• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 277,638 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনা থলের বিড়াল বেরিয়ে পড়েছে

ড. ইউনূস অপসারণ রহস্য মোটামুটি উদঘাটিত হয়েছে। সেই সাথে বেরিয়ে পড়েছে থলের বিড়াল। সেই কাহিনী আজ বলার ইচ্ছা আছে। তার আগে ‘দৈনিক সংগ্রামের’ সম্মানিত পাঠক-পাঠিকা ভাইবোনদের অবগতির জন্য দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই যে, হয়ত এই বিষয়টি অবতারণা করার কোনো প্রয়োজনই হতো না যদি আওয়ামী সরকার নীতি নিষ্ঠতার কারণে তাকে অপসারণ করত। গ্রামীণ ব্যাংককে বলা যেতে পারে গরীব মানুষের রক্তচোষা ভ্যাম্পায়ার। যদি গ্রামীণ ব্যাংকের রক্তচোষা সুদের হার কমানোর উদ্দেশ্যে গ্রামীণ ব্যাংক তথা তার প্রধান ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতো, যদি সেই ঋণের টাকা উসুলের জন্য ঋণ গ্রহীতার ভিটামাটির ওপর চড়াও হওয়ার কারণে গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হতো, তাহলে হয়ত দেশে এত প্রতিবাদের ঝড় উঠত না। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে যে, হাসিনার সরকার শুধুমাত্র ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েই সব দায়দায়িত্ব শেষ করেছে। সুতরাং ড. ইউনূসের অপসারণকে শিক্ষিত সচেতন মানুষ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত প্রতিহিংসা চরিতার্থের কাজ বলে অভিহিত করছেন। যতই দিন যাচ্ছে ততোই দেখা যাচ্ছে যে, গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাপারে রাজনীতি, বিশেষ করে আওয়ামী লীগের রাজনীতি, উৎকটভাবে প্রকাশ পাচ্ছে। ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রবাসী পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয়, দলের জেনারেল সেক্রেটারি এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম ও এ্যাটর্নি জেনারেল এডভোকেট মাহবুবে আলমও এ ব্যাপারে কথা বলেছেন। এখানে উল্লেখ করা যেতে পারে যে, সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দলের রাজনৈতিক মুখপাত্র হিসেবে কাজ করারও দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সুতরাং তিনি যখন কোনো কথা বলেন তখন সেই কথাকে গুরুত্বের সাথে গ্রহণ করতেই হবে। এছাড়া কিছুদিন আগে ইংল্যান্ডের নামকরা পত্রিকা ‘ইকোনোমিস্টও’ এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেছে। এই সবকিছু এক দিকেই অঙ্গুলী নির্দেশ করে। আর সেটি হলো, শেখ হাসিনার ব্যক্তিগত আক্রোশ চরিতার্থ করা।
প্রথমে শুরু করছি এডভোকেট মাহবুবে আলমকে দিয়ে। তিনি কোনো রাখঢাক না করে বলেই ফেলেছেন যে বাংলাদেশ থেকে যদি কাউকে নোবেল প্রাইজ দিতেই হয় তাহলে সেটা দেয়া উচিত ছিলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের নেতা সন্তু লারমাকে। কারণ, ১৯৯৬ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং বিদ্রোহী উপজাতীয় নেতা হিসেবে সন্তু লারমা শান্তি চুক্তি সম্পাদন করে বাংলাদেশের অশান্ত পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছেন। মাহবুবে আলম সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘আপনারা নোবেল প্রাইজকে এত বড় করে দেখছেন কেন? বাংলাদেশে যদি শান্তির জন্য নোবেল প্রাইজ পেতে হয়, তাহলে আমি বলব, দু’জনের পাওয়া উচিত ছিলো। শেখ হাসিনা আর সন্তু লারমার। কারণ একটি বিরাট এলাকা সশস্ত্র সংগ্রামে লিপ্ত ছিলো। যেখানে সেনাবাহিনী ছাড়া আমাদের যাওয়ার অবস্থা ছিলো না। সেখানে আজ আমরা স্বাধীনভাবে বিচরণ করছি। শান্তি ফিরে এসেছে। এই শান্তি ফিরিয়ে আনার জন্য দু’জন কাজ করেছেন, শেখ হাসিনা আর সন্তু লারমা। তারা নোবেল প্রাইজ পাননি বলে কি শান্তি প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে তাদের যে কাজ, তা কম হয়ে যাবে?’’
দুই.

চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রকাশিত ‘ইকোনোমিস্টের’ এক রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০০৭ সালে শান্তিতে নোবেল জয়ী ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে গত তিন মাস যাবত চলা গণমাধ্যমভিত্তিক অপপ্রচার ও আওয়ামী লীগ সরকারের হয়রানির অংশ হিসেবে তাকে তার পদ থেকে জোরপূর্বক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। ২০১০ সালের নবেম্বরে নরওয়ের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে গ্রামীণ ব্যাংকের সম্পদ স্থানান্তরের অভিযোগে ড. ইউনূসকে জড়িয়ে একটি ডকুমেন্টারি প্রচার করা হয়। ওই ডকুমেন্টারিতে বলা হয়, ১৫ বছর আগে অধ্যাপক ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কয়েক মিলিয়ন ডলার তার ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তর করেন। পরবর্তীতে নরওয়ে সরকার এ বিষয়ে একটি তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং এ অভিযোগ যে পুরোপুরি ভিত্তিহীন ছিলো তা ওই তদন্তে বেরিয়ে আসে। তদন্ত প্রতিবেদন সম্পর্কে নরওয়ে কর্তৃপক্ষ তখনই বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারকে অবহিত করে। ‘দ্য ইকোনমিস্টের’ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এরপরও সরকার ওই নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদের আচরণ ও অপপ্রচার অব্যাহত রাখে। প্রতিবেদনে শেখ হাসিনা সম্পর্কে ১৪ বছর আগের একটি প্রসঙ্গের উল্লেখ করা হয়। তিনি তখন প্রথমবার ক্ষমতায় আসেন। সময়টা ছিলো ১৯৯৭ সালের ফেব্রুয়ারি। মাইক্রোক্রেডিট কাউন্সিল সম্মেলনে তিনি সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ঐ সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। সকলের সামনে শেখ হাসিনা সেদিন গর্ব করে বলেছিলেন, দারিদ্র্য দূরীকরণে ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের অসামান্য অবদানের জন্য বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে আমি নিজেও গর্ব অনুভব করছি। প্রতিবেদনে আরো একটি বিষয়ের অবতারণা করা হয়। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরের প্রেক্ষিতে শেখ হাসিনারও নোবেল পাওয়ার কথা ছিলো এবং নোবেল পুরস্কার পাওয়ার জন্য তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন পেতে সরকারের উচ্চ পর্যয়ের আমলাদের লবিংয়ের জন্য পাঠিয়েছিলেন। যদিও তখন তিনি তা পেতে ব্যর্থ হন।
মাত্র এক দশক পরেই ড. ইউনূস ওই পুরস্কার অর্জন করেন এবং তার খ্যাতি খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু নোবেল পুরস্কার পাওয়ার ৫ মাস পরেই তিনি একটি রাজনৈতিক দল গঠনের ঘোষণা দেন। ওই সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে দেশের শাসনভার ন্যস্ত ছিলো। প্রতিবেদন মতে, প্রচলিত রাজনৈতিক ব্যবস্থার পরিবর্তন ও রাষ্ট্রব্যবস্থার প্রতিটি পর্যায়ে থেকে দুর্নীতি দূর করার উদ্দেশ্যে ড. ইউনূস একটি রাজনৈতিক দলের দর্শন দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন। আর এ জন্যই প্রতিহিংসায় জ্বলে ওঠেন আওয়ামী নেতৃবৃন্দ।

তিন.

এভাবে থলের বিড়াল যখন বেরিয়ে আসতে শুরু করে যখন আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দের সঠিক চেহারা উন্মোচিত হতে থাকে। তখন ড. ইউনূসকে বধ করার জন্য মাঠে নামানো হয় প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়কে। এই সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তনয়কে একটি রাষ্ট্রীয় পদ দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রকাশ্যে তিনি এই পদটি এবং সেই সুবাদে সেই পদের ক্ষমতা কদাচিৎ ব্যবহার করেন বা প্রয়োগ করেন। পদটির নাম হলো ‘প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা’। ‘প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা’ হিসাবে তিনি ড. ইউনূস এবং গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কে গুরুতর অভিযোগ এনে একটি বিবৃতি দেন। ই-মেইল যোগে প্রেরিত এই বিবৃতিতে তিনি ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে ‘জালিয়াতি’, ‘চুরি’, ‘কর ফাঁকি’, ‘ঋণ পুনরুদ্ধারে দানবীয় ব্যবস্থা’ এবং ‘ক্রিমিনাল অপরাধের’ অভিযোগ আনেন। এই ই-মেইলটি কয়েকটি দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক, আন্তর্জাতিক সংস্থা, মানবাধিকার সংস্থা, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে তার কতিপয় সহপাঠীর নিকট প্রেরণ করেন। এই ই-মেইল বিবৃতিতে ড. ইউনূস এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে সজীব ওয়জেদ জয় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনেন। ‘ইউনূসের বন্ধুরা’ শীর্ষক একটি সংগঠন গত মঙ্গলবার বলেন যে, এই মানহানিকর বিবৃতির মাধ্যমে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সরকারের শাস্তিমূলক ব্যবস্থার রহস্য উদঘাটিত হয়েছে। একটি ইংরেজি দৈনিক পত্রিকার প্রতিনিধির কাছে জনাব জয় বলেন যে, ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে তিনি যেসব অভিযোগ উত্থাপন করেছেন তার সূত্র হলো দু’টি আইনগত ডকুমেন্ট। এসব ডকুমেন্ট প্রণয়ন করেছেন আইনজীবীরা। মি. জয় বলেন, তার কাছে প্রেরণের পূর্বে এসব সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সমূহে অনুমোদন লাভের পর তার কাছে প্রেরণ করা হয়।
মি. জয়ের এই ই-মেইলে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে যে আক্রমণ চালানো হয়েছে তার প্রধান উপজীব্য ছিলো নরওয়ের একটি টেলিভিশনে প্রচারিত ইউনূসের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের টেলিফিল্ম। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন যে, গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ৭০ মিলিয়ন ডলার বা ৪ হাজার ৯০০ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়েছিলো। ঐ টাকা আর গ্রামীণ ব্যাংকে ফেরৎ দেয়া হয়নি। ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ এনে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, যেসব ব্যক্তিগত প্রকল্পে বিনিয়োগের ইকুয়িটি জমা দেয়া হয়েছে সেগুলোতে দাতাদের অর্থ ব্যবহার করা হয়েছে। দাতাদের এসব অর্থ গ্রামীণ ব্যাংকের নামে জমা না দেখিয়ে ড. ইউনূস এবং তার পরিবারের নামে দেখানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে জনাব জয় বলেন, ‘‘এটি সম্পূর্ণ বেআইনী এবং অর্থ আত্মসাতের শামিল।’’ এ প্রসঙ্গে মি. সজীব আরো বলেন, ‘‘আমার ধারণা, এই বিদেশী অর্থের মধ্যে গ্রামীণ ফোনে যা বিনিয়োগ করা হয়েছে তারও একটি অংশ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। আলোচ্য ই-মেইলে প্রধানমন্ত্রী তনয় কতগুলো অপ্রিয় সত্যকথা বলেছেন। সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, বিপুল প্রচারণা সত্ত্বেও গরীবের দারিদ্র্য নিরসনে ক্ষুদ্র ঋণ কোনো ভূমিকা রাখতে পেরেছে, তেমন কোনো প্রমাণ নাই। গ্রামীণ ব্যাংক বাংলাদেশে ৩০ বছর ধরে ক্ষুদ্র ঋণের ব্যবসা করছে। তারপরও বাংলাদেশ পৃথিবীর দরিদ্রতম দেশগুলোর অন্যতম বলে পরিচিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ঋণের ওপর গ্রামীণ ব্যাংক সুদ আরোপ করে ৩০ শতাংশ। এছাড়াও বাধ্যতামূলক সঞ্চয়ের ওপর আরোপ করে ১০ শতাংশ সুদ। চড়া সুদ আরোপ করা হয় গ্রামের দরিদ্র মানুষের ওপর। গ্রামীণ ব্যাংক অবশ্য বলছে যে, দারিদ্র্য নিরসনের দায়িত্ব তো এককভাবে গ্রামীণ ব্যাংকের নয়। মি. জয় প্রশ্ন রেখেছেন যে, গ্রামীণ ফোনের মত একটি বিরাট লাভজনক প্রতিষ্ঠানে গ্রামীণ ব্যাংকের ৩৫ শতাংশ ইকুইটি থাকা সত্ত্বেও কেন তারা এই দরিদ্র জনগণের ওপর এত উচ্চ হারে সুদ আরোপ করে সেটা বোধগম্য নয়। উল্লেখ্য, গ্রামীণ ফোনের বাৎসরিক রাজস্ব আয় ১০০ কোটি ডলার অর্থাৎ ৭ হাজার কোটি টাকারও বেশি এবং তাদের লাভ বছরে শত শত কোটি টাকা।
প্রধানমন্ত্রীর পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের এই ই-মেইলের সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য এই যে গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা কে, সেটি নিয়ে তিনি প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করেছেন, ‘‘সাধারণ মানুষের মনে এমন একটি প্রশ্ন বিরাজ করছে যে, ড. ইউনূসই হলেন গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা। কিন্তু কঠোর বাস্তব হলো এই যে, বাংলাদেশ সরকারই গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছেন।’’ মি. জয়ের ই-মেইলের এই অংশটি অসাধারণ গুরুত্বের সাথে বিবেচনার দাবি রাখে। কারণ, ঐ ই-মেইল বার্তায় নিজেকে তিনি পরিচিত করেছেন ‘বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা’ হিসাবে। ঐ বার্তায় তিনি দাবি করেছেন যে, তিনি যা কিছুই বলেছেন সেটি বাংলাদেশের সরকারি অবস্থানেরই প্রতিফলন ঘটায়। ঐ ই-মেইলে বলা হয়েছে, ‘‘এখন আমি গ্রামীণ ব্যাংক এবং ড. ইউনূস সম্পর্কে যেসব তথ্য দিচ্ছি সেগুলো বাংলাদেশ সরকারের তথ্য। গত বছর নরওয়ের টেলিভিশন ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গ্রামীণ ব্যাংকের অর্থনৈতিক অনিয়মের দলিলপত্র প্রকাশ করে নরওয়ের একটি টেলিভিশন।’’

চার.

শেষ করার আগে আমরা আবার আগের কথায় ফিরে যাচ্ছি। ড. ইউনূসকে অপসারণ নিয়ে আমাদের কোনো মাথা ব্যথা নাই। অপসারণকে সমর্থন করা বিরোধিতা করার মধ্যে আমরা নিজেদেরকে জড়িত করছি না। মি. জয় তার ই-মেইলে সরকারি তথ্যের বরাত দিয়ে-নিজেই বলেছেন, গ্রামীণ ব্যাংক গরীব মানুষদের নিকট থেকে ৩০ শতাংশ হারে সুদ নেয় এবং বিগত ৩০ বছর ধরে ব্যবসা করার পরেও গ্রামীণ ব্যাংক অথবা ক্ষুদ্র ঋণ বাংলাদেশের দারিদ্র্য দূর করতে পারেনি। যদি এসব কারণে বাংলাদেশ বাংকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হতো এবং দরিদ্র মানুষদের ওপর থেকে সুদের গুরুভার লাঘব করা যেত তাহলে হয়ত জনগণ সরকারি ব্যবস্থাকে সমর্থন জানাতে পারতেন। কিন্তু সেদিকে না গিয়ে নোবেল প্রাইজ না পাওয়ার জ্বালা জুড়ানোর জন্য অথবা মাইনাস-টু ফর্মূলা সমর্থন করার জন্য যদি তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে তাহলে সেই ব্যবস্থার সাথে জনগণের কোনো সংশ্রব থাকতে পারে না।

http://www.dailysangram.com/news_details.php?news_id=49897

 

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: