• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 288,837 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

ফেলানী হত্যার ১০ দিন পর প্রতিবাদ জানাল বাংলাদেশ : ক্ষতিপূরণ দাবিতে হাইকোর্টে রিট

Source : Amar Desh

৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী সীমান্তে কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ফেলানীকে হত্যার পর ৫ ঘণ্টা তার লাশ কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রাখা হয়।

বর্বর ও নৃশংসভাবে কিশোরী ফেলানীকে হত্যার ১০ দিন পর প্রতিবাদ জানাল সরকার। ব্যাপক সমালোচনার পর গত রোববার বিকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডেকে পাঠানো হয় ভারতীয় হাইকমিশনার রজিত মিত্রকে। সরকারের একটি প্রতিবাদলিপি ভারত সরকারের উদ্দেশে হাইকমিশনারের কাছে দেয়া হয়েছে বলে গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ী সীমান্তে কিশোরী ফেলানীকে গুলি করে হত্যা করে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। ফেলানীকে হত্যার পর ৫ ঘণ্টা তার লাশ কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলিয়ে রাখা হয়। এই ঝুলন্ত লাশের ছবি প্রথমে ভারতের আনন্দ বাজার পত্রিকায় ছাপা হয়। পরে বাংলাদেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ ছবি প্রকাশিত হয়েছে। বিএসএফের এই নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের পাশাপাশি খোদ ভারতেই তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। ভারতের বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন এবং গণমাধ্যমে এই বর্বরতার তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে। বাংলাদেশে এই নারকীয় হত্যার বিরুদ্ধে বেসরকারি বিভিন্ন সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। অথচ সরকার এতদিন এ ব্যাপারে ছিল নীরব। অবশেষে ব্যাপক সমালোচনার মুখে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ জানাল সরকার। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের উদ্বেগের কথা ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলে ভারতীয় হাইকমিশনার নিশ্চিত করেছেন। একই সঙ্গে তিনি সীমান্তে নিরীহ বাংলাদেশী হত্যা বন্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে বলেও জানান। ফেলানী হত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদলিপিতে কী বলা হয়েছে সে ব্যাপারে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে কিছুই বলা হয়নি।
এদিকে সীমান্তে হত্যা বন্ধে সরকারের নিষ্ক্রিয়তাকে চ্যালেঞ্জ করে গতকাল হাইকোর্টে রিট আবেদন দায়ের করা হয়েছে। বিচারপতি মো. মিফতাহ্ উদ্দিন চৌধুরী ও বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চে আগামী রোববার এ বিষয়ের ওপর শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
ন্যাশনাল ফোরাম ফর প্রটেকশন অব হিউম্যান রাইটস নামের একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তাজুল ইসলাম রিট আবেদনটি দায়ের করেন। রিটে ফেলানীকে কাঁটাতারে ঝুলন্ত অবস্থায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক গুলি করে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করার ঘটনা তুলে ধরে এ ধরনের হত্যা বন্ধে বাংলাদেশ সরকারকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ এবং ফেলানীর পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দানের নির্দেশনা প্রার্থনা করা হয়।

India's notorious border force BSF

রিট আবেদনে বলা হয়, নাগরিকের জীবন রক্ষা করতে এমনকি কূটনৈতিকভাবে এর বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিবাদ জানাতে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। যা সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার লঙ্ঘন। একই সাথে এটি রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
ওদিকে হত্যা বন্ধে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে (বিএসএফ) প্রাণঘাতী নয়—এমন অস্ত্র (নন-লেথ্যাল উইপন) ও রাবার বুলেট দেবে সে দেশের সরকার। বিএসএফ সদস্যরা বাংলাদেশ সীমান্তে নিরীহ লোকজনকে হত্যা করছে—মানবাধিকার সংগঠনগুলোর এমন অভিযোগের পর এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে। নয়াদিল্লিতে ভারত সরকারের নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানিয়েছে, ত্রিপুরায় বাংলাদেশ সীমান্তে মোতায়েন বিএসএফ সদস্যদের শিগগিরই ‘নন-লেথ্যাল উইপন’ দেয়া হবে। পর্যায়ক্রমে আসাম ও পশ্চিমবঙ্গ সীমান্তেও বিএসএফে এ ধরনের অস্ত্র ও রসদ সরবরাহ করা হবে।
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৪ হাজার ২৩ কিলোমিটার সীমান্তের মধ্যে ৮৫৬ কিলোমিটারই ত্রিপুরার সঙ্গে। ওই কর্মকর্তা জানান, প্রাণহানি না ঘটিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশকারী, চোরাকারবারি ও দুষ্কৃতিদের ঠেকাতেই এ পদক্ষেপ নিচ্ছে ভারত সরকার। এছাড়া বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে বিএসএফকে হেলিকপ্টারও সরবরাহ করা হবে। গত ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানীর মৃত্যুর ঘটনার পর ভারতীয় সীমান্তরক্ষীদের সহিংসতার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় উঠে আসে।

বিএসএফের বিচার দাবি স্বজনদের : ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি জানান, ফেলানীর গ্রামের বাড়িতে এখনও চলছে শোকের মাতম ও প্রতিবাদের ঝড়। মৃত্যুর ১০ দিন পর গতকাল ফেলানীর গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার রামখানা ইউনিয়নের দক্ষিণ রামখানা কলনীটারী গ্রামে স্বজনদের আয়োজিত ফেলানীর রুহের মাগফিরাতের জন্য কুলখানির আয়োজন করা হয়। স্থানীয় হাফিজিয়া মাদ্রাসার ছাত্রদের দাওয়াত করে কুলখানি করা হয়। কুলখানিতে আসা স্বজনরা দাবি করেছেন, সরকার যেন অতিসত্বর ফেলানী হত্যার বিচার করে। আর যেন বিএসএফের হাতে ফেলানীর মতো হত্যার শিকার না হয় বাংলাদেশী নিরীহ মানুষ। ফেলানীর বাবা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বলেন, আমার এত সুন্দর মেয়েটাকে বিএসএফ মাইরা ফেলল। আপনারা কিছু করলেন না। আমি আপনাগোর মাধ্যমে সরকারের কাছে বিএসএফের বিচার চাই।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: