• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 277,514 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

জ্বালানি মন্ত্রণালয়কে বহুজাতিক সংস্থার আধিপত্য থেকে মুক্ত করতে হবে

Source : Shaptahik

প্রকৌশলী শেখ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ

বাংলাদেশে ধ্বংসাত্মক উন্মুক্ত খনন পদ্ধতিতে কয়লা এবং এশিয়া এনার্জির ব্যানারে বিদেশি বিভিন্ন দুর্বৃত্ত গোষ্ঠীর হাতে দেশের কয়লাসম্পদ তুলে দেয়ার জন্য মার্কিন দূতাবাস তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থে যে বহুদিন থেকে সক্রিয় তা উইকিলিকস-এর মাধ্যমে (দ্য গার্ডিয়ান, ২১-১২-১০) প্রকাশিত হয়েছে। জাতীয় কমিটি বহুদিন থেকে যে দাবি করে আসছে সেই দাবির যথার্থতা এখন এর মাধ্যমে আবারও প্রমাণিত হলো যে জ্বালানি মন্ত্রণালয় দেশের মানুষ নয়, বিদেশি লুটেরাদের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হচ্ছে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত জেমস মরিয়ার্টি কূটনৈতিক সীমা লঙ্ঘন করে বিদেশি কোম্পানি ও লুটেরা বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষার জন্য জ্বালানি উপদেষ্টার সঙ্গে যে সমঝোতায় এসেছিলেন তার অংশ হিসেবেই সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এখনো তৎপরতা চালাচ্ছে। সে কারণে কয়লানীতি চূড়ান্ত করবার আগেই
১. অর্থমন্ত্রীর বাজেট বক্তৃতায় ‘জ্বালানি খাতে উন্নয়নে পথ নকশায়’ অন্যতম করণীয় হিসেবে ‘উন্মুক্ত খনন পদ্ধতির পক্ষে জনমত তৈরি’কে নির্দেশ করা হয়েছে। এর প্রতিশ্রুতিই জ্বালানি উপদেষ্টা মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে দিয়েছিলেন।
২. সংসদীয় কমিটির কতিপয় সদস্য ও মন্ত্রী এনার্জির আতিথ্যে জার্মানি সফর করে এসে উন্মুক্ত খনির পক্ষে বক্তব্য দিয়েছেন। এই কমিটিকে এভাবে কাজে লাগানোর প্রতিশ্রুতিও মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে দিয়েছিলেন জ্বালানি উপদেষ্টা।
৩. জনমত এর তোয়াক্কা না করেই পেট্রোবাংলা চেয়ারম্যান ‘অন্তত দুটো উন্মুক্ত খনি’ করার দাবি জানাচ্ছেন।
৪. উচ্চহারে জমির ক্ষতিপূরণের মিথ্যা লোভ দেখিয়ে হলেও উন্মুক্ত খনির ক্ষেত্র তৈরির জন্য বড়পুকুরিয়ায় জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু করেছে ভূমি মন্ত্রণালয়।
বাংলাদেশের উন্নয়ন ও জাতীয় স্বার্থ বিপর্যস্ত করে বিভিন্ন বহুজাতিক সংস্থা ও দেশি-বিদেশি লুটেরাদের স্বার্থে মার্কিন দূতাবাসের ভূমিকা এটাই প্রথম নয়। এর এক দশক আগেও বাংলাদেশ থেকে মার্কিন কোম্পানির মাধ্যমে ভারতে গ্যাস রফতানি এবং চট্টগ্রাম বন্দর একটি জালিয়াতি মার্কিন কোম্পানির হাতে তুলে দেয়ার জন্য মার্কিন দূতাবাসই চাপ দিয়েছিল। মেরি এন পিটারস সুশীল সমাজের সমর্থন গ্রহণের জন্য বহুবার চট্টগ্রামে সফর করেছেন। এগুলো তারা করতে সক্ষম হলে বাংলাদেশে আজ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সঙ্কট বহুগুণ বাড়ত এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণœ হতো। চট্টগ্রাম বন্দর থাকত কতিপয় দুর্বৃত্তের হাতে। জনগণের প্রতিরোধের মাধ্যমে এসব ভয়াবহ আগ্রাসন থেকে বাংলাদেশকে রক্ষা করা গেছে। এই জনগণই জীবন দিয়ে বাংলাদেশের কয়লা সম্পদ বিদেশে পাচার ও ধ্বংসযজ্ঞ তৈরির প্রকল্প ঠেকিয়েছেন। কিন্তু চক্রান্ত অব্যাহত আছে। আমরা মনে করি জ্বালানি মন্ত্রণালয় ও সরকারকে বহুজাতিক সংস্থা তথা সাম্রাজ্যবাদী রাহুগ্রাস থেকে মুক্ত করতে না পারলে, তাদের স্বার্থে জ্বালানি উপদেষ্টাসহ আরো দেশবিরোধী তৎপরতা চালাচ্ছেন তাদের বিচারের সম্মুখীন করতে না পারলে, দেশ ভয়ঙ্কর পরিস্থিতিতে পতিত হবে। এর জন্য দেশের সম্পদ জাতীয় মালিকানায় দেশের প্রয়োজনে ব্যবহার নিশ্চিত করতে জাতীয় জাগরণ তৈরিতে দেশে সব স্তরের মানুষকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাই।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: