• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 277,514 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

উইকিলিকসের তথ্যঃ মন্ত্রণালয়ের ওপর আস্থা রাখেননি হাসিনা

ঢাকা, মার্চ ১৮ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতবছর ভারত সফর নিয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওপর পুরো আস্থা রাখতে পারেননি। উইকিলিকস জানাচ্ছে, সফরের পুরো পরিকল্পনা সাজিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রীর এক উপদেষ্টা।

এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হয় সফরের মাত্র এক সপ্তাহ আগে।

২০১০ সালের ১০ জানুয়ারি শেখ হাসিনা যেদিন দিল্লি পৌঁছান, সেদিন সকালে এক বৈঠকে এই সফরের উদ্দেশ্য ও নির্ধারিত বিভিন্ন চুক্তির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী।

রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টি ১০ জানুয়ারি রাত ৯টার পর ওই বার্তাটি ওয়াশিংটনে পাঠান। গত ১৬ মার্চ ওই বার্তাটি প্রকাশ করে উইকিলিকস।

ভারতে রূপান্তরমূলক (ট্রান্সফরমেশনাল) সফরের জন্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তুতি শিরোনামের ওই বার্তায় দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী যাতে কলকাতায় যাত্রাবিরতি না করে একদিন আগেই দেশে ফিরে আসেন তা নিয়ে যথেষ্টই চিন্তিত ছিলেন রিজভী। ভারতে প্রধানমন্ত্রীর অবস্থান দীর্ঘায়িত করার পরিকল্পনা রিজভী ভণ্ডুল (স্যাবোটাজ) করে দেন বলেও মরিয়ার্টির বার্তায় উল্লেখ করা হয়।

আমলাদের ওপর অনাস্থা

গোপন বার্তার সার সংক্ষেপে মরিয়ার্টি বলেন, ২০০৯ সালের শুরুতে দায়িত্ব নেওয়ার পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিদেশ সফরে ১০ জানুয়ারি নয়াদিল্লি পৌঁছান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আমলাতান্ত্রিক মন্থরতার বিষয়টি উপলব্ধি করে সফরের যাবতীয় প্রস্তুতির দায়িত্ব নিজের কার্যালয়ের ওপর ন্যস্ত করেন তিনি।

“তার উপদেষ্টারা জানিয়েছেন, এই সফরের ফলে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের রূপান্তর ঘটবে বলে আশা করছেন তারা।”

বার্তায় মরিয়ার্টি বলেন, “হাসিনা ও তার সহযোগীরা মনে করেন, ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নতির মাধ্যমে নয়াদিল্লি তার প্রতিবেশীদের দেখাতে চাইবে যে, আঞ্চলিক বিষয়গুলোতে ভারত নতুন দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে এগোতে চায়।

কিন্তু ভারতের সঙ্গে কোনো চুক্তিকে বাংলাদেশের জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য করার বিষয়ে ‘প্রধানমন্ত্রীকে যথেষ্ট মনোযোগী বলে মনে হচ্ছে না’ বলেও মন্তব্য করেছেন মরিয়ার্টি।

ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের উন্নয়ন হলে এ অঞ্চলে স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি আসবে উল্লেখ করে মরিয়ার্টি বলেন, “এর মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রেরও স্বার্থ রক্ষা হবে।”

উইকিলিকসে প্রকাশিত বার্তায় বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে চার দফা বৈঠক শেষে ৮ জানুয়রি নয়াদিল্লি থেকে ঢাকা ফেরেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। এরপর ১০ জানুয়ারি সকালে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।

উপদেষ্টা মরিয়ার্টিকে জানান, ভারত-বাংলাদেশ কূটনৈতিক সম্পর্কের ‘রূপান্তর’ ঘটানোর লক্ষে সমঝোতার ‘মঞ্চ’ প্রস্তুত করা হয়েছে। বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের অল্প কয়েকজন ছাড়া সবার কাছেই গোপন রাখা হয়েছে। এমনকি পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও (দিপু মনি) এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় মাত্র এক সপ্তাহ আগে। চুক্তিগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম ও মশিউর রহমানকে শেষ মুহূর্তে এতে সম্পৃক্ত করা হয়।

বার্তার ভাষ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ওই বৈঠকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আমলাতন্ত্রের বিষয়ে যথেষ্ট ক্ষোভ প্রকাশ করেন রিজভী। আমলাদের সৃজনশীলতা ও দূরদৃষ্টির অভাব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

রিজভীর প্রস্ততি বৈঠক

উইকিলসের নথির তথ্য অনুযায়ী, রিজভী রাষ্ট্রদূতকে বলেন,

হাসিনা-মনমোহন শীর্ষ সম্মেলনের আগে ভারতীয়রা দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা ট্রানজিট ও আন্তঃযোগাযোগ-সংক্রান্ত চুক্তিগুলোর ওপরই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছিল। রিজভীর সঙ্গে ভারতীয় কর্মকর্তাদের প্রস্তুতি বৈঠকে বাংলাদেশের বন্দর ব্যবহার করতে দেওয়া নিয়ে যে আলোচনা হয় তার মধ্যে সবচে বেশি বিতর্ক হয় মংলা বন্দর নিয়ে। কারণ এর ফলে কলকাতা বন্দরের বাণিজ্য খুলনায় স্থানান্তরিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

প্রস্তুতি বৈঠকে সমুদ্রসীমা নিয়ে সবচেয়ে বেশি জটিলতার সৃষ্টি হয় বলে মরিয়ার্টিকে জানান রিজভী। তিনি জানান, বাংলাদেশ সমুদ্রসীমা নিয়ে আন্তর্জাতিক কর্তৃপক্ষের কাছে ‘একতরফা’ দাবি পেশ করায় ভারতীয়রা হতাশ হয়েছে।

‘স্যাবোটাজ’

রিজভীকে উদ্ধৃত করে মরিয়ার্টির বার্তায় বলা হয়,

প্রধানমন্ত্রী আজমির জিয়ারত শেষে ১৩ জানুয়ারি ঢাকায় না ফিরে কলকাতায় যাত্রাবিরতি করার সিদ্ধান্ত নিয়ে একটি ‘ভুল’ করতে যাচ্ছিলেন। তবে যাত্রাবিরতির সেই পরিকল্পনা ‘স্যাবোটাজ’ করে দিয়েছেন বলে রাষ্ট্রদূতকে জানান রিজভী।

এর পেছনে নিজের যুক্তি তুলে ধরে রিজভী তাকে বলেন, দেশে ফিরতে ২৪ ঘণ্টা দেরি হলে প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে নিজের সফরের অভিজ্ঞতা ও বক্তব্য তুলে ধরার আগেই সংবাদমাধ্যম ও বিরোধী দল অপপ্রচার চালানোর সুযোগ পেয়ে যাবে।

http://bdnews24.com/bangla/details.php?cid=2&id=152916&hb=2

হাসিনার ভারত সফর নিয়ে মরিয়ার্টির তারবার্তা

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-03-18/news/139345

শেখ হাসিনার ভারত সফর নিয়ে উইকিলিকসের গোপন তথ্য ফাঁস

http://jugantor.us/enews/issue/2011/03/18/news0341.php

হাসিনার ভারত সফরসূচি যেভাবে জেনেছিল মার্কিন দূতাবাস

http://www.mzamin.com/index.php?option=com_content&view=article&id=5179%3A2011-03-16-16-33-43&catid=49%3A2010-08-31-09-43-32&Itemid=83

Source : http://www.facebook.com/note.php?note_id=196571863707266

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: