• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 291,269 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

স্বপ্নের ইন্ডিয়ায় শিশু বিক্রির হাট

Source : Bangladeshi-Americans Living in New England

কুষ্ণকুমার দাস, কলকাতা থেকে

পঞ্চায়েত প্রশাসনকে জানিয়ে গ্রামেই ‘শিশু বিক্রির মেলা’ বসালেন অসহায় আদিবাসী মায়েরা। মালদহ থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে গাজোল থানার দেওতলা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকা। রাজ্য সড়ক ছেড়ে প্রায় চার কিলোমিটার কাচা রাস্তা পায়ে হেঁটে পার হলেই মিলবে আর এক নতুন আমলাশোল। গ্রামটির নাম বানদীঘি। অনাহারক্লিষ্ট মানুষজন বসবাস করেন এই আদিবাসী গ্রাম বানদীঘিতে। খাস জমির ওপর গড়ে উঠেছে আদিবাসী বসতি। ৬০টি বাড়ি আছে। কাচা মাটির দেয়াল আর খড়ের ছাউনি। অজগ্রামটি চেনেন না প্রশাসন বা পঞ্চায়েতের কেউ। বিদ্যুৎ ওদের স্বপ্ন। পানীয়জল আবার কী! পুকুর তো রয়েছে। স্কুল, হাসপাতাল, চিকিৎসক, ওষুধপত্র এসব সরকারি সুবিধা যে তারাও দেশের নাগরিক হিসাবে পেতে পারেন, সেটিও জানেন না ধাবরু সোরেন, চুরকা হেমরম, মারাং সোরেন, পুটিয়া সোরেন, মেলা কিসকুরা। খাস জমিতে ঘর বাঁধলেও তারা জমির পাট্টা পাননি। ৬০টি পরিবারে রয়েছেন ৪০০ মানুষ। পুরুষ ২১০ জনের মধ্যে অধিকাংশই ভিন রাজ্য দিল্লি, মুম্বাই, পাঞ্জাব পাড়ি দিয়ে আর ফেরেননি। মহিলার সংখ্যা ৭৫ জন। আর তাদের মোট শিশুর সংখ্যা ১০৫। খাবার জোটে না শালপাতা, কচুশাক সেদ্ধ করে খেয়ে আর কতদিন বাঁচবেন। অর্ধাহারে থাকে ওই ১০৫ শিশু। পরনে একটা ছেঁড়া কাপড়ও জোটে না। বয়স্ক আদিবাসী পুরুষ-মহিলারা পরনে তুলেছেন ছেঁড়া চট, যা ধানের বস্তা কেটে তৈরি করা। বানদীঘির ৭৫ জন মহিলা গণস্বাক্ষর করে পঞ্চায়েতকে জানিয়ে দিয়েছেন, ‘আমাদের শিশুদের নিয়ে নাও, বিনিময়ে খাবার দাও।’ অনাহারক্লিষ্ট শিশুদের অনেকেই অসুখে ভুগছে। অপুষ্টিজনিত কারণে মায়েদেরও শরীর চলছে না।

শিশুর বিনিময়ে খাবারের আর্জিতে পঞ্চায়েতের কেউ কর্ণপাত করেনি। ১০৫ শিশুকে স্বেচ্ছায় বিক্রি করার জন্য মেলা বসিয়ে খদ্দেরদের উচ্চস্বরে আহ্বান জানাচ্ছিলেন মালতী হেমব্রম, দেবী সোরেন, মিনতি মুর্মুরা। মেলায় শামিল ছিলেন বাড়ির গৃহকর্তা রবি হাসদা, শিবলাল হাসদা, বাবলু হাসদারাও। মালতী দেবীর একমাত্র মেয়ে অর্চনার বয়স মাত্র পাঁচ বছর। পেটের জ্বালা সইতে না পেরে অর্চনাকে বিক্রি করে দিতে চান মালতী হেমব্রম। দেবী সোরেন এনেছিলেন তিন ছেলেমেয়ে রাজু, সনিয়া ও সনেকাকে সঙ্গে নিয়ে। দুই মেয়েকে এনে ছিলেন মিনতি মুর্মু। প্রায় ৫০ জন মহিলা তাদের ১০৫টি শিশুকে নিয়ে দিনভর মেলা বসিয়েও খদ্দের খুঁজে পাননি। পঞ্চায়েত প্রশাসনকে এবার তাদের হুমকি, ‘শিশুদের এবার পঞ্চায়েত অফিসে নিয়ে গিয়ে ফেলে দিয়ে আসব।’ এদিনই শিশু বিক্রির মেলার খবর পেয়ে গাজোলের বিডিওকে গ্রামে যেতে নির্দেশ দেন অতিরিক্ত জেলাপ্রশাসক (সাধারণ) তরুণ সিংহ রায়। উত্তর মালদহের কংগ্রেস সংসদ সদস্য মৌসুম নুর ও জেলা পরিষদের সভাপতি সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমরাই ওই গ্রামে গিয়ে ব্যবস্থা নেব।’

************************************************************************************

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: