচেয়ে আলোচিত।
২০০১ সালের এই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের চারটি বিমানছিনতাই হয়েছিল। সন্দেহবাদীরা প্রশ্ন তোলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের আছে বিশ্বেরসবচেয়ে শক্তিশালী বিমানবাহিনী। কিন্তু তারা কেন এই ছিনতাই হওয়া বিমান থামাতে ব্যর্থ হলেন?’

এ প্রশ্নের উত্তরও আছে তাদের কাছে। সন্দেহবাদীরা বলেন, তত্কালীনভাইস প্রেসিডেন্ট ডিক চেনি সামরিক বাহিনীকে নিশ্চুপ এবং বিমান না থামাতে নির্দেশ দিয়েছিলেন।
প্রশ্ন আছে, ‘মাত্র কয়েকটি ফ্লোরে আগুন ধরার পর এত দ্রুত কেন টুইনটাওয়ার ধসে পড়ল?’

এ প্রশ্নের উত্তরে সন্দেহবাদীরা বলেন, আসলে নিয়ন্ত্রিত উপায়েই টুইন টাওয়ার ধ্বংস করা হয়েছে। কারণ, ভবনে অপেক্ষাকৃত কম সময়ব্যাপী আগুন জ্বলেছিল (বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র ১-এ ১০২ মিনিট এবং বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র ২-এ ৫৬ মিনিট), অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে ভবন ধ্বংস হয়েছে এবং ধ্বংসের কিছু সময় আগে বিস্ফোরণের আওয়াজ পাওয়া গেছে।
সন্দেহবাদীরা প্রশ্ন তোলেন,‘একজন প্রশিক্ষণার্থী চালক কীভাবেএকটি বাণিজ্যিক বিমান পরিচালনা করে পেন্টাগনে হামলা চালালেন?

সন্দেহবাদীরা বলেন, ছোট বিমান ব্যবহার করে পেন্টাগনে হামলা চালানো হয়েছে এবং ওই বিমান আল-কায়েদা নয়, পেন্টাগন নিজেই তা নিয়ন্ত্রণ করেছে।
প্রশ্ন রয়েছে, ‘পেনসিলভানিয়ার সাংকসভিলে ইউএ ৯৩ বিমান বিধ্বস্তের স্থান কেন এত ছোট এবং সেখানেবিধ্বস্ত বিমানটির ধ্বংসাবশেষ কেন দেখা যায়নি?’

সন্দেহবাদী তাত্ত্বিকেরা বলেন, ইউএ ৯৩ বিমানটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ভূপাতিত করা হয়েছিল। এতে মধ্য আকাশেই বিমানটি খণ্ড-বিখণ্ড হয়ে যায়। ফলে বিমানের ধ্বংসাবশেষ বৃহত্ এলাকায় ছড়িয়ে যায়।
ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকেরা প্রশ্ন তোলেন, ‘স্টিলের তৈরি অন্য কোনো আকাশচুম্বী ভবন আগুনের কারণে ধ্বংস হয়না। কিন্তু বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র-৭ বিমান হামলায় আক্রান্ত না হয়েও কেন এত দ্রুত ভেঙে পড়ল?’

এ ঘরানার মানুষেরা বলেন,বিস্ফোরক ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে বিশ্ব বাণিজ্যকেন্দ্র-৭ ধ্বংস করা হয়েছে।

ষড়যন্ত্র তাত্ত্বিকদের এসব সন্দেহমূলক প্রশ্নের জবাব আছে পেন্টাগনের কাছে। কিন্তু এবিশ্বে এমন অনেকেই আছেন, যাঁরা পেন্টাগনের কথায় খুব কমই আস্থা রাখেন। অবশ্য পেন্টাগনও যে মিথ্যা কথা বলে, তার নজির প্রায়ই মেলে।—বিবিসি অবলম্বনে।

সূত্রঃ  *প্রতিদিনের তাজা খবর [fαcєвook vєяsίoN]*

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: