• Categories

  • Archives

  • Join Bangladesh Army

    "Ever High Is My Head" Please click on the image

  • Join Bangladesh Navy

    "In War & Peace Invincible At Sea" Please click on the image

  • Join Bangladesh Air Force

    "The Sky of Bangladesh Will Be Kept Free" Please click on the image

  • Blog Stats

    • 277,514 hits
  • Get Email Updates

  • Like Our Facebook Page

  • Visitors Location

    Map
  • Hot Categories

Ekti opriyo shotto

নিজ স্বার্থে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বিকৃত করছেন এ কে খন্দকার — একান্ত স্বাক্ষাৎকারে হামিদুল্লাহ খান বীরপ্রতীকঃ ……

নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্যই পরিকল্পনামন্ত্রী ও মুক্তিযুদ্ধকালীন উপসেনাপ্রধান এ কে খন্দকার মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস বিকৃত করছেন । জিয়াউর রহমান ও হামিদুল্লাহ খান সেক্টর কমান্ডার ছিলেন না বলে সেক্টর কমান্ডারস্ ফোরামের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য দেয়া হচ্ছে , তা খুবই ন্যক্কারজনক । এটি ঐতিহাসিকভাবে প্রমাণিত, জিয়াউর রহমান ৬ মাস ১ ও ১১ নম্বর  সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন । আর হামিদুল্লাহ খান ১ মাস ১৪ দিন ১১ নম্বর  সেক্টর কমান্ডার ছিলেন ।

১১ নম্বর  সেক্টর কমান্ডার  অবঃ Flight Lt. হামিদুল্লাহ খান বীরপ্রতীক একান্ত স্বাক্ষাৎকারে একথা বলেন । তিনি বলেন, প্রকৃ্তপক্ষে মুক্তিযুদ্ধে group captain এ কে খন্দকারএর উল্লেখযোগ্য অবদান নেই । মতের অমিল থাকায় এম এ জি ওসমানি তাকে দিয়ে কোন কাজই করাতেন না…। আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তিনি হাজির হয়েছিলেন কিছু indian officer কে তোষামোদ করে…।সাক্ষাতকারের বিস্তারিত তুলে ধরা হলঃ

প্রশ্নঃ এ কে খন্দকারের নেতৃত্বাধীন ‘sector commanders’ forum’এর সংশ্লিষ্টরা সরবশেষ একটি অভিযোগ             করেছেন, জিয়াউর রহমান ও আপনি sector commander ছিলেন না । তাদের এ অভিযোগের সত্যত কতটুকু?

উত্তরঃ   তাদের এ দাবী অসার ও উদ্দেশ্যমূলক । এটি প্রমাণিত, মেজর জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ যুদ্ধ শুরুর দিন থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫ দিন বাংলাদেশের ভেতরে থেকে সম্মুখযুদ্ধ করেছেন । তিনি এই ১৫ দিনে ৫৩২ জন পাক সেনাকে হত্যা করেন । এরপর তিনি তার ত্রিপুরার সাবরুমে তার ১ নম্বর sector হেডকোয়ার্টার স্থাপন করেন । এর কিছুদিন পর তাকে হত্যার ষড়যন্ত্র শুরু হয় । পরে তিনি জেনারেল এম এ জি ওসমানির পরামর্শে ১০ জুন ত্রিপুরা থেকে মেঘালয়ের তেলঢালায় যান । ১০ এপ্রিল থেকে ১০ জুন -এই দুই মাস তিনি ১ নং sector commander ছিলেন । জিয়াউর রহমান মেঘালয়ে চলে যাবার পর ১ নং sector এর দায়িত্ব নেন captain রফিকুল ইসলাম । জিয়াউর রহমান Kishoreganj ছাড়া সমগ্র mymensingh, tangail, gaibandha ও kurigram জেলার chilmari-ulipur ও roumari-rajibpurএর স্বাধীন এলাকা নিয়ে মোট ৮টি সাবসেক্টর গঠন করে তেলঢালায় ১১ নং sector এর হেডকোয়ার্টার প্রতিষ্ঠা করেন । তিনি জুন থেকে ১০ অক্টোবর পর্যন্ত sector commander ও যুগপৎ z-force commander ছিলেন ।

এদিকে নিয়মানুযায়ী মেজর আবু তাহের ও আমি হামিদুল্লাহ খান আগস্টের ১২-১৩ তারিখে ১ দিন আগে ও পরে তেলঢালায় গিয়ে জিয়াউর রহমানের কাছে গিয়ে রিপোর্ট করি । জিয়াউর রহমান আবু তাহেরকে মাহেন্দ্রগঞ্জ সাবসেক্টরএর এবং আমাকে মানকারচর সাবসেক্টরের commander নিযুক্ত করেন ।

৫ অক্টোবর মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানি তেলঢালায় আসেন । ১০ অক্টোবর মাহেন্দ্রগঞ্জ সাবসেক্টরের commander আবু তাহেরকে ১১ নং সেক্টরের দায়িত্ব দিয়ে চলে যান । জিয়াউর রহমান তখন z-force commander হিসেবে সিলেটের বিভিন্ন রণাঙ্গনে যুদ্ধ করেন ।

মুক্তিযুদ্ধের দলিল অনুযায়ী ,২ নভেম্বর সকাল ৯ টায় company commanderদের নিয়ে d-briefing এর সময় হঠাৎ করে এক্তি anti-personal mine বিস্ফোরনে মেজর তাহের একটি পা হারান । তাকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে মেঘালয়ের তুরা ও পরে পুনায় নিয়ে যাওয়া হয় । ৩ নভেম্বর থেকে sector গোটানো পর্যন্ত আমি sector commanderএর দায়িত্ব পালন করি । বাংলাদেশ স্বাধিন হওয়া পর্যন্ত তাহের sectorএ ফিরে যেতে পারেন নি ।

এ সময় হামিদুল্লাহ খান তার বক্তব্যের প্রমান হিসেবে ১৯৮৪ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘মুক্তিযুদ্ধের দলিলপত্র’ গ্রন্থের ৬৪৪ পৃষ্ঠা থেকে আবু তাহেরের সাক্ষাৎকারের একটি অংশ পড়ে শোনান । তিনি আরও প্রমাণপত্র হিসেবে মেজর রফিকুল ইসলাম পি এস সি’র ‘একটি ফুলকে বাঁচাব বলে’ গ্রন্থের ১৫৩ পৃষ্ঠা, মুসা সাদিকের ‘মুক্তিযুদ্ধে হৃদয়ে মম’ বইয়ের ৮২ পৃষ্ঠায় লিখিত বক্তব্য এবং ২ নং সেক্টরের অফিসার অবঃ কর্ণেল শাফাআত জামিল এর এক্তি লিখিত আলোচনা তুলে ধরেন । তিনি বলেন, ১১ নং সেক্টরের অধীনে ২২,৩০০ জনকে  মুক্তিযুদ্ধা সার্টিফিকেট দেয়া হয়েছে, যেখানে সেক্টর কমান্ডার হিসেবে আমার স্বাক্ষর আছে ।

সুতরাং, জিয়াউর রহমান ও আমি sector commander ছিলাম না এমন বক্তব্য চরম গর্হিত কাজ । নিজ স্বার্থ হাসিলের জন্যই এমন ন্যাক্কারজনক ইতিহাস বিকৃতির আশ্রয় নিচ্ছেন এ কে খন্দকার ।

প্রশ্নঃ  এ কে খন্দকার সম্প্রতি এক স্বাক্ষাৎকারে দাবি করেছেন, যৌথবাহিনী গঠনের পর ৩ ডিসেম্বর শেষ রাতে যে         যুদ্ধ হয়,তাতে পাকিস্তানি টার্গেটে Bangladesh air force ই প্রথম attack করে । একে একে দেশের অভ্যন্তরে পাকিস্তানের বিমান ঘাটি ধ্বংস করে দেয়া হয়…। মুক্তিযুদ্ধের এই ইতিহাস কতটা সত্য ?

উত্তরঃ আসলে যৌথবাহিনী বলতে কিছুই ছিলনা । মুক্তিবাহিনী ভারতীয় মিত্রবাহিনীর অধীনস্থ ছিল । ৩ ডিসেম্বর Bangladesh air force ই প্রথম attack করে – এ কে খন্দকার এর এ দাবি অলীক ।

firstly, Bangladesh air force এর attack করার কোন ক্ষমতাই ছিল না । কারন air force এর রসদ ছিল – ১৯৪০ সালে তৈরী খুবই পুরান একটি  dc-3 cargo বিমান,একটি খুবি ছোট single engine twin otter plane, এবং একটি ১৯৫০ সালে তৈরী alleyweight helicopter । এ তিনটি দিয়ে যুদ্ধ পরিচালনা করা খুবই অমূলক ।

secondly, ৩ তারিখ যুদ্ধ ঘোষণার সাথে সাথেই ভারতের উন্নত বিমান বাহিনী পাকিস্তানি টার্গেটে attack করে সব ধ্বংস করে  দেয় ।

thirdly, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক এম এ জি ওসমানি কোন কাজেই  এ কে খন্দকারকে ডাকতেন না । তাদের মধ্যে মতের অমিল ছিল । কারণ ওসমানি চেয়েছিলেন ১৯৬৫ সালে পাক-ভারত যুদ্ধে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালনকারী (সিতারা ই জুরান খেতাব পাওয়া) গ্রুপ ক্যাপ্টেন এম জি তাওয়াব কে মুক্তিযুদ্ধে বিমান বাহিনী প্রধানের  দায়িত্ব দিতে ।তিনি এ কে খোন্দকারের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ ছিলেন । তার তুলনায় এ কে খোন্দকার কমই বিমান চালিয়েছেন । কিন্তু তাওয়াব যাতে দায়িত্ব না নিতে পারেন, সেজন্য এ কে খোন্দকার ভারতীয়দের manage করেন । মতের এই অমিলের কারনে ওসমানি তাকে অপছন্দ করতেন । খন্দকার তাই কলকাতা থিয়েটার রোড ছেড়ে কোথাও যান নি। অন্য দিকে ওসমানি প্রতিটি সেক্টরে ঘুরে বেরিয়েছেন । মুক্তিযুদ্ধসঙ্ক্রান্ত একটি কাজই তিনি করেছেন, আর তা হল স্বাধীনতা-উত্তর এপ্রিলের শেষের দিকে পদক বিতরণ ।

প্রশ্নঃ  আপনি বললেন, এ কে খন্দকারকে কোন কাজেই ডাকা হত না , তাহলে আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত হন কীভাবে ?

উত্তরঃ   ১৯৭১ সালের যুদ্ধটাকে পাক-ভারত যুদ্ধ হিসেবেই মনে করতেন ভারতীয় ও পাকিস্তানিরা । মানেকশ যখন আত্মসমর্পণের আহবান জানালেন, তখন পাকিস্তান বাহিনীর প্রধান জেনারেল নিয়াজী শর্ত দেন, তারা ভারতীয় বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে চান এবং জেনেভা কনভেনশন অনুযায়ী তাদের সাথে আচরন করতে হবে । নিয়য়াজীর এ শর্ত অনুযায়ী ১৬ ডিসেম্বর সকালে জেনারেল অরোরা ও Lt.Gen. জে আর  রা যখন রেস্কোর্স ময়দানে আসার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন এ কে খন্দকার দেখলেন যে তাকে কেউ ডাকছে না । তখন খন্দকার তার সমপর্যায়ের কিছু বন্ধু অফিসারকে তোষামোদ করেন তাকে সবার সাথে প্লেনে উঠিয়ে দেয়ার জন্য । এক রকম জোর করেই তাকে অরোরা-জ্যাকবদের প্লেনে উঠিয়ে দেয়া হয় । আত্মসমর্পন অনুষ্ঠানে তিনি সামনেই আসতে পারেননি ।

প্রশ্নঃ   আপনি বললেন, মুক্তিযুদ্ধসঙ্ক্রান্ত কাজে এ কে খন্দকার এর অবদান ছিল কেবল পদক বিতরণে , সেটি কিভাবে ? অবদান না থাকলে তিনি বীরপ্রতীক হলেন কীভাবে ?

উত্তরঃ   স্বাধীনতা-উত্তর ফেব্রুয়ারী-মার্চের দিকে মিন্টু রোডের  sector commander দের প্রথম সভায় এম এ জি ওসমানি আমাকে পদকের নাম চয়নের দায়িত্ব দেন । আমি তিনটি নাম দেই – বীর উত্তম, বীর বিক্রম ও বীর প্রতীক । চতুর্থ নামটি শহীদদের জন্য যা সর্বসম্মতিক্রমে বীরশ্রেষ্ঠ রাখা হয় । প্রথমে ওসমানি Lt. col. Abdur Robকে পদক বিতরণের দায়িত্ব দেন । হঠাৎ রব অসুস্থ হয়ে পড়লে তিনি তার ডেপুটি  এ কে খন্দকারকে দায়িত্ব দেন । দিয়িত্ব পেয়েই খন্দকার নিজেই নিজের জন্য বীর উত্তম খেতাবটি নিয়ে নেন । ওসমানি ও রবকে তিনি বীর উত্তম খেতাব অফার করলে তারা দুজনেই তা রিফিউজ করেন । তারা বলেন, স্টাফ অফিসাররা কখনোই রণাঙ্গনের বীরত্বসূচক খেতাব নিতে পারেন না । শুধু তা-ই নয়,এ কে খন্দকারের সাথে পরামর্শ করে ১১ নং সেক্টর কমান্ডার কর্নেল তাহের তার অন্য চার ভাইএর জন্য পদক বাগিয়ে নেন । তারা হলেন- ইউসুফ বীর বিক্রম, ও বেলাল, বাহার এবং ওরাসাত হোসেন পান বীর প্রতীক খেতাব । আসলে ভারতে পদক বিতরণ নিয়ে যে বিশ্রী কান্ড ঘটেছিল, এখানেও তা-ই ঘটেছে । আহত শহীদদের অনেকেই পদক পাননি ।

প্রশ্নঃ   প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, জিয়াউর রহমানের আমলে মুক্তিযোদ্ধা সেনাদের ফাঁস্যার পুনঃতদন্ত করা হবে আপনার বক্তব্য কি ?

উত্তরঃ     তদন্ত হোক,এটিকে আমি স্বাগত জানাই । পাশাপাশি জিয়াউর রহমানের জীবিত থাকাবস্থায় ১৩ বার অভ্যুত্থানের attempt নেয়া হয়েছিল । এর কুশীলব,পেছনের শক্তি কারা ছিলেন, তার-ও তদন্ত হওয়া উচিত ।

প্রশ্নঃ   যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া শুরু করেছে সরকার । এ প্রক্রিয়া কতটা স্বচ্ছ ?

উত্তরঃ    যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করতে হলে যারা প্রকৃত অপরাধী, কেবল তাদের বিচার করতে হবে । কেবল দাড়ি-টুপিওয়ালা বা একটি  specific দলের লোকদের গ্রেফতার করে গল্প বানিয়ে বিচারের মুখোমুখি করা হলে তা কোন সচেতন নাগরিক মেনে নেবেন না । এ বিচার হতে হবে দল-মত নিরবিশেষে । সরকার যা করছে, তাতে হয়তো একটা হযবরল অবস্থা তৈরী করে বিচার শেষ হতে পারে, কিন্তু স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে একটি আন্তর্জাতিক মানের বিচার করতে গেলে অনেক সময় লাগবে এবং কোন নিরপরাধ ব্যক্তি হয়রানির শিকার হবেন না ।

প্রশ্নঃ   আওয়ামীলীগ সব সময় নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তি হিসেবে দাবি করে -এ দাবি যৌক্তিক কি না ?

উত্তরঃ    আমরা যদি ইতিহাস পর্যালোচনা করি, দেখা যায় যে আওয়ামীলীগ যুদ্ধ শুরু হবার আগ মুহূর্তে পাকিস্তানের কাছে আত্মসমর্পণ করেছিল । তাদেরকে পাকিস্তানের পক্ষের শক্তি বলা যেতে পারে । আমরা যারা রণাঙ্গনে যদ্ধ করেছি, তারাই মুক্তিযুদ্ধে এদেশের স্বপক্ষ শক্তি । বর্তমানে আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধের ‘স্বপক্ষ ও বিপক্ষ শক্তি’ termগুলো সৃষ্টি করে জাতিকে বিভক্ত করার চেস্টা চালাচ্ছে- যা অমঙ্গলজনক । অথচ তৎকালীন রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমান ভারতের কার্যকলাপ আঁচ করতে পেরে ১৯৭৩ সালের ১৬ ডিসেম্বর যারা দেশের স্বার্থবিরোধী কাজে লিপ্ত ছিল, তাদের মাফ করে দেন । পরের বছর ১৯৭৮ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তিনি মুক্তিযুদ্ধে জঘন্যতম অপরাধ করেছেন, তাদের ক্ষমা করে দেন ।

প্রশ্নঃ  যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে সোচ্চার ‘sector commanders’ forum’ সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন কী?

উত্তরঃ    আমার জানা মতে, ‘sector commanders’ forum’ প্রতিবেশী এক্তি গোয়েন্দা সংস্থার ১২ কোতি তাকা পুঁজি করে বর্তমান কর্মকান্ড চালিয়ে আসছে । এর মূল beneficiary বর্তমান পরিকল্পনামন্ত্রী এ কে খন্দকার । নামে ‘sector commanders’ forum’ হলেও সেখানে ২-৩ জন ছাড়া কেউ-ই সেকটর কমান্ডার নন । যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে তারা আসলে একটি স্লোগান তুলেছে,যার নৈতিক কোন ভিত্তি নেই ।

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s

%d bloggers like this: