• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 277,514 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

বাংলাদেশে যোগাযোগ স্থাপন করেছে আল-কায়েদা!

টিপু সুলতান

https://i0.wp.com/paloadmin.prothom-aloblog.com/resize/maxDim/340x1000/img/uploads/media/2011-02-28-18-47-59-080426400-4.jpg

বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদী সংগঠন আল-কায়েদা বাংলাদেশেও যোগসূত্র স্থাপন করেছে। মূলত বাংলাদেশি ওই সূত্রটির মাধ্যমে আল-কায়েদার ইয়েমেন শাখার সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে ওঠে জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশের (জেএমবি)। আল-কায়েদা ইতিমধ্যে জেএমবিকে কিছু আর্থিক সহায়তাও করেছে। প্রথম আলোর অনুসন্ধানে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।
সন্ত্রাসবাদী হামলার পরিকল্পনার অভিযোগে যুক্তরাজ্যে গ্রেপ্তার হওয়া ব্রিটিশ এয়ারওয়েজের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বাংলাদেশি যুবক রাজীব করিম ওই দেশের আদালতে বলেছেন, তিনি এবং তাঁর ছোট ভাই তেহজীব করিম বাংলাদেশের জেএমবির সঙ্গে সম্পৃক্ত। তাঁরা দুই ভাই ‘অনলাইন ফোরামে’ ঢুকে জিহাদে উদ্বুদ্ধ হন। (সূত্র: বিবিসি অনলাইন, ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০১১)।
চার সপ্তাহব্যাপী শুনানি শেষে গতকাল সোমবার ব্রিটিশ আদালত যুক্তরাষ্ট্রগামী বিমান উড়িয়ে দেওয়াসহ সন্ত্রাসমূলক চারটি অভিযোগে রাজীব করিমকে দোষী সাব্যস্ত করেছেন। ১৮ মার্চ তাঁর সাজা ঘোষণা করা হবে। (সিএনএন ও গার্ডিয়ান অনলাইন)
গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে রাজীব করিম যুক্তরাজ্যে গ্রেপ্তার হন। তাঁর ভাই তেহজীব করিম একই মাসে ইয়েমেনে আল-কায়েদাবিরোধী অভিযানে গ্রেপ্তার হন। এই দুই ভাইয়ের সঙ্গে আল-কায়েদার আরব উপদ্বীপের নেতা আনোয়ার আল-আওলাকির সরাসরি যোগাযোগ ছিল বলে ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ সে দেশের আদালতে তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করেছে। সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে তা প্রকাশও পেয়েছে।
ইয়েমেনি বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিক আনোয়ার আল-আওলাকি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসবাদের জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ওসামা বিন লাদেনের পর সবচেয়ে আলোচিত। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি এখন ইয়েমেনের পার্বত্য এলাকায় আত্মগোপনে আছেন।
জেএমবির আমির সাইদুর রহমানও গত বছর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদে আল-কায়েদার সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ও আর্থিক সহায়তা পাওয়ার তথ্য দিয়েছেন।
জানতে চাইলে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু গত রাতে প্রথম আলোকে বলেন, ‘এমন বিষয় আমরা জেনেছি। এ নিয়ে তদন্ত হচ্ছে। তদন্তে এ-সংক্রান্তে দেশি কারও জড়িত থাকার প্রমাণ মিললে, সরকার ব্যবস্থা নেবে। আর বিদেশি কারও সম্পৃক্ততার প্রমাণ মিললে, সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দেশকে অনুরোধ করা হবে।’

https://i0.wp.com/www.russiablog.org/AlQaedaBlackFlag.gif

আল-কায়েদা

প্রথম আলোর অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশে নিষিদ্ধঘোষিত জেএমবির সঙ্গে ইয়েমেনভিত্তিক আল-কায়েদার যোগাযোগ গড়ে ওঠে ঢাকার একটি কথিত ধর্মীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে। এর নাম রিসার্চ সেন্টার ফর ইউনিটি ডেভেলপমেন্ট (আরসিইউডি)। ইয়েমেনে গ্রেপ্তার হওয়া তেহজীবের শ্বশুর আবদুর রশিদ আরসিইউডির চেয়ারম্যান। আর তেহজীবের মতো আরও অন্তত তিন বাংলাদেশি যুবক আল-কায়েদার সম্পৃক্ততার অভিযোগে একই সময়ে ইয়েমেনে গ্রেপ্তার হন। তাঁরা সবাই আরসিইউডির সদস্য। তাঁরা ঢাকার বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করা সচ্ছল পরিবারের সন্তান। ঢাকায় স্থায়ীভাবে বসবাস করলেও সবার গ্রামের বাড়ি সিলেট অঞ্চলে।
এঁদের একজন প্রায় সাত মাস পর ইয়েমেনের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরেছেন। তাঁর নাম মাইনুদ্দীন শরীফ (৩০)। তিনি সম্প্রতি এই প্রতিবেদককে বলেছেন, তেহজীব করিমের মাধ্যমে তিনি আরসিইউডিতে যুক্ত হয়েছিলেন। মাইনুদ্দীন আরসিইউডির যে ঠিকানা দিয়েছেন, সেটা তেহজীবের শ্বশুরের বাসা। মাইনুদ্দীন জানান, তাঁর ভাই রেজোয়ান এখনো ইয়েমেনের কারাগারে বন্দী আছেন।
এর আগে ২০০৮ সালের নভেম্বরে ঢাকায় গ্রেপ্তার হওয়া জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য হানিফ ওরফে কালামও আরসিইউডির সদস্য ছিলেন। সংশ্লিষ্ট একটি গোয়েন্দা সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের পর রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে হানিফ আরসিইউডির তৎপরতা সম্পর্কে অনেক তথ্য দেন। তিনি বলেছিলেন, গ্রিন রোড এলাকার রেজোয়ানের বাসায়ও বিভিন্ন সময়ে আরসিইউডির তালিম হতো। তখন রেজোয়ানকে শনাক্ত করা যায়নি। গোয়েন্দা সূত্রটি এখন মনে করছে, ওই রেজোয়ান হলো মাইনুদ্দীনের ভাই।
সেনানিবাসে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে মাইনুদ্দীনকে জিজ্ঞাসাবাদ: মাইনুদ্দীন শরীফ ইয়েমেন থেকে ঢাকায় ফেরার পর গত বছরের ৬ অক্টোবর তাঁকে প্রভাবশালী একটি দেশের গোয়েন্দারা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এরপর গত কয়েক মাসে তাঁকে দেশি-বিদেশি গোয়েন্দারা আরও কয়েক দফা জিজ্ঞাসাবাদ করেন। সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, ইয়েমেনে থাকা অবস্থায় মাইনুদ্দীন শরীফের ই-মেইল ও তাঁর কাছে পাওয়া কিছু প্রমাণাদির সূত্র ধরে বিদেশি গোয়েন্দারা জানতে পারেন, কোনো একটি দেশের সেনানিবাসে আক্রমণের পরিকল্পনা করছিল আল-কায়েদা। সেটি কোন দেশের সেনানিবাস, তা জানতে মাইনুদ্দীনকে সবচেয়ে বেশি জেরা করেছেন ওই গোয়েন্দারা। এ ছাড়া আল-কায়েদার এদেশীয় যোগাযোগের বিষয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তবে মাইনুদ্দীন বেশির ভাগ প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন বা স্বীকার করেননি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রটি জানিয়েছে।
মাইনুদ্দীনের সঙ্গে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এই প্রতিবেদকের কথা হয়। তিনি কয়েক দফায় দেশি-বিদেশি গোয়েন্দাদের জেরার কথা স্বীকার করেছেন। তবে কী বিষয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল, তা বলতে রাজি হননি।
প্রথম আলোর অনুসন্ধানে জানা যায়, মাইনুদ্দীন ঢাকার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেছেন। এরপর তিনি ২০০৩-০৪ সালে নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়ায় এবিসি ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এবং এরপর কিছুদিন ঢাকার ধানমন্ডি লেকহেড গ্রামার স্কুলে গণিত, ভূগোল ও কম্পিউটার বিষয়ের শিক্ষক হিসেবে চাকরি করেছেন। তিনি এ প্রতিবেদকের কাছে তা স্বীকারও করেছেন। তাঁর দাবি, তিনি ও তাঁর ভাই রেজোয়ান শরীফ ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আবেদন করে ইয়েমেনের ইংরেজি ভাষা শিক্ষাসংক্রান্ত একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি নিয়ে যান। ইয়েমেনের কোন শহরে ছিলেন—এই প্রশ্নের জবাবে মাইনুদ্দীন বলেন, ‘সেটা আমি বলব না।’
মাইনুদ্দীন দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্রের (টেক্সাস) সামরিক ঘাঁটিতে হামলার পর মার্কিন চাপে ইয়েমেনে আল-কায়েদাবিরোধী অভিযান শুরু হয়। তখন বিদেশি অনেককে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর ওই হামলায় জড়িত মেজর নিদাল মালিক হাসানের সঙ্গে ইয়েমেনের আনোয়ার আল-আওলাকির সম্পৃক্ততার প্রমাণ মেলে। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারির এক রাতে তাঁকে ও তাঁর ভাই রেজোয়ানকে বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
আল-কায়েদা বা আনোয়ার আল-আওলাকির সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল কি না, জানতে চাইলে মাইনুদ্দীন বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কথা বলতে চাই না।’
তেহজীব করিমের গ্রেপ্তার সম্পর্কে মাইনুদ্দীন বলেন, তেহজীব অন্য শহরে থাকতেন, সেখানে গ্রেপ্তার হন। মাস দেড়েক আগে দেশে ফিরেছেন। এখন ঢাকায় নিজ বাসায় আছেন। বাসাটি কোথায় জানতে চাইলে বলেন, ‘তাঁর বাসার ঠিকানা আমি বলব না।’
মাইনুদ্দীন স্বীকার করেন, তাঁর সঙ্গে তেহজীব ও তাঁর ভাই যুক্তরাজ্যে গ্রেপ্তার হওয়া রাজীব করিমের বন্ধুত্ব ও ই-মেইলে যোগাযোগ ছিল। কী ধরনের যোগাযোগ এবং কীভাবে তাঁদের বন্ধুত্ব হয়, তাও তিনি বলতে রাজি হননি।
তবে মাইনুদ্দীন জানান, তিনি আরসিইউডির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি সংগঠনের চেয়ারম্যান আবদুর রশিদের জামাতা তেহজীবের মাধ্যমে এই সংগঠনে যোগ দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, সেখানে তিনি যেতেন মূলত ধর্মীয় আলোচনা শোনার জন্য। এক এক লেকচারে (আলোচনায়) ৫০ থেকে ৬০ জন করে থাকত বলে জানান তিনি। তাদের বেশির ভাগই ছিল যুবক।
অপর একটি সূত্র জানায়, দেশীয় একটি গোয়েন্দা সংস্থার জিজ্ঞাসাবাদে মাইনুদ্দীন বলেছেন, আরসিইউডিতে তিনি বেশি দিন যাননি। কারণ, তিনি জেনেছেন, ওরা কিছু আক্রমণ করার পরিকল্পনা করছিল। আরসিইউডির কিছু লোকজন ঢাকা সেনানিবাসের আশপাশের এলাকায় থাকেন। এঁদের মধ্যে একজন ঢাকার বনানী ডিওএইচএসের বাসিন্দা মামুন। তাঁর সঙ্গে ইয়েমেনের কারাগারে দেখা হয়েছে তাঁর।
মাইনুদ্দীন আরও বলেছেন, তেহজীব করিম প্রায়ই বিদেশে আসা-যাওয়া করতেন। তাঁর স্ত্রীর সঙ্গে তেহজীবের স্ত্রীর ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। এ ছাড়া সাদ্দাম নামের আরসিইউডির গুরুত্বপূর্ণ একজনকে তিনি চেনেন বলে জানান।
মাইনুদ্দীন প্রথম আলোর কাছে সাদ্দামকে চেনার কথা স্বীকার করেছেন। তবে ইয়েমেনে গ্রেপ্তার হওয়া বনানী ডিওএইচএসের মামুনের বিস্তারিত পরিচয় বলতে রাজি হননি তিনি।
অবশ্য আরসিইউডির চেয়ারম্যান আবদুর রশিদ প্রথম আলোর কাছে দাবি করেন, তাঁর জামাতা তেহজীব আরসিইউডির সদস্য ছিলেন না। মাইনুদ্দীন শরীফকেও তিনি চেনেন না।
‘কিন্তু মাইনুদ্দীন তো আরসিইউডির ঠিকানা ও অন্যান্য তথ্য দিয়েছেন’, এ তথ্য জানানোর পর আবদুর রশিদ বলেন, ‘আসলে ধানমন্ডির অফিসটা বন্ধ হওয়ার পর অনেকে আমার বাসায় আসত। তখন তো অনেক ছেলে-টেলে আসত। সবাইকে চিনতামও না। আর এখন সবকিছু ঠিক মনেও থাকে না। হয়তো কখনো কারও সঙ্গে আসতেও পারে।’

http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-03-01/news/134922

One Response

  1. ha

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: